বিশ্বের অন্যান্য দেশ যখন মৃত্যুর মিছিল নিয়ে ব্যস্ত তখন আমাদের দেশে এক শ্রেণীর অসাধু অদৃশ্য কালো ছায়ায় আমাদের জিম্মির প্রস্তুতিতে ন্যস্ত।সরকার প্রধানের কড়া হুশিয়ারী থাকা সত্ত্বেও আইসোলেশনের আওতায় না গিয়ে সেই কালো ছায়ার সার্বিক সহযোগীতায় করোনার পাদুর্ভাব নিয়ে সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে দেশের বাইরে থেকে আসা আপনার,আমার স্বজনরা। যার ফলশ্রুতিতে,আমরা ছুটেছি নিশ্চিত অসুস্থতার দিকে আর সেই সুযোগ সন্ধানীরা অসুস্থ পরিস্থিতিকে পুঁজি করে কালো ছায়ার অন্তরালে ছুটেছে রমরমা ব্যবসায়। যার কড়াল ছোবল থেকে রেহাই পায়নি চিকিৎসাসামগ্রী থেকে খাদ্যসামগ্রী।
আজ সারাদেশ যখন আপনজন হারানোর শোকে কাতর তখনও থেকে নেই এই কালো ছায়ার চিকিৎসা ব্যবস্থাকে জিম্মি করার পৈশাচিক পায়তারা। এ যেন অদৃশ্য মহামারীর আর্শিবাদেই আজ কালো ছায়ায় জিম্মি বিমানবন্দর থেকে চিকিৎসাবন্দর।
সাহস পায় আমাদের একজন শেখ হাসিনা আছে, এত এত ষড়যন্ত্রের মধ্যেও যার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে এখনো শ্বাস নিচ্ছে প্রিয় বাংলাদেশ,তবে এই অসাধুদের রুখে দিতে এগিয়ে আসতে হবে আপনার,আমার সবার। যার যার অবস্থান থেকে রুখে দাঁড়াতে হবে সকল অসচ্ছতার বিরুদ্ধে।সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা আবার ফিরে পাবো সুস্থ,সুন্দর বাংলাদেশ।
দেখতে দেখতে আজ প্রায় চার মাস আমরা সবাই করোনাভাইরাস মহামারীর ভিতরে,কিন্তু এই মাঝে কেউ কি ভেবেছেন? জিম ওর্নাস,বডিবিল্ডার আর জিম স্টাফদের কথা? তারা কিভাবে চলতেছে? আর তাদের ভবিষৎ কি?
অনেক জিম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে কারন ফ্লোর ভাড়া আর অন্য সবকিছু চালাতে পারছে না, বডিবিল্ডার ভাইরা পড়ছে আরো বিপদে তাদের তো আয়ের আর কোন পথ নেই, হয়ত আপনারা অনেকেই জানেন না আমাদের দেশে আর্ন্তজাতিক সন্মান বয়ে আনা রবি,সাকিব,আনোয়ার,সুমন,রনজিৎ,তাসদিদ,হাসানদের মত সুপারস্টার বডিবিল্ডার আছে। ক্রিকেট আর ফুটবলের পর আমাদের এই জিম ইন্ডাস্ট্রিস এর অবস্থান। তাই এই ইভেন্টকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সরকারী প্রনোদনাটা খুবই দরকার। যদি আমরা সবাই আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারি তাহলে আমাদের বডিবিল্ডার ভাইয়েরা আবার জীবনবাজি রেখে দেশের জন্য আর্ন্তজাতিক সন্মান বয়ে নিয়ে আসবেন। বডিবিল্ডিং ফেডারেশন,জিম ওর্নাস,বডিবিল্ডার,ট্রেইনার এবং স্টাফদের এইসময় একে অপরের পাশে থাকা দরকার,
আশা করছি আমরা সবাই এই মহামারী সামলে উঠে আবার ও বডিবিল্ডিং প্রতিযোগিতায় ফিরবো।
দেশে করোনা ভাইরাসের প্রকোপে যখন সারা বিশ্বের মানুষ অভিশপ্ত জীবনযাপন করছেন এবং এই ভয়াবহ পরিস্থিতি সামলাতে যখন অনেকেই হিমশিম খাচ্ছেন,এইসময় দেশের মানুষকে সচেতন করার লক্ষ্যে মহানগর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ নোমান চৌধুরী নির্দেশনায় চান্দঁগাও থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তাসিন এর উদ্যোগে চান্দঁগাও থানার অাওতাধীন বিভিন্ন মসজিদে মসজিদে সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হয় এবং করোনা প্রতিরোধে সচেতনাতামূলক মাইকিং করার অনুরোধ করা হয় ও লিফলেট দেওয়া হয় । সারাদেশে করোনা ভাইরাস দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ায় নিজেকে ও পরিবেশকে রক্ষা করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বিভিন্ন নিয়মাবলি উক্ত লিফলেটে তুলে ধরেন। এই ব্যাপারে এক বিস্তারিত ফোনালাপে মোহাম্মদ তাসিন ডেইলি লোকাল বয়েস কে বলেন যে, অামি মনে করি অাপাতত সচেতনতাই এই করোনা মহামারীর একমাত্র ঔষধ। তাই অামি সকল মসজিদে মসজিদে সচেতনতা মূলক মাইকিং করার অনুরোধ করেছি। অাশা করি এটা মানুষকে সচেতন থাকতে সহায়ক হবে।
দেশে করোনা ভাইরাসের প্রকোপে যখন সারা বিশ্বের মানুষ অভিশপ্ত জীবনযাপন করছেন এবং এই ভয়াবহ পরিস্থিতি সামলাতে যখন অনেকেই হিমশিম খাচ্ছেন,এইসময় চান্দগাঁও থানার অাশেপাশে বসবাসরত মানুষদের মাঝে মনোবল বৃদ্ধি করতে জনসচেতনতা মুলক লিফলেট বিতরন করেন চান্দগাঁঁও থানা ছাত্রলীগের যুগ্ন-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তাসিন।
সারাদেশে করোনা ভাইরাস দ্রুত গতিতে ছড়িয়ে পড়ায় নিজেকে ও পরিবেশকে রক্ষা করতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বিভিন্ন নিয়মাবলি উক্ত লিফলেটে তুলে ধরেন। এই ব্যাপারে এক বিস্তারিত ফোনালাপে মোহাম্মদ তাসিন ডেইলি লোকাল বয়েস কে বলেন যে, অামি মনে করি অাপাতত সচেতনতাই এই করোনা মহামারীর একমাত্র ঔষধ। তাই অামি সকল মসজিদে মসজিদে সচেতনতা মূলক মাইকিং করার অনুরোধ করেছি। অাশা করি এটা মানুষকে সচেতন থাকতে সহায়ক হবে।
উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড এলাকায় লকডাউন কার্যকরের চতুর্থ দিন আজ ২০ জুন শনিবার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করতে যান সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। মেয়র ওয়ার্ড এলাকার বিভিন্ন সড়ক পরিদর্শন করে ঘোরাঘুরি করা এলাকাবাসীকে করোনা প্রতিরোধে সচেতনতামুলক বিভিন্ন নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় তিনি ওয়ার্ড কার্যালয় সংলগ্ন রাস্তায় মুখ খোলা অবস্থায় এক মোটর সাইকেল আরোহীকে দেখতে পেলে স্বেচ্ছাসেবকদেরকে তার ছবি তুলে রাখার নির্দেশ দেন। আগামীতে এই মোটর সাইকেল আরোহীকে রাস্তায় দেখা গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। মেয়র এসময় উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, লকডাউন চলাকালীন সময়ে খোলা রাখা শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদেরকে কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে বলে আমাদের কাছে অভিযোগ এসেছে। কর্তৃপক্ষ তাদেরকে চাকরিচ্যুত করা, বেতন বঞ্চিত করার হুমকি দিচ্ছে। এতে করে চাপে থাকা শ্রমিকদেরকে বাধ্য হয়ে কাজে যোগদান করতে হচ্ছে। শিল্প প্রতিষ্ঠান মালিকরা আমাদেরকে বলছেন এক কথা। তারা আমাদেরকে শতভাগ স্বাস্থ্য বিধি মেনে কারখানা খোলা রাখা,লকডাউন এলাকায় বসবাসকারী শ্রমিকদেরকে সাধারণ ছুটির আওতায় রাখার কথা দিয়েছিলেন। আর বাস্তবে করছেন উল্টোটা। তারা আমাদের সাথে লুকোচুরি খেলছেন। এসব বরদাস্ত করা হবে না। মেয়র বলেন, উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড এলাকার ছয় হাজার পরিবারকে খাদ্য সহায়তা প্রদানের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। লকডাউনের প্রথম দিনই দুই হাজার পরিবারের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার সামগ্রী পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলর গত দুই দিনে প্রায় ৪৫০ পরিবারে এই সহায়তা বিতরণ করেছেন। এলাকায় করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে তিনি আরো বলেন, গত ১৮ জুন আইইডিসিআরের পক্ষ থেকে দুই জন চিকিৎসককে পাঠানো হয়েছে লকডাউন এলাকার স্বেচ্ছাসেবকদেরকে প্রশিক্ষণ প্রদানের জন্য। আগামীকাল রবিবার থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষণ শুরু হবে। এক ওয়ার্ডের ২০ জন করে তিন ওয়ার্ডের মোট ৬০ জন স্বেচ্ছাসেবককে এই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের কনটাক্ট ট্রেসিং করা, নমুনা সংগ্রহকারীদেরকে সহায়তা করা, লকডাউন শতভাগ বাস্তবায়নে জনগণকে উদ্বুদ্ধকরণসহ নানামুখী কাজ করবে এই স্বেচ্ছাসেবক দল। তবে সংগৃহীত নমুনার যাতে নিয়মিত পরীক্ষা কার্যক্রম গতিশীল হয় সে ব্যাপারে স্বাস্থ্য দপ্তরকে আরো দায়িত্বশীল হতে হবে। দিনের পরীক্ষার ফলাফল দিনে প্রকাশে সংশ্লিষ্টদেরকে আরো সক্রিয় হওয়ার জন্য তিনি নির্দেশনা দেন। এসময় কাউন্সিলর ড. নিছার উদ্দিন আহমদ মঞ্জু,সংরক্ষিত কাউন্সিলর আবিদা আজাদসহ এলাকায় দায়িত্বপালনকারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কিশোরগঞ্জ-১ (সদর-হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য সৈয়দা জাকিয়া নূর এমপি’র সহকারি একান্ত সচিব নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক কার্যকরী সদস্য ও সহ-সভাপতি, কটিয়াদী উপজেলার করগাঁও ইউনিয়ন ভাট্টা গ্রামের কৃতিসন্তান মো. মিজানুর রহমান। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স এবং ঢাকা সিটি ল’ কলেজ থেকে এলএলবি সম্পূর্ণ করেন।
শনিবার (২০ জুন ২০২০) দুপুরে এ নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করা হয়।
সৈয়দা জাকিয়া নূর এমপি’র সহকারি একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সরকারি নজরুল কলেজ শাখার সাবেক সহ-সভাপতি সুদীপ্ত কুমার সরকার।
তিনি বলেন, পরিশ্রম, সততা আর বিশ্বস্ততার পুরষ্কার দেরীতে হলেও সুমিষ্ট হয়। আপনার জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইলো ভাই। ভগবান আপনার সহায়ক হোক।
কিশোরগঞ্জ-১ (সদর- হোসেনপুর) আসনের সংসদ সদস্য, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রালয়ের সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য সৈয়দা জাকিয়া নূর এমপি’র সহকারি একান্ত সচিব নিয়োগ পেয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক কার্যকরী সদস্য ও সহ-সভাপতি, কটিয়াদী উপজেলার করগাঁও ইউনিয়ন ভাট্টা গ্রামের কৃতিসন্তান মো. মিজানুর রহমান। তিনি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স এবং ঢাকা সিটি ল’ কলেজ থেকে এলএলবি সম্পূর্ণ করেন।
শনিবার (২০ জুন ২০২০) দুপুরে এ নিয়োগ দিয়ে আদেশ জারি করা হয়।
আদেশে বলা হয়েছে, তার নির্বাচনী এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড তদারকি, রাজনৈতিক বিভিন্ন কাজে সহযোগীতা এবং জাতীয় সংসদের অফিস পরিচালনার সুবিধার্থে তাকে সহকারি একান্ত সচিব (রাজনৈতিক) হিসেবে নিয়োগ করা হয়।
সনাতনী সার্পোট টীমের উদ্যোগে গতকাল ১৯ জুন সকাল ১১টায় আজ ১৯শে জুন, শুক্রবার সনাতনী সাপোর্ট টীম(SST) এর পক্ষ থেকে এবং সকল সারথিদের সাহায্য সহযোগিতায় কোদালা চা বাগানে কর্মরত অবহেলিত হতদরিদ্র ১১০ হিন্দু পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়। টীমের ১১ তম প্রজেক্টে বিতরণকৃত ত্রান সামগ্রীর মধ্যে ছিল চাউল, আলু, পিয়াজ, সাবান, ডাল, তৈল।
টীম সেন্ট্রাল কমান্ড ও অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা বাবু শ্যামল বলেন, দেশ তথা পুরো বিশ্বের এই দুর্যোগের মধ্যে দেশের কোন মানুষ যেন কষ্টে না থাকে, সেই বিবেচনা করে টীমের সকলে মিলে নিজস্ব অর্থায়নে দরিদ্রদের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রেখেছি। প্রতিটি মানুষ যেন এভাবে একে অপরের পাশে দাঁড়ায়। তবে দেশের মানুষের কোন দুঃখ থাকবে না। এই দুর্যোগ মোকাবেলায় সাহস সঞ্চয় করতে পারবে।
টীমের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজমেন্ট টীম লিডার সত্যজিৎ চৌধুরী বলেন, মরণব্যাধী করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতিতে নিম্ন আয়ের মানুষ চরম বিপাকে পড়েছেন। বর্তমান সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তাঁর ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রেখেছেন। তারপরও কিছু কিছু মানুষের কাছে সেই ত্রাণ হয়তো যাচ্ছেনা। সরকার ছাড়াও সমাজের বিত্তবানদের সহায়তা করার জন্য আহবান জানাচ্ছি।
কোদাল চা বাগানে ত্রাণ বিতরণে উপস্থিত ছিলেন টীমের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও ম্যানেজমেন্ট টীম লিডার সত্যজিৎ চৌধুরী, ম্যানেজমেন্ট টীমের দায়িত্বশীল রিটন শীল, ম্যানেজমেন্ট টীম ও বোয়ালখালী টীমের দ্বায়িত্বশীল রুবেল কুমার শীল, বোয়ালখালী টীমের দায়িত্বশীল জুয়েল চৌধুরী, রাউজান টীম লিডার দিবস মহাজন, রাঙ্গুনিয়া টীমের সাবেক লিডার ও জেলা টীমের দায়িত্বশীল সনেট শীল, চান্দগাঁও টীমের লিডার প্রত্যয় মুন্না, চট্টগ্রাম জেলার টীমের দ্বায়িত্বশীল প্রিতম দাশ পি এম, আন্দরকিল্লা টীমের লিডার আশীষ চৌধুরী, হাটহাজারী টীমের লিডার লিও শ্রী প্রীতম তালুকদার, নিশান চৌধুরী, দেব বিজয়, জয় শীল, দিপংকর শীল প্রমুখ।
Daily Local Voice
সনাতনী সার্পোট টীম বাংলাদেশ ও চট্টগ্রাম জেলা লিডার রুবেল চৌধুরী বলেন, সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় এবং সার্বিক সহযোগিতায় (আর্থিক) আমরা আমাদের ১১ তম প্রজেক্টটি সুষ্ঠভাবে সম্পন্ন করতে পেরেছি। তাই আমি আমাদের টীমের সকলের প্রতি কৃতজ্ঞ সেই সাথে তাঁদের এই সার্বিক সহযোগিতা আমাদের আরো নতুন প্রজেক্ট নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার এবং হতদরিদ্র সনাতনীদের সাহার্য্য-সহযোগিতা করার মহান দায়িত্ব পালন করতে পারবো-সেই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি। সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
সবাইকে ডিফেন্ডারস অফ বাংলাদেশ এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা। আশা করি সকলেই সুস্থ ও নিরাপদে আছেন। মানবসেবার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে ডিফেন্ডারস্ অফ বাংলাদেশ। তারই ধারাবাহিকতায় এই লকডাউনে আপনাদের একঘেয়েমিতা দূর করার জন্য আমরা আয়োজন করছি বাংলাদেশের ৬৪ টি জেলার সমন্বয়ে একটি আর্ট প্রতিযোগিতা। যার নাম দেওয়া হয়েছে “Art moves”.আশা করি এই প্রতিযোগিতা যেমন আপনাদের শিল্পের বিকাশে সাহায্য করবে তেমনি আপনাদের কোয়ারেন্টাইন আনন্দময় করে তুলবে।
আপনারা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
আপনারা আমাদের ফেসবুক গ্রুপে আপনাদের আর্টগুলো জমা দিবেন। জমা দেওয়ার নিয়মাবলি আমাদের পেইজে গিয়ে দেখে নিবেন।কোনো সমস্যা হলে পেইজ এর ইনবক্সে অথবা সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এর সাথে যোগাযোগ করবেন।
অংশগ্রহণের নিয়মাবলি ও শর্তঃ ১.আর্ট জমা দেওয়ার সময় নিজের নাম, প্রতিষ্ঠান, জেলাসহ গ্রুপে জমা দিবেন। ২.যেকোনো ধরনের আর্ট গ্রহণযোগ্য। ৩.২৬ জুন হতে ১৫ ই জুলাই পর্যন্ত আর্ট জমা দিতে পারবেন। ১৮ ই জুলাই ফলাফল ঘোষণা এবং সেরা ১৫ জনকে পুরষ্কার দেওয়া হবে। ৪. অংশগ্রহণকারীর জমা দেওয়া চিত্রের ৬০ শতাংশ নম্বর দিবে বিচারক আর ৪০ শতাংশ নম্বর পোস্টের লাইক, কমেন্টর উপর। ৫. বিজয়ী ১৫ জনের জন্য থাকছে আকর্ষণীয় অনেক পুরষ্কার।তাই দেরি না করে শীঘ্রই আপনার প্রতিভা ছড়িয়ে দিন দেশজুড়ে।
পুরষ্কার হিসেবে থাকছে আকর্ষণীয় উপহার এবং সাথে ১৫০০০ টাকা পর্যন্ত প্রাইজ মানি।
করোনা দুর্যোগকালে ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করে রাউজান উপজেলার উনসত্তর পাড়া গ্রামের জগৎপুর অনাথালয়ের অসহায় অনাথ শিশুদের পাশে দাঁড়িয়েছে হেল্পিং হ্যান্ডস অব চিটাগং এর সদস্যরা।
কুমার রাজেন দাশ গুপ্ত এবং ঝুম্পা দাশ গুপ্তার পরামর্শক্রমে, শুভাশিষ দাশগুপ্ত এবং বিরাজ সেনগুপ্তের সার্বিক সহোযোগিতায় জগৎপুর অনাথ আশ্রমে অনাথ শিশুদের মাঝে মহামারী ও বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে তাদের জন্য ভালবাসার উপহার সামগ্রী নিয়ে পৌঁছে যায় উক্ত প্রতিষ্ঠানের নেতৃবৃন্দ।
উল্লেক্ষ্য জগৎপুর অনাথ আশ্রম এই করোনা দুর্যোগকালে খুব কষ্টে তাদের অনাথালয় পরিচালনা করে আসছিলো। এমন কঠিন সময় এক ঝাঁক তরুনের এই মহৎ উদ্যোগ অনাথ শিশুদের মুখে এক ফালি চাঁদের হাসি ফোঁটালো। তাই হেল্পিং হ্যান্ডস অব চিটাগং এর সকল সদস্যদের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন অনাথালয় পরিচালনা কমিটি।