সাধারণ ছুটি আর বাড়াচ্ছে না সরকার।

ঢাকা বার্তা: ৩০ মে’র পর সাধারণ ছুটি আর বাড়াচ্ছে না সরকার। গণপরিবহন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে ১৫ জুন পর্যন্ত।বুধবার (২৭ মে) বিকেলে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী এ সব তথ্য জানান।

প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছুটি না বাড়ানো সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে অনুমোদন দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী অারো জানান, করোনাভাইরাসের কারণে সব ধরনের সভা-সমাবেশ, ধর্মীয় জমায়েত আগের মতো বন্ধ থাকবে। হাট-বাজার-দোকানপাটে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেনাকাটা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত।

করোনায় অাক্রান্ত চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও চ্যানেল অাই ব্যুরো প্রধান চৌধুরী ফরিদ।

News Desk : Daily local voice

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও চ্যানেল আই চট্টগ্রামের ব্যুরো প্রধান চৌধুরী ফরিদ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এদিকে চট্টগ্রামের স্থানীয় দৈনিক পূর্বকোণেও কয়েকজন সাংবাদিক করোনার কবলে পড়েছেন।

মঙ্গলবার (২৬ মে) বিআইটিআইডি ল্যাবে ৩৩১টি নমুনা পরীক্ষায় চট্টগ্রাম জেলায় ৫১ জন করোনা পজিটিভ রোগী পাওয়া গেছে। এর মধ্যে মহানগরে ৪৫ জন ও বিভিন্ন উপজেলার ৬ জন রয়েছেন।

পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত সাংবাদিকরা ওই ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা দিয়েছিলেন গত রোববার (২৪ মে)।

মঙ্গলবার করোনা পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হলেন দৈনিক পূর্বকোণের বার্তা বিভাগের ৬০ বছর বয়সী দুজন সাংবাদিক, দৈনিক কর্ণফুলীতে কর্মরত ৪৫ বছর বয়সী এক সাংবাদিক, সময় টেলিভিশন চট্টগ্রাম অফিসের ৩১ বছর বয়সী এক সাংবাদিক এবং দৈনিক দেশ রূপান্তর চট্টগ্রাম ব্যুরোর ২৭ বছর বয়সী এক আলোকচিত্রী।

এছাড়া চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষায় ৪৭ বছর বয়সী একজন পজিটিভ হিসেবে শনাক্ত হলেও তিনি কোন্ পত্রিকার সাংবাদিক তা জানা যায়নি।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী ফরিদ বলেন, ‘সামান্য জ্বরের উপসর্গ থাকলেও শারীরিক অন্য কোনো সমস্যা নেই আমার। করোনা জয় করেই ফিরবো ইনশাল্লাহ। সবার দোয়া চাই।’

বুধবার (২৭ মে) ভোর চারটায় ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘পরম দয়ালু, অফুরন্ত রহমতের ভান্ডার মহান আল্লাহর উপর আস্তা, বিশ্বাস এবং ভরসা রেখে করোনাকে জয় করার সংগ্রাম শুরু করলাম ইনশাল্লাহ। আমার সকল শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি বিনীত অনুরোধ, আমি এবং আমার স্ত্রী ও ৩ অবুঝ শিশু সন্তানের জন্য আপনারা হৃদয় থেকে দোয়া ও আশীর্বাদ করবেন। একই সাথে আমার অনেক সাংবাদিক বন্ধু আজ এ রোগে আক্রান্ত, তাদের জন্যও আপনারা দোয়া-আশীর্বাদ করবেন। করোনা ভাইরাস চট্টগ্রামে আক্রান্ত হবার আগ থেকে আমি ক্লাবে এবং পেশাগত দায়িত্ব পালনে খুবই সতর্ক ছিলাম। মাক্স, পিপিই, হ্যান্ড গ্ল্যাভস সবসময় ছিল। এসব নিয়ে আমার অনেক সহযোদ্ধা সাংবাদিক বন্ধুরা কত টিপ্পনীও দিয়েছে। তারপর মহান আল্লাহর ইচ্ছা এবং হুকুম এর বাইরে নয়।’

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম সাংবাদিক ইউনিয়ন (সিইউজে)র যৌথ উদ্যোগে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে ১৯ মে থেকে সাংবাদিকদের করোনা টেস্টের নমুনা সংগ্রহ শুরু হয়। ওইদিন এর উদ্বোধন করেন চট্টগ্রাম বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবির।

করোনা ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে কি করছে ?

লেখক:ডাঃ বিদ্যুৎ বড়ুয়া
চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ।
পরিচালক,চট্টগ্রাম ফিল্ড হাসপাতাল।

Health Desk : Daily local voice

News Desk : Daily local voice

নিজস্ব প্রতিবেদক : সুদীপ্ত অকাশ রাজন

২০১৯ এর ডিসেম্বর ৩১ – এই মহাবিশ্বের একটি কালো দিন। এই দিনই চীনের উহান অঞ্চলে করোনা ভাইরাস এর প্রথম রোগী সনাক্ত হয়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত করোনা ভাইরাসের মহামারী সামাল দিতে হিমশিম এই বিশ্ব। এমন কোন মানুষ নেই, যারা কিনা আতংকিত।
এই ভাইরাসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে যেটা সত্য তা হচ্ছে অনেকের ক্ষেত্রে খুব ভয়াবহ নয় কিন্তু আরো সত্য হচ্ছে কিছু মানুষ এই ভাইরাসে মারা যায়।
আসলে এই প্রশ্ন আমার মতো অনেকেরই , ভাইরাসটি কিভাবে আক্রমণ শুরু করে,কেন করে কিংবা কিছু মানুষ কিভাবে মারা যায় ?

ইনকিউবেশন টাইম শব্দটি জটিল হলেও বাংলায় যদি বলি প্রাথমিক লালনকাল বা প্রতিষ্ঠিত কাল তাহলে বুঝতে সুবিধা হবে। এই সময়ে ভাইরাসটি নিজেকে ধীরে ধীরে যার দেহে সংক্রমিত হয় তার দেহে প্রতিষ্ঠিত হয় ।

আমাদের শরীর বিলিয়ন বিলিয়ন কোষের সমন্বয়ে তৈরী। ভাইরাসটি কোষগুলোর ভিতরে প্রবেশ করে সেগুলোর নিয়ন্ত্রণ আনার চেষ্টা করে।করোনাভাইরাস, যার একাডেমিক নাম সার্স-সিওভি-২, আমাদের নিশ্বাসের সাথে আমাদের দেহে প্রবেশ করে সংক্রমিত হতে পারে (আশেপাশে কেউ হাঁচি বা কাশি দিলে) বা ভাইরাস সংক্রমিত কোনো জায়গায় হাত দেয়ার পর আমাদের মুখে হাত দিলে।

ভাইরাসটি শুরুতে আমাদের গলা, শ্বাসনালীগুলো এবং ফুসফুসের কোষে আঘাত করে এবং সেসব জায়গায় করোনার বিশাল গোষ্ঠী ও উৎপাদন কারখানা তৈরি করে। পরে ধীরে ধীরে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় নতুন ভাইরাস ছড়িয়ে দেয় এবং আরো কোষকে আক্রান্ত করে।
কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এই সময়ে আমরা অসুস্থ হবো না এবং কিছু মানুষের মধ্যে হয়তো উপসর্গও দেখা যাবে না।

ভাইরাসের এই ঘুমন্ত সময় বা ইনকিউবেশন সময় – প্রথম সংক্রমণ এবং উপসর্গ দেখা দেয়ার মধ্যবর্তী সময় – স্থায়িত্ব ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হয় , কিন্তু গড়ে তা সর্বোচ্চ পাঁচদিন। অনেকের জন্য এই অসুখটা গো-বেচারা টাইপের। কেননা গড়ে ৮০% মানুষের ক্ষেত্রে প্রধান উপসর্গ কাশি ও জ্বর। পাশাপাশি ব্যাথা যা শরীর,মাথা ও গলায় হতে পারে। আবার নাও হতে পারে।প্রত্যেক মানুষের শরীরে রোগ প্রতিরোধ করার একটা ক্ষমতা থাকে। যখন ভাইরাস শরীরে সংক্রমিত হয় তখন রোগ প্রতিরোধক কোষগুলো প্রতিক্রিয়ার অংশ হিসাবে শরীরে জ্বর এর লক্ষণ প্রকাশ করে । রোগ প্রতিরোধক ব্যবস্থা ভাইরাসটিকে শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে এবং বাকি শরীরে সাইটোকাইনস নামক কেমিক্যাল পাঠিয়ে শরীরে কিছু একটা সমস্যা তা বুঝিয়ে দেয়। এই পরিপ্রেক্ষিতে শরীরে ব্যথা ও জ্বরের উপসর্গ দেখা দেয়। শুকনা কাশি প্রথমেই দেখা যায় করোনার কারণে। কোষগুলো ভাইরাসের মাধ্যমে সংক্রমিত হওয়ায় অস্বস্তিতে পড়ার কারণে সম্ভবত শুকনো কাশি হয়ে থাকে।তবে অনেকের কাশির সাথেই একটা পর্যায়ে থুতু বা কফ বের হওয়া শুরু হয় যার মধ্যে ভাইরাসের প্রভাবে মৃত ফুসফুসের কোষগুলোও থাকে ।এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে সম্পূর্ন বিশ্রাম, অধিক তরল পান করা এবং প্যারাসিটামল খাওয়া জরুরী । কিন্তু এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে হাসপাতাল বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেয়ার প্রয়োজন হয় না।সাধারণত এই পর্যায়টি সাত দিনের মত স্থায়ী হয়। অধিকাংশ মানুষই এই পর্যায়ের মধ্যেই ভালো হয়ে যায় কারণ ততদিনে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা ভাইরাসের সাথে লড়াই করে সেটিকে প্রতিহত করে ফেলে।
তবে গুটি কয়েক মানুষের মধ্যে করোনা ভাইরাসের আরো ক্ষতিকর কিছু উপসর্গ তৈরি হয়। ইদানিং গবেষণায় দেখা যাচ্ছে করোনা উপসর্গের মধ্যে চোখের কনজাংভাইটিস,খাবারে অরুচি ও স্বাদহীনতা এবং সর্দিও লাগতে পারে।
বয়স্ক বিশেষ করে যাদের ডায়বেটিস,হৃদরোগ সহ অন্যরোগে আক্রান্ত আছেন তাদের এই সব লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ভয় নয় আতংক নয়। পাশাপাশি নিজের দায়িত্ব থেকেও সরে আসবেন না। ঘরে থাকা বা হাইজিন মেনে চলার মতোই এখন প্রত্যেকের দায়িত্ব পাশের মানুষটিকেও সতর্ক করা। কাউকে নিজের দায়িত্বে গাফিলতি করতে দেখলে রুখে দাঁড়ান। যাঁরা জরুরি পরিসেবার সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা রাস্তায় বেরলে কোথাও কোনও জমায়েত দেখলে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিবাদ করুন। ‘আমার কী’ বলে এড়িয়ে যাবেন না। মনে রাখবেন, এক্ষেত্রে ‘আপনার-আমার’ বলে কোনও কথা নেই। এখনও পর্যন্ত কমিউনিটি ট্রান্সমিশন খুব সীমিত আকারে হয়েছে। সজাগ সচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনেই করোনা প্রতিরোধ করতে হবে প্রাথমিকভাবে।


টিপস: দুই ঘন্টা পর পর হাত ধোবেন ২০ সেকেন্ড করে।


লেখক
ডা, বিদ্যুৎ বড়ুয়া
চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ।

ট্রাম্পের দেশ যুক্তরাষ্ট্রে ৬৫ লাখ পিপিই রপ্তানি করলো বেক্সিমকো

News Desk : Daily local voice

লোকাল ডেস্ক নিউজঃ মহামারী করোনাভাইরাস মোকাবেলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ব্যক্তিগত সুরক্ষাসামগ্রী বা পার্সোনাল প্রোটেক্টিভ ইকুইপমেন্ট (পিপিই) রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশ থেকে ৬৫ লাখ পিপিই আমদানির জন্য কাজের অর্ডার দিয়েছে ট্রাম্পের দেশ।

২৫ মে সোমবার মার্কিন ব্র্যান্ড হেইনস-এর কাছে ৬৫ লাখ পিপিই গাউনের একটি চালান পাঠিয়েছে। এই চালান পৌঁছাবে মার্কিন কেন্দ্রীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (ফেমা) কাছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

Daily local voice

এই মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম ও বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত আর্ল আর মিলার। তারা যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশে বেক্সিমকোর তৈরি করা পিপিইর ওই চালানকে বিদায় জানান।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাত্র দুই মাসের মধ্যে আমরা আমাদের বিশ্বমানের উৎপাদন, প্রযুক্তিগত ও ডিজাইন দক্ষতা ও সক্ষমতা প্রয়োগ করে পিপিই তৈরি করতে শুরু করি। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাপী অতিপ্রয়োজনীয় পিপিই-এর সরবরাহ বৃদ্ধিতে অবদান রাখে বেক্সিমকো।

তিনি বলেন, এমন এক সংকটময় সময়ে বাংলাদেশ মাত্র দুই মাসের মধ্যে এ মুহূর্তে স্বাস্থ্য খাতের জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিশ্বের এক গুরুত্বপূর্ণ বাজারে রপ্তানি করছে। তাও আবার ১০/২০ হাজার নয় ৬৫ লাখ পিস। এ এক অভাবনীয় অর্জন।

বাংলাদেশ নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত অার্ল অার মিনার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে এই প্রথম বড় ধরনের পিপিইর চালান যাচ্ছে। বিশ্ববাজারের জন্য বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যায় বৈশ্বিক মানের পিপিই উৎপাদনের পদক্ষেপকে স্বাগত জানায় যুক্তরাষ্ট্র। বেক্সিমকো ও হেইনস’র চুক্তিতে আরো স্পষ্ট হয়ে ওঠে মহান এ দেশ দুটি কভিড-১৯ মোকাবিলায় কীভাবে লড়াই করছে।

বিদ্যানন্দের পাশে রেডব্রিক্স কনস্ট্রাকশনের পরিচালক কুমার রাজেন দাশগুপ্ত

News Desk: Daily local voice

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুদীপ্ত অাকাশ রাজন

করোনা ঝড়ে লন্ড-ভন্ড পুরো বিশ্ব।বাংলাদেশও এর ব্যাতিক্রম নয়।করোনার এ মহামারীতে দেশের সর্ববৃহৎ সেবামূলক সংগঠন বিদ্যানন্দ যখন দেশের নানা প্রান্তে তাদের ভালবাসা পৌঁছে দিচ্ছিলো ঠিক তখনই চট্টগ্রামে প্রয়োজন পরে বড় কোন হলরুমের। যেখান থেকে চট্টগ্রামের সকল জায়গায় ত্রাণ পৌছে দেয়া সহজতর হবে। এমন বিষয় উল্লেখ করে, বিদ্যানন্দের অফিসিয়াল পেইজে পোস্ট করেন তারা। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে বেশ কয়েকজনের সাথে যোগাযোগও করেন কর্তৃপক্ষ কিন্তু কারো কাছ থেকে কোন সাড়া মিলে নি।
যখনই হতাশ হচ্ছিলেন তারা,ঠিক তখনই এগিয়ে অাসেন রেডব্রিক্স কনস্ট্রাকশন এর পরিচালক কুমার রাজেন দাশগুপ্ত।

Daily local voice

বিদ্যানন্দ ও বিপদগ্রস্থ মানুষের কথা বলতেই একটি বারের জন্যও চিন্তা না করে বলে দিলেন,রেডব্রিক্স কনস্ট্রাকশন’র মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রাজবাড়ি কনভেনশন হলটি বিদ্যানন্দকে ব্যবহার করতে দিবেন।আর সেই থেকেই শুরু হয় চট্টগ্রামে বিদ্যানন্দের বিশাল আকারে ত্রান বিতরণের পথচলা।

চট্টগ্রামে বিদ্যানন্দের বিশাল কর্মযগ্যের খন্ডচিত্র,
Daily Local Voice

যেখান থেকে প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষের মুখে হাসি ফোঁটাচ্ছেন বিদ্যানন্দ। অার তাদের এই ভালবাসার উপহার গ্রহন করেন বিজিবি,সেনাবাহিনী,নৌবাহিনী ও পুলিশ আর পৌঁঁছে দিচ্ছেন প্রত্যন্ত অঞ্চলে।আর এলাকা ভিত্তিক সাহায্য তো আছেই। যে কাজ টা হয়তো সাধারণের পক্ষে সম্ভব হতো না সেই কাজটাই প্রশাসনের সহায়তায় করে দেখিয়েছে বিদ্যানন্দ। আর কাজটা আরো সহজতর করে দিয়েছেন কুমার রাজেন দাশগুপ্ত।

এই বিষয়ে কুমার রাজেন দাশগুপ্ত বলেন,পংকজ দেব নামে এক ছোট ভাই ও শুভ্রত মিত্র নামে আরেক ছোট ভাই যে কিনা অামাদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘পার্ফেকশন ইভেন্ট’র পরিচালক,তার মাধ্যমে আমাকে জানানো হয় যে, বিদ্যানন্দের একটা বড় হলরুমের প্রয়োজন। পরে বিদ্যানন্দের একজন প্রতিনিধি আমাকে কল করে সব বিস্তারিত জানায় অার আমি অামাদের ব্যাবসায়িক পার্টনারদের (মুক্তিযোদ্ধা অজিত দাশগুপ্ত,প্রকৌশলী যীশু কৃষ্ণ দে,প্রকৌশলী টিটু কান্তি দে,সুকুমার কারন,রতন দেব,ব্রম্মানন্দ ধর,রুবেল শাহা,পরিক্ষিত ধর,রাজিব চৌধুরী) সাথে এই বিষয়ে কথা বলে বিনা প্রশ্নে ওদের অনুমতি দিয়ে দি।


তিনি অারো বলেন,যতদিন পর্যন্ত মহামারী থাকবে ততদিন কাজ করবে বিদ্যানন্দ।আমরা কোন ভাড়ায় হলরুম ভাড়া দি নাই।মানব কল্যাণে,মানবিক দিক থেকে,মনের শান্তির জন্য দিয়েছি।অামাদের সকলের উচিৎ যার যার অবস্থান থেকে এগিয়ে অাসার।
দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে সকল বিত্তবানদের ও এগিয়ে অাসার অাহ্বান জানান তিনি।

মৌলিক গান নিয়ে আজ পর্দায় আসছেন ড. মাহফুজুর রহমান

News Desk: Daily local voice

নিজস্ব প্রতিবেদক : সুদীপ্ত অাকাশ রাজন

হাট, ঘাট, মাঠ, সর্বত্রই ছিলো মাহফুজুর রহমানকে নিয়ে আলোচনা। ১০টি গান নিয়ে তার একক সংগীতানুষ্ঠানটি সেই ঈদের সবেচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান হিসেবে স্থান দখল করে নেয়।

সেই শুরু, এখনো গান করছেন মাহফুজুর রহমান। তার বেসুরো গায়কী নিয়ে অনেক সমালোচনা ও বিতর্ক চললেও দমে যাননি তিনি। গান করে চলেছেন নিয়মিতভাবেই।

গেলো কয়েক বছরের ধারাবাহিকতায় এবারের রোজা ঈদেও গানের অনুষ্ঠান নিয়ে হাজির হচ্ছেন ড. মাহফুজুর রহমান। মৌলিক কিছু গান দিয়ে সাজানো হয়েছে এবারের অনুষ্ঠানটি।

ইতিমধ্যে গানের রেকর্ডিং হয়ে গেছে। এবারের অনুষ্টানের শিরোনাম দেয়া হয়েছে ‘হিমেল হাওয়া ছুঁয়ে যায় আমায়’। এটি এটিএন বাংলায় প্রচার হবে ঈদের পরদিন আজ রাত ১০টা ৩০ মিনিটে।

করোনার প্রভাবে ঘরবন্দী হয়ে কাটবে এবারের ঈদ। একঘেয়েমির এই সময়ে ড. মাহফুজুর রহমানের গানের অনুষ্ঠান ভিন্ন মাত্রার আনন্দ যোগ করবে বলে প্রত্যাশা চ্যানেলটির।

কাউন্সিলর মাজহারুলের মৃত্যুতে চসিক মেয়রের শোক প্রকাশ

News Desk :Daily local voice

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুদীপ্ত অাকাশ রাজন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩০নং পূর্ব মাদারবাড়ী ওয়ার্ড কাউন্সিলর, সদরঘাট থানা আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাক ও চট্টগ্রাম চেম্বারের সাবেক পরিচালক আলহাজ্ব মাজহারুল ইসলাম চৌধুরী করোনা ভাইরাস(CoVid-19) আক্রান্ত হয়ে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন।
ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করছেন চসিক মেয়র অালহাজ্ব অা.জ.ম নাসির উদ্দীন।

তিনি বলেন, মহান আল্লাহ পাক যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন এবং আল্লাহ যেন তার পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দান করেন,অামিন।

নিজের শপিংয়ের টাকায় পথ-শিশুদের মুখে ঈদের হাসি ফোটালেন এসপি বিপ্লব

News Desk : Daily Local Voice

নিজস্ব প্রতিবেদক : রংপুর প্রতিনিধি।

নিজের শপিং এবং বেতনের টাকা থেকে পথশিশুদের ঈদ উপহার দিয়েছেন রংপুরের পুলিশ সুপার (এসপি) বিপ্লব কুমার সরকার।

রবিবার (২৪ মে) রংপুর সদরের পাগলাপীর স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠ প্রাঙ্গণে জেলা পুলিশের উদ্যোগে সুবিধা বঞ্চিত পথশিশুদের মাঝে ঈদের উপহার হিসেবে নতুন জামা, নগদ অর্থ ও খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন এসপি বিপ্লব কুমার সরকার তার নিজের কেনাকাটার বাজেট থাকলেও সেই টাকা দিয়ে পবিত্র ঈদুল ফিতরে পথশিশু, দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে এ আয়োজন করেন।

Daily local voice

এসপি বিপ্লব বলেন, এবারের ঈদটা সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম।চারিদিকে চলছে করোনার হাহাকার। করোনাভাইরাসের আঘাতে এবারে হয়তো পূর্বের ন্যায় সবাইকে নিয়ে ঈদের আনন্দ উদযাপন করা সম্ভব হবে না। তবুও আমরা যে যেখানেই থাকি না কেন ঘনিষ্ঠজন,নিকটজনসহ সবাই ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেব। কোনো অসহায় ও দুস্থ মানুষ যেন অভুক্ত না থাকে সেজন্য যারা সচ্ছল ব্যক্তি তারা যেন তাদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, যাতে নিরন্ন মানুষরাও ঈদের আনন্দের অংশীদার হতে পারে।

পথ শিশুদের উপহার সামগ্রী বিতরণকালে তিনি অারো বলেন, অনেক শিশু সুবিধা ও পরিচর্যার অভাবে কাঙ্ক্ষিত লক্ষে পৌঁছাতে ব্যর্থ হচ্ছে। দেশের সর্বত্রই সুবিধা বঞ্চিত পথশিশু রয়েছে। তাদের কেউ টোকাই কেউ বা ফুল বিক্রেতা। অনেকেই আছে যারা কিছুই করে না। অল্প কিছু টাকা যোগাড় করে কোনো রকমে তাদের পরিবার চলে। তাই সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মাঝে ক্ষণিক সময়ের জন্য আনন্দ ছড়িয়ে দিতে এ উদ্যোগ নিয়েছি।

করোনা রোগীদের চিকিৎসায় ব্যাবহৃত হবে নগরীর ‘ইম্পেরিয়াল’ ও ‘ইউএসটিসি’ হাসপাতাল

করোনার থাবায় লন্ড-ভন্ড পুরো বিশ্ব।বাংলাদেশও এর ব্যাতিক্রম নয়।বন্দর নগরী চট্টগ্রাম এখন করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় হটস্পট।হাসপাতাল দুটি হল, ফয়েজ লেকের বেসরকারী অত্যাধুনিক ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল লিমিটেড এবং বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল হাসপাতাল বা ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, চট্টগ্রাম (ইউএসটিসি)। এই দুুুটি হাসপাতাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের তত্বাবধানে পরিচালিত হবে বলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের বলা হয়েছে৷

মঙ্গলবার স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, করোনা ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা নিশ্চিত করতে জননিরাপত্তা বিভাগ এবং চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এক অনুরোধের সম্মতিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।খুব শিগগিরই আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন শেষে করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়া হবে বলে বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে।

করোনায় আক্রান্ত নোবেলের বাবা

News Desk: Daily local voice

ফরিদপুর প্রতিনিধি,Daily local voice

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ‘সারেগামাপা’ খ্যাত কণ্ঠশিল্পী মাঈনুল আহসান নোবেলের বাবা মোজাফফর হোসেন নান্নু। বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন নোবেলের বাবা নিজেই।
মঙ্গলবার (২৬ মে) নোবেলের বিয়ের খবর প্রকাশ হয়। বিষয়টি জানতে নোবেলের বাবার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান তার অসুস্থতার খবর।
মোজাফফর হোসেন নান্নু জানান, গেল সপ্তাহে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজে নমুনা পরীক্ষা করা হলে তার করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ আসে। বর্তমানে তিনি বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন।

সবার কাছে দোয়া চেয়ে তিনি জানান, ‌‌করোনাভাইরাস ‘পজিটিভ’ আসার পর থেকে নিজেকে আলাদা করে রেখেছি। আগের চেয়ে এখন ভালো আছি।