জ্বর, শ্বাসকষ্ট ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ে চমেক হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তরজেলা অাওয়ামীলীগের সভাপতি এবং জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম.এ সালাম। শুক্রবার (২৬ জুন) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে চমেক হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মো. আফতাবুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ডা. মো. আফতাবুল ইসলাম বলেন, বর্তমানে এম এ সালাম অনেকটা সুস্থ আছেন। চিকিৎসকরা সার্বক্ষণিক তাঁর খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। এখন পর্যন্ত চিন্তার কিছু নেই।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, গতকাল বৃহস্পতিবার করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) উপসর্গ নিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কেবিনে ভর্তি হয়েছেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি এম এ সালাম। বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) নমুনার ফলাফল আসেনি।
করোনা চিকিৎসার জন্য খাজনার থেকে বাজনা বেশি হয়ে যাচ্ছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনা চিকিৎসা শুরু হয়েছে গত মাস থেকে। আর এই ১ মাসে চিকিৎসকদের থাকা খাওয়ার বাবদ খরচ হয়েছে ২০ কোটি টাকা। অর্থ মন্ত্রণালয়ের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। আর এই বিল দেখে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের চোখ কপালে উঠেছে। তাঁরা বলছে, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের থাকা-খাওয়া বাবদ খরচ এত হলে করোনা চিকিৎসা হবে কিভাবে? যেখানে সরকার করোনা চিকিৎসার জন্য করোনাকালীন সময়ে কৃচ্ছতা সাধনের কথা বলা হচ্ছে, ব্যয় সঙ্কোচনের কথা বলা হচ্ছে, সেখানে ঢাকা মেডিকেল কলেজের এই চিকিৎসা বিলাসীতা নতুন করে চিন্তার উদ্রেগ করেছে সরকারের মাঝে।
ইতিমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিবকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, এত খরচ ভবিষ্যতে আর বহন করা যাবেনা। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব এই বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মূখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন বলে একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। এই প্রেক্ষিতে ভবিষ্যতে সরকারি যে ডরমেটরি আছে, সেই ডরমেটরিতে চিকিৎসকদের রাখার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও সরকারের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা গেছে যে, কোভিড পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেলের একাংশকে নির্ধারণ করার বিষয়টি শুরু থেকেই ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসকরা বিরোধিতা করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উদ্যোগে ঢাকা মেডিকেলের নতুন বর্ধিতাংশকে কোভিড চিকিৎসার জন্য বিশেষায়িত করা হয়। সেসময় পাঁচশ জন চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের এখানের দায়িত্বে দেওয়া হয়। জানা গেছে, একজন চিকিৎসক ৭ দিন মাত্র ডিউটি করেন এবং বাকি ২১ দিন হোটেলে থাকে। ঢাকার একটি চার তারকা হোটেল নেওয়া হয় এই চিকিৎসকদের রাখার জন্য। এর ফলে ১ মাসে তাঁদের বিল এসেছে প্রায় ২০ কোটি টাকা। এর মধ্যে সাড়ে ৫ কোটি টাকা শুধু খাবারের বিলই এসেছে।
যদিও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ছিল যে, ৭ দিন ডিউটি এবং ২১ দিন ছুটির নিয়মটি বদল করতে হবে, বরং ১৪ দিন ডিউটি করে পরের ১৪ দিন ছুটির নিয়ম প্রবর্তন করতে হবে। কিন্তু ঢাকা মেডিকেলের চিকিৎসকরা ৭ দিন ডিউটি করে ২১ দিনের ছুটি ভোগ করছেন। এর থেকেও বড় কথা হচ্ছে যে, এইসময় তাঁদের হোটেলের বিল এসেছে ১২ কোটি টাকা এবং খাবারের বিল এসেছে সাড়ে ৫ কোটি টাকা। যখন সরকার করোনা মোকাবেলায় হিমশিম খাচ্ছে এবং করোনা মোকাবেলার সঙ্গে অর্থনৈতিক সঙ্কট তীব্র হয়েছে, সেইসময় এমন ব্যয় অযাচিত এবং অর্থ মন্ত্রণালয় এটা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছে বলেও জানা গেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে যে, এবার তাদেরকে বিল দেওয়া হলেও ভবিষ্যতে এমন বিলাসিতা কখনোই গ্রহণযোগ্য হবেনা। উল্লেখ্য বাংলাদেশে করোনা সঙ্কটের শুরু থেকে চিকিৎসকদের নিয়ে নানা রকম সমস্যা হয়েছে। প্রথমেই চিকিৎসকরা সব ধরণের চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে দেন এবং সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালের বহির্বিভাগের চিকিৎসা সেবা একেবারেই বন্ধ করে দেন। এই বাস্তবতায় প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগে এবং নির্দেশে করোনা চিকিৎসা যেন নিশ্চিত করা হয় এবং কোনো হাসপাতালে কোনো রোগীকে চিকিৎসাহীন যেন না থাকতে হয় সেজন্য কঠোর অনুশাসন জারি করা হয়। কিন্তু এমন নির্দেশনার পরেও চিকিৎসকরা নন কোভিডদের চিকিৎসা এখনো সুষ্ঠভাবে করছে না।
এদিকে করোনা চিকিৎসা নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরও নানারকম দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেয়। চিকিৎসকদের জন্য এন-৯৫ মাস্ক বা পিপিই দেওয়া হয়েছিল তা ছিল নিম্নমানের। এর ফলে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে বাংলাদেশে সবথেকে বেশি সংখ্যক চিকিৎসক আক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃত্যুবরণ করেছে। এই বাস্তবতায় যখন ঢাকা মেডিকেল কলেজের বহিরাংশকে কোভিড হাসপাতাল করার উদ্যোগ নেওয়া হয় তখন চিকিৎসকরা তাঁদের সুরক্ষার দাবি করেন।
উল্লেখ্য যে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও চিকিৎসকদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন কিন্তু এই ব্যবস্থার নামে এক ধরণের বিলাসীতা করেছেন, যা কোনভাবে কাম্য নয়। এখন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে যে, এরপর কোভিড চিকিৎসার জন্য যে চিকিৎসকরা কোভিড চিকিৎসা করবেন তাঁদেরকে সরকারি ভালো, উন্নত মানের ডরমেটরিতে রাখা হবে এবং সেখানে তাঁদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।
আজ (২৭জুন) চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় ছাত্রলীগ নেতা অসীত বরণ বিশ্বাসের নেতৃত্বে গাছের চারা লাগিয়ে এই কার্যক্রম চালু হয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার আহ্বানে বাংলাদেশকে প্রাকৃতিক দূর্যোগ থেকে পরিত্রাণের জন্য মুজিব শতবর্ষে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ঘোষিত তিন মাস ব্যাপী বৃক্ষরোপন কর্মসূচির আওতায় আজ বিকালে চট্টগ্রামের বিভিন্ন জায়গায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালন করেন।
এ বিষয়ে ছাত্রনেতা অসীত বরণ বিশ্বাস বলেন, দেশের যে কোন দূর্যোগকালীন পরিস্থিতিতে আমরা ছাত্রলীগ পরিবার কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নির্দেশে যে কোন ভূমিকা নিতে প্রস্তুত আছি, তারই ধারাবাহিকতায় আমাদের বৃক্ষরোপন সহ যেকোন ইতিবাচক কর্মসূচী চলমান থাকবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন ৪২নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক রিপন দাশ, ইসলামিয়া কলেজ ছাত্রলীগ নেতা ইব্রাহিম মুন্না, সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা বেলাল হোসেন, থানা ছাত্রলীগ নেতা দীপু বড়ুয়া,টিপু সিংহ,জয়নাল আবেদীন হিমেল,অনু দে সহ প্রমুখ।
“ডিফেন্ডারস অফ বাংলাদেশ” সম্প্রতি সময়ে চট্টগ্রাম মহানগরীর বহুল আলোচিত একটি সামাজিক সংগঠন। ইতিমধ্যে এই লকডাউন চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সামাজিক কাজে অংশগ্রহণ করে সংগঠনটি আলোচনায় এসেছে।এরই ধারাবাহিকতায় ২৫ শে জুন “ডিফেন্ডারস অফ বাংলাদেশ” এর পক্ষ থেকে অসহায় মানুষদের সাহায্য করার লক্ষ্যে “Action Against Hunger” শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানে নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে ৫০০ পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ মাঈনু উদ্দিন চৌধুরীর সার্বক্ষণিক তদারকির মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।
Daily Local Voice
সংগঠনটির সভাপতি মাঈনুদ্দিন মোহাম্মদ মাহিম এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন ১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ,চট্টগ্রাম মহানগরের আহবায়ক জনাব আলহাজ্ব ইউনুচ কোম্পানী,প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, চট্টগ্রাম মহানগরের উপ-প্রচার সম্পাদক মোঃ শহিদুল আলম (শহিদ),প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামীলীগের সম্মানিত উপদেষ্টা এবং বাকলিয়া থানা আওয়ামীলীগ এর আহবায়ক আলহাজ্ব শফিকুল ইসলাম,বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের যুগ্ন আহবায়ক জনাব আকবর আলী আকাশ,১৭ নং পশ্চিম বাকলিয়া ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সদস্য জনাব মোঃ রফিক,গ্রিন সিটি স্কুল এবং সায়েন্সপ্লাস ও একাউন্টিং প্লাস কোচিং সেন্টারের পরিচালক জয়দেব চক্রবর্তী সহ সংগঠনটির উপদেষ্টা জনাব মোঃ রাহিম উদ্দিন চৌধুরী, জনাব রুম্মান আহমেদ,জনাব ইমতিয়াজ আহমেদ।
Daily Local Voice
সংগঠনটির সদস্যবৃন্দ চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন মেইন পয়েন্টে রাস্তায় থাকা অসহায় মানুষদের মাঝে এই উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন।পরবর্তীতে কিছু প্যাকেট কোতোয়ালি থানার ওসি মোঃ মহসিনের হাতে হস্তান্তর করা হয় যাতে করে তিনি অসহায়দের মাঝে বিলিয়ে দিতে পারেন।টিম কোতোয়ালিকে হস্তান্তর করার সময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট মোঃ রাহিম উদ্দিন চৌধুরী। এই সময় ওসি মোঃ মহসিন তাদের কর্মকান্ডের অনেক প্রশংসা করেন।পাশাপাশি ডিফেন্ডারস অফ বাংলাদেশ-এর উপদেষ্টা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এডভোকেট মোঃ রাহিম উদ্দিন চৌধুরী দেশের এই ক্রান্তিকালীন সময়ে মানুষের পাশে থাকার জন্য সাধুবাদ জানান। এই অনুষ্ঠানটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সফল করতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন ডিফেন্ডারস্ অফ বাংলাদেশ এর মূল কমিটি এবং বিভিন্ন থানা কমিটি সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
অবশেষে তাঁরা এই আশা ব্যক্ত করেন যে, সকলের সহযোগিতা থাকলে ভবিষ্যতে এই সংগঠন আরো বড় উদ্যোগ নিয়ে এগিয়ে যেতে পারবে। তাই সবাইকে তাদের এই কার্যক্রমে সাথে থাকার জন্য অনুরোধ করেন সংগঠনটির নেত্ববৃন্দ।
“মুজিব বর্ষের আহবান,তিনটি করে গাছ লাগান।”এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এবং মুজিব শতবর্ষে এক কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নির্দেশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছেন চট্টগ্রাম সরকারী হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ ছাত্রলীগ।
আজ বৃহস্পতিবার (২৫ই শে জুন) মহসিন কলেজের বিভিন্ন জায়গায় বৃক্ষরোপণ করে এই কর্মসূচি পালন করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ মহসিন কলেজ ছাত্রলীগের ছাত্র-প্রতিনিধি মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ছাত্রলীগ কর্মীরা মুজিবর্ষের আহ্বান, ৩ টি করে গাছ লাগান, কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এই কর্মসূচিতে গাছ লাগান।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন মহসিন কলেজ ছাত্রনেতা : মোহাম্মদ সালাউদ্দিন,জয়জিৎ চৌধুরী জয়,মোকশেদুল সাকিব,মিল্কি,রাইহানুল নাঈম,আব্দুল্লাহ সরওয়ার, অর্পিতা ভদ্র প্রাপ্তি,ইমাম হোসেন রিদয়,আরিফ হোসেন প্রমুখ।
কলেজ ছাত্রনেতা মিজানুর রহমান বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উদ্যোগে দেশব্যাপী বৃক্ষরোপন অভিযানের ধারাবাহিকতায় বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালন করছে মহসিন কলেজ ছাত্রলীগ।আমি আজকের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী থেকে আহ্বান করতে চাই আপনারা তিনটি করে গাছ লাগান আর পরিবেশ রক্ষা করুন।
শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে করোনা কালীন সময়ে ১ হাজার গরীব,অসহায় এবং হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (২৪ জুন) নগরীর জে.এম.সেন হল প্রাঙ্গণে উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, পরিষদের সাবেক সভাপতি ও রাউজান পৌরসভার মাননীয় মেয়র শ্রী দেবাশীষ পালিত, পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট চন্দন তালুকদার, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বাগীশিক কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা এডভোকেট তপন কান্তি দাশ, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক শ্রী বিমল কান্তি দে ও শ্রী শ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ কথক দাশ, কাউন্সিলর পদপ্রার্থী রুমকী সেন গুপ্তা সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
হিন্দু সম্প্রদায়ের পূণ্যস্থান আদিনাথ মন্দির সংস্কার কাজে ব্যাপক অনিয়মসহ অবৈধভাবে মাটি কেটে মন্দির হুমকির মুখে ফেলেছে মোহাম্মদীয়া কনস্ট্রাকশন নামের এক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। যার মালিক জুনায়েদ নামের এক ঠিকাদার।
তাছাড়া শুস্ক মৌসুমে সংস্কার কাজ বর্ষা মৌসুমে করায় কাজের নামে হরিলুট করা হচ্ছে। অন্যদিকে কার্যাদেশ পাওয়া মূল ঠিকাদার মহেশখালীর স্থানীয় এক প্রভাবশালীর মাধ্যমে কাজ করায় তিনি মন্দির কমিটির কোন অভিযোগ শুনছে না। তাই আদিনাথ মন্দির রক্ষায় প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
মহেশখালী আদিনাথ মন্দির সংলগ্ন বেশ কয়েকজন সনাতন ধর্মালম্বী সুনিল চন্দ্র দে,দুলাল চন্দ্র দে রাজিব দে,চিত্তরঞ্জন দে সহ ২০/৫০ জন গণসাক্ষরতার একটি মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগে বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম পূর্ণস্থান আদিনাথ মন্দির পাহাড়ের চুড়ায় হওয়াতে বর্তমানে কিছুটা ঝুঁকির মধ্যে আছে। তাই বর্তমান সরকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে রিটার্নিং ওয়াল নির্মাণ প্রকল্প হাতে নেয় প্রায় ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পের কার্যাদেশ পায় মোহাম্মদীয়া কনস্ট্রাকশন। যার মালিক কক্সবাজারের ঝাউতলাএলাকার জুনায়েদ নামের এক ঠিকাদার।
অভিযোগকারীদের দাবী, শুস্ক মৌসুমে পাহাড়ের নীচে মন্দির রক্ষায় রিটার্নিং ওয়ালের কাজ শেষ করার কথা থাকলেও ঠিকাদার সেটা শুরু করেছে বর্ষা মৌসুমে। আরো জানা গেছে, প্রকৃত ঠিকাদার আবার মহেশখালীর এক প্রভাবশালীকে উক্ত কাজ সমর্পণ করেছে। আর সেই দ্বিতীয় ঠিকাদার বর্ষা মৌসুমে হেভী স্কেলেটর নিয়ে মাটি কাটায় বর্তমানে মন্দির রক্ষার বদলে এখন মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। একই সাথে সেই মাটির কারণে মন্দিরের নীচে জোড়া পুকুর বাঁধ ভেঙ্গে যাচ্ছে। এতে মন্দিরের অপূরণীয় ক্ষতি হচ্ছে।
এই বিষয়ে আদিনাথ মন্দির পরিচালনা কমিটি ঠিকাদারকে অভিযোগ দিলেও তিনি তাতে কর্ণপাত না করে মাটি কাটা অব্যহত রেখেছে। এছাড়া ৭২ লাখ টাকার কাজে বিপুল পরিমাণ অনিয়ম দূর্নীতি হচ্ছে যা ভাষায় প্রকাশ করার মত না।
তাই উক্ত অনিয়ম দূর্নীতি বন্ধ করে মন্দির রক্ষায় প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন স্থানীয় সনাতন ধর্মালম্বীরা। বর্ষা মৌসুমে মন্দির রক্ষায় রিটার্নিং ওয়ালের কাজ করা মন্দিরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তাই চলতি বর্ষা মৌসুমে রিটার্নিং ওয়ালের কাজ না করে শুস্ক মৌসুমে করার দাবি জানান আদিনাথ কমিটি ও অভিযোগকারীরা।
চট্টগ্রাম জেলার সীতাকুণ্ড উপজেলার সোনাইছড়ি ইউনিয়ন এর পাক্কা মসজিদ এলাকায় সাগর তীরে বেড়িবাঁধ সংস্কার কাজের পরিদর্শন ও নবনির্মিত ২টি কালভার্ট এর উদ্বোধন করেছেন চট্টগ্রাম-৪ সীতাকুণ্ড আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব দিদারুল আলম এমপি।
প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে তিনশত মিটার বেড়িবাঁধের সংস্কার কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। ২৩ জুন মঙ্গলবার সকালে বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ পরিদর্শন করতে গিয়ে দিদাররুল আলম এমপি জেলে পাড়া এলাকায় দুইটি কালর্ভাটের নির্মাণ কাজ উদ্ভোধন করেন।
দিদারুল আলম এমপি বলেন, স্থানীয় জনগনের দাবীর পরিপ্রেক্ষিতে অামরা অাপাতত অস্থায়ীভাবে ১৭ লক্ষ্য টাকা ব্যায়ে কাজ শুরু করেছি। পরবর্তীতে বাজেট পাশ হলে স্থায়ীভাবে বেড়িবাঁধের কাজ পুনরায় শুরু করা হবে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য আ.ম.ম দিলসাদ, সোনাইছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মনির আহমেদ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিকী ভুইয়া, আওয়ামীলীগ নেতা মোহাম্মদ ইদ্রিস, শ্রমিক নেতা মাহবুবুর রহমান, সমাজ সেবক দিদারুল ইসলাম মাহমুদ, ইউপি সদস্য মোঃ ফোরকান, জহুরুল আলম, সোনাইছড়ি ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাহরিয়ার রাশেদ প্রমুখ।
২৩ জুন ২০২০ সকাল ১১:০০ ঘটিকার সময় রংপুর রেঞ্জ অফিস সম্মেলন কক্ষে রংপুর রেঞ্জের ২০২০ সালের অপরাধ সভায় জনাব দেবদাস ভট্টাচার্য বিপিএম, ডিআইজি রংপুর রেঞ্জ, বাংলাদেশ পুলিশ রংপুর মহোদয় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশ রংপুর রেঞ্জ এর সকল ইউনিটের সাথে সংযুক্ত হয়ে আইন-শৃঙ্খলাসহ সার্বিক বিষয়ে দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।
উক্ত ভিডিও কনফারেন্সের সময় উপস্থিত ছিলেন, রংপুর জেলা পুলিশের আইকন, জনাব বিপ্লব কুমার সরকার বিপিএম(বার), পিপিএম, পুলিশ সুপার রংপুর, সহ জেলা পুলিশের উর্দ্ধতন কর্মকর্তাগণ।
রংপুর জেলায় যোগদানের পর প্রতি মাসের ন্যায় থানায় থানায় অপরাধ সভা, মাদক উদ্ধার, মামলার রহস্য উদঘাটন, ওয়ারেন্ট তামিল, সুষ্ঠ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা, অপরাধ নিয়ন্ত্রন, দক্ষতা, কতর্ব্য নিষ্ঠা, সততা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সন্তোষ জনক হওয়ায় সর্বসম্মতিক্রমে রংপুর জেলা পুলিশের অাইডল, মানবিক পুলিশ সুপার জনাব বিপ্লব কুমার সরকার, বিপিএম-বার, পিপিএম মহোদয়কে রংপুর রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার হিসাবে মনোনীত করা হয়। কৃতিত্বপূর্ণ কর্মকান্ডের জন্য নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ পুলিশ সুপার মহোদয় এর হাতে মাননীয় রেঞ্জ ডিআইজি মহোদয় জনাব দেবদাস ভট্টাচার্য,বিপিএম, ডিআইজি, রংপুর রেঞ্জ, বাংলাদেশ পুলিশ, রংপুর সম্মননা স্মারক হিসেবে ক্রেস্ট তুলে দেন।
পাথরঘাটা ওয়ার্ডের বয়স্ক পুরুষ, মহিলা ও শিশু যারা বিভিন্ন রোগে ভুগছেন কিন্তু হাসপাতালে যেতে পারছেন না তাদেরকে স্ব স্ব গৃহে অবস্থান করে চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য “হ্যালো ডাক্তার” কর্মসূচি গ্রহণ করেন বাংলাদেশ অাওয়ামীলীগ মনোনীত ৩৪নং পাথরঘাটা ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী পুলক খাস্তগীর।
করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবিলায় চট্টগ্রাম নগরীর ৩৪নং ওয়ার্ড এলাকায় ঘরে ঘরে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষে ও বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগ নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন পুলক খাস্তগীর।
১৮ জুন থেকে “হ্যালো ডাক্তার” ট্রেনিং সেশনে অংশ গ্রহণ করেন অত্র এলাকার স্বেচ্ছাসেবী কর্মীরা। ট্রেনিং সেশন পরিচালনা করেন ডাক্তার সজীব তালুকদার এবং ম্যাক্স হাসপাতালের ইর্মাজেন্সী সিষ্টার রোজী চক্রবর্তী সাহা।
পুলক খাস্তগীর বলেন, গত ২২জুন “Hello Doctor” এর প্রশিক্ষন শেষে আমরা ভাই বোনদের নিয়ে খোশগল্পে মশগুল। হঠাৎ প্রিয় ছোট ভাই সাবেক ছাত্রনেতা এনামের ফোন,পাথরঘাটায় অবস্থিত একজন রোগীকে অক্সিজেন দিতে হবে, শ্বাসকষ্ট বেড়েছে।সাথে সাথে আমি আমার টীমকে প্রস্তুত হতে বললাম। “Hello Doctor” এর চীফ co-ordinetor রোজী চক্রবর্তী সাহার নেতৃত্বে টীম প্রস্তুত। টীম মানবিক পাথরঘাটা ও Hello Doctor ৩৪ নং পাথরঘাটা ওয়ার্ড সমন্বয়ে অসুস্থ রোগীকে তৎক্ষনাৎ সেবা প্রদান করে অাসেন।
Daily Local Voice
আজ ২৩জুন সকাল ১০ টায় হঠাৎ মোবাইল বেজে উঠল দেখি আশরাফ আলী রোডস্থ যুবলীগ নেতা বিপ্লব মল্লিকের ফোন। তার কাছ থেকে জানতে পারলাম আরেক ছোট ভাই রিমেলের বাবার শ্বাসকষ্ট হচ্ছে অক্সিমিটারে ৮৬ পাচ্ছেন। ডাক্তার অক্সিজেন প্রেসক্রাইপ করেছে, বিলম্ব না করে মানবিক পাথরঘাটার এনামুল হক ও আমার Hello Doctor এর দুই স্বেচ্ছাসেবক সাঈদ ও অনিক কে প্রস্তুত হতে অনুরোধ করলাম। যেই কথা সেই কাজ আমি আসার আগেই আমার তিন সহযোদ্ধা অক্সিজেন ও তৎসংশ্লিষ্ট সব কিছু নিয়ে রোগীর বাসায় হাজির এবং রোগীর সেবা দান করে সুস্থতার পথে একধাপ এগিয়ে দিল। এভাবেই চলতে থাকবে অামাদের Hello Doctor সেবা কর্মসূচি।