বাঙালি পুরুষের ফ্যান্টাসি এবং যা কিছুর ভিতরে আমরা থাকি।Daily Local Voice

Daily Local Voice

তিনটা ঘটনা লিখে রাখতে ইচ্ছে করছে। কোনোটার সাথে কোনোটা সংযুক্ত না; কিন্তু দলীয়, ধর্মীয় এবং সাহিত্যের নামে যেসব হিপোক্রেসি দেখি তার সুবাদে লেখা।

১. আমি সর্বশেষ যখন ঢাকায় গিয়েছিলাম, তা ছিল ১৯-২০ ডিসেম্বর ২০২০ সাল। ট্রেনে যে বগিতে সিট ছিল, তা মোটামুটি ভর্তি ছিল আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের নিয়ে। কোনো একটা সম্মেলনে যোগ দিতে সবাই যাচ্ছে ঢাকায়। আমার বগিতে ছিলেন নারী কর্মী বেশি। তারা গান গাইছিলেন, বেশ হাসি ঠাট্টা খুনসুটির মধ্যে দিয়ে যাত্রা চলছিল। হঠাৎ শুনি এক নারী কর্মী আরেক পুরুষ কর্মীর সাথে ঝগড়া শুরু করে দিয়েছেন। কী ব্যাপার বোঝার চেষ্টা করতেই বুঝলাম কথা কাটাকাটির সূত্রপাত। নারী বলে নারী কর্মীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে তুচ্ছ করে দেখার চেষ্টা সেই ভদ্রমহিলা মেনে নিতে পারেননি। শুনি নারীটি বলছেন, “আওয়ামী লীগের ৩০% কর্মী নারী, মাঠে ময়দানে আন্দোলনে আমাদের ভূমিকা কম না। অথচ দলের ভিতরেই আমাদের যোগ্যতা মাপা হয় না!” আমার তখন মনে হলো বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এই এক জায়গায় বেশ একতা আছে। সে ডান বাম ধর্মীয় যে দলই হোক না কেন নারীদের যোগ্যতা অনুযায়ী পদ বা কাজের সুযোগ পুরুষের পাশাপাশি দিতে নারাজ সব দলই। যাও বা হাতে গোনা দুএকজন সুযোগ পান উপরের স্তরে পৌঁছে কাজ করার, সেখানেও তাদের কাজের ক্ষেত্রে আভ্যন্তরীণ চাপ অনেক বেশি থাকে। আর তা কোট-আনকোট নারী হবার সুবাদেই।

২. আমি বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছি। সবখানেই ‘স্পষ্টবাদী’- এই তকমা জুটেছে। একই কারণে কেউ কেউ অপছন্দ করেছে, কারো বিরাগভাজন হয়েছি কিংবা কেউ কেউ খুবই পছন্দ করেছে। একবার একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আমার এক ছাত্রী নাড়ু বানিয়ে আনলো আমার জন্য। আমি নিজে খেলাম, অন্য কলিগদেরও দিলাম। অন্য এক বিভাগ থেকে এক কলিগ ঢুকলেন তখন রুমে। তাকেও নাড়ু সাধলাম। তিনি সাথে সাথে বলে উঠলেন, “পূজার নাড়ু নাকি? হিন্দু বানাইসে? খাবো না।” তো আমিও বাটি ফিরিয়ে নিতে নিতে বললাম, “দুর্গাপূজার ছুটি তো কাটান। ওই সময় তো হিন্দুদের পূজার কথা খেয়াল থাকে না!” উনি কিছু বলেন নাই। কিন্তু আমি উনার বিরাগভাজন হয়েছিলাম নিঃসন্দেহে।

৩. আমার প্রগতিশীল এক বন্ধু (এখন আর বন্ধুত্ব নেই) পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়ার কথা বললেই অন্য ছেলেদের দিকে খুবই ইংগিতপূর্ণ দৃষ্টি দিয়ে বলতো, “পাহাড়ে যাবো, পাহাড়ি মুরগী খাবো।” তো আমি বুঝতে না পেরে জিজ্ঞেস করলাম, “পাহাড়ি মুরগী অনেক শক্ত হবে না?” সে হাসতে হাসতে বললো, “নরম শক্ত আমরা বুঝবো। তোমরা তো খাইতে পারবা না!” অনেক পরে আমার আরেক ছেলে বন্ধু এই কথার মানে বুঝিয়েছিল, এই মুরগী আদিবাসী মেয়েদের বুঝিয়েছে। সম্প্রতি সাদী শাশ্বত নামের এক ব্যক্তির ভাষ্যমতে তিনি আদিবাসী নারীর প্রতি নিটোল প্রেমের কবিতা লিখেছেন কিন্তু কতিপয় দুষ্টু লোক তার কবিতাকে যৌন লালসা, সংখ্যাগরিষ্ঠের রাজনীতিতে ফেলার চেষ্টা করছে। আহা! তাই যদি সত্যি হতো!
কবিতাটা নিটোল প্রেমের কবিতা হতো যদি না তাতে একটা দুইটা তিনটা করে পাহাড়ি নানা আদিবাসী নারীর সাথে সঙ্গমের মাধ্যমে কবি তার ক্লান্তি দূর করতে না চাইতেন! মানে একেবারে সুলতান সুলেমান আসছেন আর কি তিনি! উনার কবিতাকে নিছক কবিতা হিসেবে দেখার চেষ্টা করেও পারছি না। কারণ তাহলে আরও অনেক কিছুকে নিছক কথার কথা বলে মানতে হবে। রিপ্রেজেন্টেশানের রাজনীতি বলি, কাশ্মীরের মেয়েদের প্রতি ভারতের নানা অঞ্চলের বহু পুরুষদের যে আকাঙ্ক্ষা, তাতে যৌন লালসা মিশে থাকে তা উপেক্ষা করার যেমন উপায় নেই, ঠিক সেরকম একটা সহজ সরল পাহাড়ি মেয়েকে বিয়ে করে তার চারপাশের বাকিসব গোত্রের নারীদের কামনা করাও এক ধরণের লালসা ছাড়া আর কিছুই না।

কবিতার নামে, সাহিত্যের নামে, গানের নামে, ওয়াজের নামে যা খুশি তা বলা হয়তো বাক স্বাধীনতা। কিন্তু এই ধরণের বক্তব্য চলমান বহু সাম্প্রদায়িক, মিসোজিনিস্ট, সেক্সিস্ট এবং রেইসিস্ট ভাবনাকে কতটা কীভাবে চালু রাখে তা অবশ্যই ভাবনায় রাখা উচিত। অবশ্য সাহিত্য তো জীবন, সমাজের দর্পণ। বাঙালি পুরুষের পাহাড়, পাহাড়ি মদ, নারী নিয়ে ফ্যান্টাসির বহিঃপ্রকাশই তো ঘটেছে কবিতায়। সেই চিন্তা থেকে এই কবিতা ঠিকই আছে।

সাধারণের মাঝে অসাধারণ মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন।

রিপোর্টারঃ অভিমিত্র রাজ

রাউজানের কৃতি সন্তান বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর হায়দার চৌধুরী রোটনকে কক্সবাজারে রাস্তার পাশে একটি হোটেলে সাধারণ মানুষদের সাথে বসে খাবার খেতে দেখা যায়।

যার ইতিহাস বলতে গেলে ১/১১ এর কঠিন দূঃসময়ে কাক ডাকা ভোরে যখন মুয়াজ্জিনের কন্ঠে আযানের সুর ভেসে আসছিল ঠিক তখনই কার্জন হলের সামনে থেকে মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনকে আটক করল তৎকালীন স্বৈরশাসনের জলপাই রঙের কাপড় পরিহিত বাহিনী।

কারারুদ্ধ করা হলো জননেত্রী শেখ হাসিনাকে। রোটনের নেতৃত্বে শুরু হয় কঠোর আন্দোলন সংগ্রাম। আটক হন রোটন। টানা ১৯ মাস কারা নির্যাতনের শিকার হওয়ার পরেও আপোষ করেনি স্বৈরশাসকদের সাথে।

উল্লেখ্য, গতকাল কক্সবাজারের লাবনী ঝিনুক মার্কেটের একটি হোটেলে সাধারণ মানুষের সাথে খাবার খাচ্ছিলেন রোটন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি একজন সাধারণ মানুষ তাই সাধারন মানুষের মাঝে থাকতে মানসিক তৃপ্তি পাই।

২১ শে আগষ্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত শহীদদের স্বরণে চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের উদ্যোগে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন।

চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা উপ পরিষদ এর সদস্য সচিব জানে আলম এর ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহত আওয়ামীলীগ এর সকল নেতাকর্মীদের স্মরণে প্রদীপ প্রজ্জলন এবং প্রতিবাদ সভায় সভাপতি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর সাবেক আহ্বায়ক চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এড. আবুল হোসেন মোঃ জিয়াউদ্দিন। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩২ নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর জহুরলাল হাজারী বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩২ নং আন্দরকিল্লা ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ দিদারুল আলম। অনুষ্টান সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা কাজী হেলাল। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সবেক সদস্য ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর উপ কমিটির সাবেক সদস্য এড. এস এম রাশেদ, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর প্রস্তুতি কমিটির প্রচার ও প্রকাশনা উপ পরিষদ এর সদস্য এড. সুব্রত শীল রাজু,রাজীব চৌধুরী, সৌরভ দাশ,এড. দিদার উদ্দীন যুবনেতা নেতা অপু, ছাত্রলীগ নেতা শুভ আইচ,সুপল পাল তুষার, আবুল হাসনাত, তৌহিদুর ইসলাম, প্রান্ত,ইসতিয়াক,তানভীর,জিতু প্রমুখ।

এসময় সভাপতির বক্তব্যে এডভোকেট এ এইচ এম জিয়াউদ্দীন বলেন, যারা বাংলাদেশকে অস্তিতিশীল করার চেষ্টা করেছিল তাদেরকে প্রতিরোধ, প্রতিহত করা হয়েছে। ভবিষ্যতে তারা মাথাছরা দিয়ে উঠার কোন ক্ষমতা নেই। এখনো প্রতিনিয়ত ষড়যন্ত্র হচ্ছে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী শেখ হাসিনা যে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে আমরা তার লালিত স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করতে চাই। তিনি আরো বলেন, আমরা বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা করতে চাই। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ভাবে অনেক সমৃদ্ধশালী হয়েছে আরো সমৃদ্ধ শালী হবে। আমরা অসাম্প্রদায়িক চেতনায় হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খৃষ্টান সবাই একসাথে কাঁধে -কাঁধ মিলিয়ে আমাদের এই দেশকে আরো এগিয়ে নিতে চাই। যারা ২১ আগষ্টে বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলা করেছে তাদেরকে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে এবং বঙ্গবন্ধুর ৫ জন খুনিকেও বিচারের আওতায় আনার জোর দাবী জানাই।

সিআরবি রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি। Daily Local Voice

অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত নগরের ঐতিহ্য সমৃদ্ধ ঐতিহাসিক সিআরবি এলাকায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বে (পিপিপি) প্রস্তাবিত হাসপাতাল, মেডিক্যাল কলেজ নির্মাণ প্রকল্প বাতিলের জন্য চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মো. মমিনুর রহমানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবরে স্মারকলিপি দিয়েছে নাগরিক সমাজ, চট্টগ্রাম।

এ সময় নাগরিক সমাজ চট্টগ্রামের সদস্য সচিব ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল জেলা প্রশাসককে বলেন, আধুনিক হাসপাতাল করার জন্য জেলা প্রশাসনের কাছে অনেক ভালো ভালো জায়গা আছে। শুধু হাসপাতাল নয় যেকোনো ভালো কাজের জন্য জেলা প্রশাসন জায়গা দিতে পারে। সিআরবির মতো প্রকৃতির হেরিটেজ এলাকায় হাসপাতাল হলে হাসপাতালকে ঘিরে অনেক স্থাপনা গড়ে উঠবে। তখন সিআরবি তার প্রাকৃতিক পরিবেশ হারাবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় চট্টগ্রামে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

এ সময় জেলা প্রশাসক বলেন, আমি আপনাদের যে দাবি, তা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে যথাযথ ভাবে তুলে ধরব। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী প্রকৃতিকে ভালোবাসেন। প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস করে তিনি কিছু করবেন না।

এ সময় দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান ও চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এএইচএম জিয়াউদ্দিন বলেন, সিআরবির মতো প্রাকৃতিক, সাংস্কৃতিক এবং মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত এলাকায় একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল হলে পুরো এলাকা ধ্বংস হয়ে যাবে। জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হবে। চট্টগ্রামবাসীর জন্য উন্মুক্ত কোনো পরিবেশ থাকবে না।

তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে বিষয়টি যথাযথ ভাবে তুলে ধরার দাবি জানান।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, নাগরিক সমাজ চট্টগ্রামের যুগ্ম সদস্যসচিব নাট্যজন সাইফুল আলম বাবু, আবৃত্তিশিল্পী রাশেদ হাসান, রাজনীতিক ও পরিবেশবাদী সংগঠক শরীফ চৌহান, কার্যকরী সদস্য চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ, অ্যাডভোকেট টিআর খান, অ্যাডভোকেট মো. রায়হান, অ্যাডভোকেট কাশেম কামাল, সংস্কৃতি সংগঠক অহিল সিরাজ, তোফাজ্জল হোসেন জিকু, আবৃত্তিশিল্পী প্রণব চৌধুরী প্রমুখ।

চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ এর পক্ষ থেকে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচী। Daily Local Voice

“মুজিববর্ষের আহবান, ৩ টি করে গাছ লাগান”
এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদ ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের নির্দেশনায় চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগ নেতা সৌরভ দাশ দীপ্ত ও সাগর দাশ এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালন করা হয়।

আজ বৃহস্পতিবার, ২২ জুলাই বাঁশখালী উপজেলার ২নং সাধনপুর ইউনিয়ন এর বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী উপজেলার ২নং সাধনপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা জয়, রাজু, ছোটন, টনি, অমিত, অপু, রবিন, প্রীতম, সঞ্জয়, দীপ্ত প্রমুখ।

দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ওয়াহিদুল আলম শিমুল।

দেশবাসীকে পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম ব্রাদার্স ইউনিয়নের পরিচালক এবং চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ নেতা ওয়াহিদুল আলম শিমুল।

এক বাণীতে তিনি বলেন, লোভ-লালসা, হিংসা-বিদ্বেষসহ মনের পশুকে পরাজিত করার বাণী নিয়ে আবারও এসেছে ঈদুল আযহার ঈদ। কুরবানি আমাদের মাঝে আত্মদান ও আত্মত্যাগের মানসিকতায় আমাদের হৃদয়কে প্রসারিত করে। কুরবানির মর্ম অনুধাবন করে সমাজে শান্তি ও কল্যাণের পথ রচনা করতে আমাদের সংযম ও ত্যাগের মানসিকতায় উজ্জীবিত হতে হবে। ত্যাগের শিক্ষা আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হলেই প্রতিষ্ঠিত হবে শান্তি ও সৌহার্দ্য। 

সবাইকে ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা,ঈদ মোবারক।

চট্রগ্রাম মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ এর উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি। Daily Local Voice

চট্রগ্রাম মহানগর আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সংগঠক প্রকৌশলী সৈকত দাশের উদ্যোগে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয় নগরীর জামালখান মোড় এলাকায়।এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নগর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক,সাবেক মেয়র আলহাজ্ব আ,জ,ম নাছির উদ্দীন।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত অত্র ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন,স্বেচ্ছাসেবকলীগের সংগঠক সুজিত দাশ।
অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন নগর আওয়ামীলীগের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য সফর আলী,নগর আওয়ামীলীগ নেতা মোঃ ঈসা,পটিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান তিমির বরন চৌধুরী,যুবলীগ নেতা ওয়াহিদুল আলম শিমুল,সৈকত খান,জাবেদুল আলম সুমন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সংগঠক মিথুন মল্লিক,রুবেল আহমেদ বাবু,ফরহান আহমেদ,হেলাল উদ্দীন,ইকবাল বাহার চৌধুরী,অরুন রশ্মি দত্ত,রাহুল দত্ত,মহানগর ছাত্রলীগ নেতা তারন দাশ,রাশেদ চৌধুরী,শৈবাল দাশ,পৌলম দেব বুবুন,অনিক দে অন্তু,সাগরময় আচার্য,রুবেল দত্ত,সাফায়েত সাফী সহ আরো অনেকে।

পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন অ্যাডভোকেট এ এইচ এম জিয়াউদ্দীন।Daily Local Voice

পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে দেশ- বিদেশে অবস্থানরত সকলকে এবং বাংলাদেশের সকল আইনজীবী সমাজকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ চট্টগ্রাম মহানগরের সদ্য বিদায়ী আহ্বায়ক এবং চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ এইচ এম জিয়াউদ্দীন।
এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, “করোনার এই দুর্যোগময় ক্রান্তিকালীন সময়ে কোরবানির মহান আদর্শ নিয়ে পবিত্র ঈদ-উল-আযহা আমাদের দ্বারে সমাগত হয়েছে। মুসলমানদের জন্য ঈদ-উল-ফিতর ও ঈদ-উল-আযহা এই দুটি ঈদ পবিত্র এবং আনন্দের দিন। এই দুই ঈদে মানুষ সকল ভেদা-ভেদ,হিংসা,বিদ্বেষ ভুলে গিয়ে পরস্পর -পরস্পরের নিকট স্নেহের ভাতৃত্বপূর্ণ বন্ধনে আবদ্ধ হয় এবং ঈদগাহে গিয়ে সবাই একসাথে নামাজ আদায় করে।
তিনি আরো বলেন,পবিত্র ঈদ-উল-আযহার মহান আদর্শ ও শিক্ষাকে আমাদের চিন্তা, কর্মে প্রতিফলন করতে হবে। আত্নত্যাগের মহৎ শিক্ষা নিয়ে প্রতিবছর ঈদ-উল-আযহা আমাদের মাঝে ফিরে আসে। স্বার্থপরতা পরিহার করে মানবতার কল্যাণে নিজেকে উৎসর্গ করা কোরবানির শিক্ষা। হিংসা-বিদ্বেষ, লোভ-লালসা পরিহার করে সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় আত্ম নিবেদিত হওয়া আমাদের কর্তব্য। করোনা মহামারী কেটে যাক, ঈদ-উল-আযহা সবার জীবনে আনন্দের বার্তা নিয়ে আসুক, সমাজে সৃষ্টি হোক অসাম্প্রদায়িক চেতনায় সুন্দর সম্প্রীতির মেলবন্ধন। মহান আল্লাহ্পাকের দরবারে এই আমার বিনীত প্রার্থনা।

সুলতান-উল-কবির চৌধুরী’র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকীতে দক্ষিণজেলা ছাত্রলীগের বিভিন্ন কর্মসূচি।

Daily Local Voice

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক সাংসদ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম জননেতা আলহাজ্ব এডভোকেট সুলতানুল কবির চৌধুরী’র ৭ম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে ৩০ জুন, বুধবার, নগরীর জিইসি মোরস্থ গরীবুল্লাহ শাহ মাজারে তাঁর কবরস্থানে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

এইসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ফয়সাল জামি চৌধুরী সাকি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রহমান চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাত হোসেন মানিক, তথ্য ও গবেষণা উপ সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন, ত্রাণ ও দুর্যোগ উপ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান, বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগনেতা মিনহাজ,সুদীপ্ত,সৌরভ,তুহিন, ওসমান,ইব্রাহীম,তানভীর,রাকিব, আদনান, জাহেদ,তানভীর,রুকন প্রমুখ।

কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণের পর মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত দোয়া মাহফিলে সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক সাংসদ সুলতানের ৭ম মৃত্যুবার্ষিকীতে নেতাকর্মীদের পুষ্পমাল্য অর্পণ।

Daily Local Voice

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক সাংসদ, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুম জননেতা আলহাজ্ব অ্যাডভোকেট সুলতানুল কবির চৌধুরী’র ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

৩০ জুন, বুধবার, নগরীর জিইসি মোরস্থ গরীবুল্লাহ শাহ মাজারে তাঁর কবরস্থানে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ,স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ,মুক্তিযোদ্ধা সন্তান কমান্ড সহ আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন।

সুলতানুল কবির চৌধুরী’র জৈষ্ঠপুত্র, বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মুহাম্মাদ গালিব সাদলী কবরে পুষ্পমাল্য অর্পণের মধ্য দিয়ে এই সময় আরো পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান,সাংগঠনিক সম্পাদক প্রদীপ, দক্ষিণ জেলা যুবলীগের সভাপতি টিপু সুলতান, সাধারণ সম্পাদক পার্থ সারথী,সাতকানিয়া পৌরসভার মেয়র ও দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোহাম্মদ জোবায়ের, দক্ষিণজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক মামুন,সাংগঠনিক সম্পাদক মানিক, বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল গফুর,দপ্তর সম্পাদক শ্যামল, বাঁশখালী উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মকসুদ, বাঁশখালী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক শাহাদাত,যুগ্ম-আহ্বায়ক মন্জুর এবং বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগসহ বাঁশখালীর বিভিন্ন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ,যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।