
নিজস্ব প্রতিবেদক:সুদীপ্ত অাকাশ রাজন
করোনা ঝড়ে ক্ষত-বিক্ষত সারা বিশ্ব।বাংলাদেশ ও এর ব্যাতিক্রম নয়।বন্দর নগরী চট্টগ্রাম এখন বাংলাদেশের দ্বিতীয় হটস্পট। দিন দিন বেড়েই চলেছে অাক্রান্তের সংখ্যা। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লক ডাউন থাকায় অফিস আদালত সহ সমস্ত দোকান পাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে বিভিন্ন পেশার মানুষ। বিশেষ করে ভিক্ষাবৃত্তি করে যারা অর্থ উপার্জন করে তাদের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন।
এসব গরীব,অসহায়,হত-দরিদ্র মানুষের কথা চিন্তা করে এগিয়ে এসেছে মানবতাবাদী সংগঠন পথের ঠিকানা। ক্ষুধার্তদের মুখে হাসি ফোটানোর লক্ষ্য ছুটে চলেছে তারা নগরীর এক প্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে।দাড়াচ্ছে পাশে,দিচ্ছে নানান সহায়তা।
১ম ধাপে,সংগঠনের ব্যাক্তিগত ফান্ড থেকে ১২০ টি পরিবারে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করলেও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মানুষের কাছে তারা আহ্বান জানায়,করোনার কারণে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর। তাদের এই প্রচারণার মাধ্যমেই দেশ-বিদেশের বেশ কিছু মানুষ সহযোগিতা নিয়ে এগিয়ে আসে তাদের পাশে।
তারই ধারাবাহিকতায়,২য় ধাপে অদুল অনিতা ট্রাষ্ট্রের অর্থায়নে ৪৩০ পরিবার এবং ৩য় ধাপে বাংলাকিমরু,ইউ.কে অর্থায়নে ১০০ পরিবার, সর্বমোট ৬৫০ পরিবারে পৌঁছে দেওয়া হয় তাদের ভালোবাসার উপহার।
পথের ঠিকানা’র অভিভাবক ডাঃ যীশুময় দেব বলেন,লকডাউনের এই সময়ে অনেক মানুষ তাদের কর্ম হারিয়ে বেকার হয়ে পড়েছে। অর্থাভাবে সংসার আর চলছে না অনেক মানুষের। বিশেষ করে দিন-মজুরদের অবস্থা খুবই খারাপ। দু’মুঠো ভাত জোগাড় করাই এখন খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। এই নিরন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।
সংগঠনের উদ্যোক্তা অজয় দত্ত বলেন,আমাদের মতো একটা গরীব রাষ্ট্রে সবার জন্য খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই সমাজের বিত্তবানদের উচিৎ গরীব অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো।৬৫০ পরিবারের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করার পর অামরা থেমে যেতে চায় না।আমাদের কার্যক্রম এখনো শেষ হয়নি,পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আমরা আমাদের সেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাব। এ জন্য আমরা সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করি।























