করোনা রোগীর প্রান বাঁচাতে প্লাজমা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন ওসি মহসিন।

News Desk: Daily local voice

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুদীপ্ত অাকাশ রাজন

এবার করোনা রোগীর প্রান বাঁচাতে প্লাজমা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন ওসি মোঃ মহসিন।

চট্টগ্রাম নগরীর অন্যতম আলোচিত কোতোয়ালী থানার ওসি মোঃ মহসিন ইতিমধ্যে নানা মানবিক কাজের মধ্য দিয়ে নগরবাসীর অন্তরে জায়গা করে নিয়েছে। বর্তমান সময়ের জন্য আরও একটি মানবিক উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন তিনি। তিনি প্লাজমা নিয়ে কাজ শুরু করছেন। যা একজন করোনা রোগির জীবন বাঁচাতে সাহায্য করবে। তাকে সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছে একটি অনলাইন ব্লাড গ্রুপ।

করোনাভাইরাস জয় করে ফিরেছেন এমন ব্যক্তির সন্ধান করছেন তিনি। করোনা জয় করা ব্যক্তির রক্ত বাঁচিয়ে দিতে পারে একটি তাজা প্রাণ। প্লিজ এগিয়ে আসুন। ওসি মহসিনের এই মানবিক কাজে অংশগ্রহণ করার জন্য সবাইকে অাহব্বান জানান তিনি। আপনার/আমার সহযোগিতায় বেঁচে যেতে পারে একজন করোনা রোগী।

ওসি মোঃ মহসিন জানান, যখন জানলাম প্লাজমা দিয়ে একজন করোনা রোগি বাঁচতে পারে তখন থেকে কাজ শুরু করে দিলাম। তবে আমাকে সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছে একটি অনলাইন ব্লাড গ্রুপ। আশাবাদী সকলের সহযোগীতা পেলে এই কাজে সফল হব।করোনা জয় করে ফিরেছেন এমন লোকের তথ্য দিয়ে সহযোগীতার অনুরোধ জানান তিনি। পাশাপাশি যারা করোনা পজিটিভ থেকে যারা নেগেটিভে হয়েছেন এবং পরবর্তীতে সুস্থ অবস্থায় ১৪ দিন সময়কাল অতিবাহিত করেছেন,তাদের তথ্য সংগ্রহ করার জন্যে আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। করোনায় আক্রান্তদের মধ্যে কারো প্লাজমা প্রয়োজন হলে আপনারা সহায়তা করতে পারেন। বিষয়টি সবাইকে জানিয়ে দেওয়ারও আহ্বান জানান ওসি মোঃ মহসিন ।

তিনি আরও জানান, সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত দুইজন ডাক্তারকে প্লাজমা দিয়ে বাঁচতে সহযোগিতা করেছেন সদ্য করোনা জয় করে ফেরা সিএমপি’র ট্রাফিক কনস্টেবল অরুন চাকমা। যা মানবিক পুলিশিং সেবার আরেক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

নিচে দেওয়া লিংকে থাকা ফরমটি পূরন করলেই যোগাযোগ করা হবে।
https://bit.ly/2Xa0aKb

সনাতন মৈত্রী সংঘ চট্টগ্রাম মহানগরের পূর্ণাজ্ঞ কমিটি গঠন

News Desk: Daily local voice

নিজস্ব প্রতিবেদক:সুদীপ্ত অাকাশ রাজন

ঘোষণা করা হচ্ছে “সনাতন মৈত্রী সংঘ- বাংলাদেশ” এর চট্টগ্রাম মহানগর কমিটি(২০২০-২০২২)।

সভাপতিঃ- প্রকৌশলী রনি সরকার
সহ সভাপতিঃ- অধ্যাপক রাজীব দত্ত

সাধারণ সম্পাদকঃ- সত্যজিৎ ঘোষ
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকঃ- রকি দাশ
সহ সাধারণ সম্পাদকঃ- সৌরভ দে

সাংগঠনিক সম্পাদকঃ- অস্মিত চক্রবর্তী অমিত
যুগ্ম সাংগঠনিক সম্পাদকঃ- প্রিতম চক্রবর্তী
সহ সাংগঠনিক সম্পাদকঃ- সুদীপ বিশ্বাস

অর্থ সম্পাদকঃ- উত্তম ধর
যুগ্ম অর্থ সম্পাদকঃ- বিশ্বজিৎ খাস্তগীর
সহ অর্থ সম্পাদকঃ- জয় সিংহ

মহিলা সম্পাদিকাঃ- প্রিয়া চক্রবর্তী
যুগ্ম মহিলা সম্পাদিকাঃ- নিবৃতা চৌধুরী
সহ মহিলা সম্পাদিকাঃ- শাবলী দেওয়ানজী

আইন সম্পাদকঃ- উজ্জ্বল পালিত
যুগ্ম আইন সম্পাদকঃ- এড তন্ময় আইচ
সহ আইন সম্পাদকঃ- এড. রাব্বি পাল

রাজনৈতিক সম্পাদকঃ- রাসেল সুশীল
যুগ্ম রাজনৈতিক সম্পাদকঃ- সুব্রত সুশীল
সহ রাজনৈতিক সম্পাদকঃ- প্রণব সুশীল

ক্যারিয়ার ও প্রশিক্ষণ সম্পাদকঃ- সৈকত সরকার আপন
যুগ্ম ক্যারিয়ার ও প্রশিক্ষণ সম্পাদকঃ- রাজীব চৌধুরী
সহ ক্যারিয়ার ও প্রশিক্ষণ সম্পাদকঃ- সুজন মজুমদার

অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্পাদকঃ- মানব দে
যুগ্ম অর্থনৈতিক সম্পাদকঃ- দীপ্ত দাশ
সহ অর্থনৈতিক সম্পাদকঃ- রাজীব দাশ

ব্যবসা ও বাণিজ্য সম্পাদকঃ- অনিক দত্ত
যুগ্ম ব্যবসা ও বাণিজ্য সম্পাদকঃ- অন্তু ধর
সহ ব্যবসা ও বাণিজ্য সম্পাদকঃ- অভি শীল বিজয়

ধর্ম রক্ষা সম্পাদকঃ- প্রকৌশলী রিপ্লব কান্তি সুশীল
যুগ্ম ধর্ম রক্ষা সম্পাদকঃ- মিশন ধর
সহ ধর্ম রক্ষা সম্পাদকঃ- বিপ্লব সেন

ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকঃ- সুমন চক্রবর্তী
যুগ্ম ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকঃ- জুয়েল চক্রবর্তী
সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকঃ- শুভ চক্রবর্তী রাতুল

পরিকল্পনা ও গবেষণা সম্পাদকঃ- অপু নাথ
যুগ্ম পরিকল্পনা ও গবেষণা সম্পাদকঃ- ডা. শুভ দাশ
সহ পরিকল্পনা ও গবেষণা সম্পাদকঃ- ডা দুর্জয় মল্লিক

সাংস্কৃতিক সম্পাদকঃ- রিপন তালুকদার
যুগ্ম সাংস্কৃতিক সম্পাদকঃ- নিউটন আবির
সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদকঃ- সৌরভ গুহ
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সম্পাদকঃ- বাবলু শীল
যুগ্ম আন্তর্জাতিক সম্পর্কঃ- বীরেশ্বর চৌধুরী
সহ আন্তর্জাতিক সম্পর্কঃ- দিবস দাশ লিংকন

ত্রাণ ও দুর্যোগ সম্পাদকঃ- তাপস দে
যুগ্ম ত্রাণ ও দুর্যোগ সম্পাদকঃ- প্রকৌশলী রিমন দাশ
সহ ত্রাণ ও দুর্যোগ সম্পাদকঃ- দেবাশিষ দেব

গ্রন্থ সম্পাদকঃ- বিশাল রায় চৌধুরী
যুগ্ম গ্রন্থ সম্পাদকঃ- পল্লব রুদ্র

সহ গ্রন্থ সম্পাদকঃ- রোহিত সিনহা

কর্মসংস্থান সম্পাদকঃ- রাজীব দাশ
যুগ্ন কর্মসংস্থান সম্পাদকঃ- সুখেন বিশ্বাস

সহ কর্মসংস্থান সম্পাদকঃ- সঞ্জিত শীল(মহসিন কলেজ)

সংগঠন সম্পাদকঃ-কপিল মুনি দাশ
যুগ্ম সংগঠন সম্পাদকঃ- কাজল দাশ
সহ সংগঠন সম্পাদকঃ- মিলন দাশ

মন্দির ও উপসনা সম্পাদকঃ- সৈকত দাশ
যুগ্ম মন্দির ও উপসনা সম্পাদকঃ- প্রকৌশলী অন্তু চৌধুরী
সহ মন্দির ও উপসনা সম্পাদকঃ- সৌমিত্র দাশ জয়

পাঠচক্র সম্পাদকঃ- সৌরভ বিশ্বাস
যুগ্ম পাঠচক্র সম্পাদকঃ- প্রত্যয় দাশ
সহ পাঠচক্র সম্পাদকঃ- অতনু বৈদ্য


সদস্যঃ- রাসেল দে
সদস্যঃ- তুষার শর্মা
সদস্যঃ- পুলক সুশীল রিমন
সদস্যঃ- অর্ণব রায়
সদস্যঃ- দেবাশিষ দাশ
সদস্যঃ-সৌরভ দাশ
সদস্যঃ- আদিত্য চক্রবর্তী
সদস্যঃ-স্বর্ণালী দেবী

করোনার পাশাপাশি এই গরমে বাড়তে পারে স্ট্রোক এর ঝুকিঃ- ডাঃ তিমির বরণ চৌধুরী।।

Muktopath Desk : Daily local voice

লেখকঃ ডাঃ তিমির বরণ চৌধুরী
স্বাস্হ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগ।
ভাইস চেয়ারম্যান, পটিয়া উপজেলা পরিষদ।।

বার্তা প্ররক : রাহুল মিত্র বাপ্পা

বর্তমান বৈশ্বিক মহামারী করোনা পরিস্হিতিতে করোনার পাশাপাশি অন্যান্য রোগের ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। এখন গরম কাল স্টোর্ক এর ঝুকিও বেড়েই চলেছে।

স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে, কিন্তু কেন?

স্ট্রোক সাধারণত বাথরুমেই বেশি হয়ে থাকে কারন,বাথরুমে ঢুকে গোসল করার সময় আমরা প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজাই যা একদম উচিৎ নয়। এটি একটি ভুল পদ্ধতি। এইভাবে প্রথমেই মাথায় পানি দিলে রক্ত দ্রুত মাথায় উঠে যায় এবং কৈশিক ও ধমনী একসাথে ছিঁড়ে যেতে পারে। ফলস্বরূপ ঘটে স্ট্রোক। অতঃপর মাটিতে পড়ে যাওয়া। স্ট্রোক বা মিনি স্ট্রোকের কারণে যে ধরনের ঝুঁকির কথা আগে ধারণা করা হতো, প্রকৃতপক্ষে এই ঝুঁকি দীর্ঘস্থায়ী এবং আরও ভয়াবহ। গোসলের সময় স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে।

গোসল করার সময় কিছু নিয়ম মেনে গোসল করা উচিৎ। সঠিক নিয়ম মেনে গোসল না করলে হতে পারে মৃত্যুও। গোসল করার সময় প্রথমেই মাথা এবং চুল ভেজানো একদম উচিৎ নয়। কারণ, মানুষের শরীরে রক্ত সঞ্চালন একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় হয়ে থাকে। শরীরের তাপমাত্রা বাইরের তাপমাত্রার সঙ্গে মানিয়ে নিতে কিছুটা সময় লাগে। মাথায় প্রথমেই পানি দিলে সঙ্গে সঙ্গে রক্ত সঞ্চালনের গতি বহু গুণ বেড়ে যায়। সেসময় বেড়ে যেতে পারে স্ট্রোকের ঝুঁকিও। তা ছাড়া মাত্রাতিরিক্ত রক্তচাপের ফলে মস্তিষ্কের ধমনী ছিঁড়ে যেতে পারে।

গোসলের সঠিক নিয়মঃ-

প্রথমে পায়ের পাতা ভেজাতে হবে। এরপর আস্তে আস্তে উপর দিকে কাঁধ পর্যন্ত ভেজাতে হবে। তারপর মুখে পানি দিতে হবে। সবার শেষে মাথায় পানি দেওয়া উচিৎ। এই পদ্ধতি যাদের উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চ কোলেস্টেরল এবং মাইগ্রেন আছে তাদের অবশ্যই পালন করা উচিৎ।


এই তথ্যগুলো বয়স্ক মা-বাবা এবং আত্মীয় পরিজনদের অবশ্যই জানিয়ে রাখুন।

জনস্বার্থে : ডাঃ তিমির বরণ চৌধুরী

Muktopath Desk : Daily Local Voice

বিদ্যানন্দের রান্নাঘরে শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপুমনির অাগমন

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন । সবাই ব্যস্ত দুপুরের খাবার রান্না আর খাবার প্যাক করা নিয়ে । কারণ সুবিধাবঞ্চিত পরিবারের সবাই আসবেন ইদের বিশেষ বুফে খাবারের নিমন্ত্রণে। রান্নার কাজও শেষ। কেউ কেউ খেতেও বসেছে। সাবাই ব্যস্ত যার যার কাজে । বলা নেই কওয়া নেই এ সময় সরাসরি হাজির খোদ শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি ।

জানা যায়,বুধবার দুপুর ২টার দিকে বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের খিলগাঁওয়ের রান্নাঘরে দেশের লাল-সবুজ পতাকাবাহী গাড়ী নিয়ে হাজির হন শিক্ষা মন্ত্রী ডা. দীপু মনি এমপি ।

হঠাৎ মন্ত্রীর আগমনে এগিয়ে আসেন বিদ্যানন্দের উপস্থিত সংগঠক, স্বেচ্ছাসেবক ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা। শিক্ষামন্ত্রী উপস্থিত সবার মাথায় হাত বুলিয়ে দোয়া করেন।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন ঢাকার ব্যবস্থাপক সালমান খান ইয়াসিন বলেন, “মন্ত্রী এসেছিলেন একা একা। নিরাপত্তায় পুলিশের গাড়ি ছিলো না। কোনো সাংবাদিকও ছিলেন না। ছিলো না অন্য কোন সরকারি কর্মকর্তাও সাথে । সামামাটা ভাবে তিনি হাজির হয়েছেন । এ সময় আমাদের স্বেচ্ছাসেবকরা ছবি তুলতে চাইলেও মন্ত্রী নিষেধ করেন । পরে স্মৃতি ধরে রাখার অনুরোধে তিনি ছবি তুলতে রাজি হন । মন্ত্রীর মানবিকতায় মুগ্ধ আমরা । তিনি অনেক দিক নির্দেশনা দিয়েছেন আমাদের ।

ইয়াসিন বলেন, ডা. দীপু মনি দীর্ঘদিন ধরে তাদের স্বেচ্ছাসেবা পর্যবেক্ষণ করছেন। বেশ কয়েকবার আসতে চেয়েছেন। তবে আজ হঠাৎ তিনি এসে মিনিট দশেক ছিলেন। ব্যক্তিগতভাবে ৫০ হাজার টাকা দিয়েছেন বিদ্যানন্দকে। আমাদের কার্যক্রমে তিনি খুবই সন্তুষ্ট।

বিদ্যানন্দের সদস্যরা বলছেন, এর আগে তাদের আয়োজন দেখতে এসেছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

দেশের বিশিষ্টজনদের এমন উৎসাহে বেশ উজ্জীবিত হয়েছেন ফাউন্ডেশনের স্বেচ্ছাসেবকরা- এমন মন্তব্য সংগঠকদের।

বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন হলো সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা সহায়ক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। ছিন্নমূল শিশুদের জন্য জনপ্রিয় ‘এক টাকায় আহার’ প্রকল্পের মতো আরও বেশ কিছু মহৎ উদ্যোগের নেপথ্যে আছে এই ফাউন্ডেশন।

তবে করোনা কালে সংগঠনটি সকল শ্রেনী পেশার মানুষের সাহায্যে এগিয়ে এসেছি । প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষকে বিনামূল্যে অাহার কারাচ্ছে তারা ।

পাঁচ শতাধিক পরিবারে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ

News Desk: Daily local voice

নিজস্ব প্রতিবেদক: সুদীপ্ত অাকাশ রাজন

২৮ই মে,বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে বর্তমান প্রতিকূল পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল মানুষদের জন্য উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ।

নগরীর রহমতগন্জস্থ জেএমসেন হল মাঠ প্রাঙ্গনে সকাল ১১ টায় জাতি,ধর্ম,বর্ণ নির্বিশেষে ৫ শতাধিক মানুষের মাঝে চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের এই উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এর অাগে চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদের অাওতাধীন সকল থানা এবং ওয়ার্ডভিত্তিক গরীব,অসহায়,নিম্নবিত্ত,মধ্যবিত্ত পরিবারের তালিকা সংগ্রহ করা হয়।

ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের সময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ এর সভাপতি বিশিষ্ট আইনজীবী এডভোকেট চন্দন কুমার তালুকদার,সাধারণ সম্পাদক শ্রীপ্রকাশ দাস অসীত।পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক লায়ন আশীষ কুমার ভট্টাচার্য,অধ্যাপক অর্পণ কান্তি ব্যানার্জী,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিল্লোল সেন উজ্জ্বল ও মিথুন মল্লিক, সাংগঠনিক সম্পাদক সজল দত্ত,শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক সুকান্ত মহাজন টুটুল,সহ-পূজা পরিচালনা বিষয়ক সম্পাদিকা সনজয়ীতা দত্ত পিংকী,সিনিয়র সদস্য সাংবাদিক প্রদীপ শীল,সদস্য এডভোকেট রক্তিম বিশ্বাস এবং কোতোয়ালি থানা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি লিটন কুমার শীল,সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী সৈকত দাশ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

পরিষদের সভাপতি এডভোকেট চন্দন কুমার তালুকদার বলেন,লকডাউনের এই সময়ে অনেক মানুষ তাদের কর্ম হারিয়ে বেকার হয়ে পড়েছে। অর্থাভাবে সংসার আর চলছে না অনেক মানুষের। বিশেষ করে দিন-মজুরদের অবস্থা খুবই খারাপ। দু’মুঠো ভাত জোগাড় করাই এখন খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। এই নিরন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়ানোর জন্যই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।

পরিষদের সাধারণ সম্পাদক শ্রীপ্রকাশ দাস অসীত বলেন,আমাদের মতো একটা গরীব রাষ্ট্রে সবার জন্য খাদ্য নিশ্চিত করা সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। তাই সমাজের বিত্তবানদের উচিৎ গরীব অসহায়দের পাশে দাঁড়ানো।

মানুষ করোনার চেয়ে শক্তিশালী-শাহজাদা মহিউদ্দিন

Muktopath News Desk : Daily local voice

লেখকঃশাহাজাদা মহিউদ্দিন
যুগ্ম সাধারন সম্পাদক,
চট্রগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ। সাবেক সহ সভাপতি,
বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।।

দেশে করোনার প্রাদুর্ভাবের শুরুতে দেশের মানুষের মনোবল ধরে রাখার জন্য আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ভাই বলেছিলেন ‘আমরা করোনার চেয়েও শক্তিশালী’ এই কথাটার গভীরে না গিয়ে সমালোচকরা ট্রল এর বন্যায় ভাসালেন।দু:খজনক হলেও আমাদের অনেক নেতাকর্মীকেও দেখেছি এই ট্রলে গা ভাসাতে। এখনো কথায় কথায় ট্রল করে যাচ্ছেন ।

আসলে সবকিছু নিয়ে ট্রল করা কিছু মানুষের বদভ্যাসে পরিণত হয়েছে।তিনি প্রকৃত অর্থে আমরা বলতে বুঝাতে চেয়েছেন মানুষ।আমরা সাবধানতা অবলম্বন করলে করোনাকে পরাজিত করতে পারবো এটাই ছিল তার মূল কথা,বলার ধরনে ভিন্নতা থাকতেই পারে। তিনি যেহেতু আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক,একদল অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে বলা শুরু করলো তিনি নাকি বলেছেন আওয়ামী লীগ করোনার চেয়েও শক্তিশালী।অর্বাচিনতা কাকে বলে!তিনি কোথাও আওয়ামী লীগ শব্দটি ব্যবহার করেননি।
কিন্তু আমরা কেউ কথাটার গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করলাম না। কেউ একটুও চিন্তা করে দেখলাম না যারা এই দলের পান থেকে চুন খসলে সমালোচনার ঝাঁপি খুলে বসে তাদের হাতে আমরাই একটা অস্ত্র তুলে দিলাম।

এবার আসি ওনার কথার মর্মার্থটা কি বা কেন আমরা শক্তিশালী।করোনা একটি ভাইরাস,যা সারা বিশ্বে লক্ষ লক্ষ লোকের প্রাণহানি ঘটিয়ে চলেছে।মহান আল্লাহ্ মানুষকে ‌‌আশরাফুল মাখলুকাত অর্থাৎ সৃষ্টির সেরা জীব করে দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন, এই মানুষ ই তো সৃষ্টির শুরু থেকে অদ্যাবধি সকল রোগ প্রতিরোধ করেছে ।আল্লাহ রোগ যেমন দিয়েছেন তা প্রতিহত করার পন্থাও সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান কোরআন ও নবী রাসূলদের মাধ্যমে বাতলেও দিয়েছেন ।যুগ যুগ ধরে কোরআনের এই নির্দেশিত পথে মানুষ সকল রোগের প্রতিষেধক আবিষ্কার করেছে,অতি সম্প্রতি প্রাণঘাতী সার্স, মার্স, ইবোলাসহ বিভিন্ন প্রাণসংহারী রোগের প্রতিষেধক মানুষই তৈরি করেছে। কোন এলিয়েন বা ফেরেশতা এসে তৈরি করে দেয়নি।এখানেইতো মানুষের শক্তিশালী হবার প্রমাণ।

বর্তমান এই বৈশ্বিক মহামারির ক্ষেত্রেও আমেরিকা,যুক্তরাজ্য, জার্মানি,চায়না,জাপানসহ পৃথিবীর অনেক দেশ এই মহামারির প্রতিষেধক তৈরির প্রায় দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছে।অচিরেই মানুষ করোনাকে পরাজিত করবেই।যারা সফলতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন তারাও কিন্তু মানুষ,এলিয়েন বা ফেরেশতা নন।এই যুদ্ধে মানুষের আল্লাহ্ প্রদত্ত শক্তিই জয়ী হবে,সেটা সময়ের ব্যপার মাত্র ।

যুগ যুগ ধরে নবী রাসূলগণ পথ বাতলে দিয়েছেন এধরনের মহামারি আসলে কিভাবে একস্থান থেকে অন্যস্থান-একজন থেকে অন্যজন দূরত্ব রক্ষা করে মহামারি থেকে রক্ষা পেতে হয়।

আমরা সরকারকে আহ্বান জানাবো-কোরআন হাদিসের কোন নির্দেশনাই যদি না মানি তাহলে আক্রান্ত আর মৃত্যুর মিছিল বাড়তেই থাকবে। একবার চিন্তা করে দেখেছেন- ছোট্ট একটা দেশে ১৭ কোটি মাুনষ,যারা দিনমজুর,দিনে আনে দিনে খায়। ছোট্ট একটি ঘরে গাদাগাদি করে কোন মতে রাত কাটায়-তাদের কাছে লকডাউন হোক আর কারফিউ হোক এসবের কোন কানাকড়িও মূল্য নাই,তাদের কিভাবে ঘরে আটকে রাখবেন?তবুও সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

সমালোচকরা সমালোচনা করবেই, তবে আমরা দলের নেতাকর্মীরা নিজদলের সমালোচনা করতে যেন একটু চিন্তা করি। কারণ আমাদের ছোট ছোট ভুল দল এবং প্রিয় নেত্রীর দিবারাত্রি পরিশ্রমের ফল প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে যেতে পারে। আমিও কাদের ভাইয়ের সাথে কন্ঠ মিলিয়ে বলি আমরা (মানুষ)করোনার চেয়ে শক্তিশালী ।

নোবেলের বিরুদ্ধে মামলা,ভারতে গেলেই গ্রেপ্তার

News Desk : Daily local voice

অান্তর্জাতিক ডেস্ক:ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামে কুৎসা ছড়ানোর অভিযোগে দেশের বিতর্কিত গায়ক মইনুল হাসান নোবেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। মামলা করেছেন ত্রিপুরার এক যুবক। ভারতে এলেই গ্রেপ্তার করা হবে নোবেলকে! ত্রিপুরায় দায়ের এফআইআর এমনই এক শিরোনামে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিন এ খবর প্রকাশ করেছে।

সংবাদমাধ্যমটি জানায়, ‘পুলিশ সূত্রে খবর, বিতর্কিত বাংলাদেশি গায়ক নোবেলের বিরুদ্ধে সোমবার মামলা দায়ের করেছেন ত্রিপুরার বিলোনিয়ার যুবক সুমন পাল। ওই অভিযোগের একটি প্রতিলিপি পাঠানো হয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক, বাংলাদেশ হাই কমিশন ও জেলা পুলিশ সুপারের কাছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই ভারতে প্রবেশ করলে নোবেলকে গ্রেপ্তার করা হবে। নিজের অভিযোগ পত্রে ত্রিপুরার যুবক দাবি করেন, দেশের প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এহেন কুরুচিকর মন্তব্য করায় নোবেলের ভিসা বাতিল এবং তাঁর পাসপোর্ট বাজেয়াপ্ত করা হোক। এর আগে বিশ্ব বরেণ্য কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিরুদ্ধেও কুরুচিকর মন্তব্য করে বিতর্ক উসকে দিয়েছিলেন নোবেল।’

বেশ কয়েকদিন আগে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে নিয়ে কটাক্ষ করে স্ট্যাটাস দেন নোবেল। এতে তিনি লিখেছিলেন—‘স্ক্যান্ডাল আমার হবে না তো হবে কার? চায়ের দোকানদার নরেন্দ্র মোদির? কে দেখবে চা-ওয়ালার স্ক্যান্ডাল? অন্যদিকে আমাকে নগ্ন দেখার মধ্যে তো বিরাট তৃপ্তি তাই না? নাহলে কি স্ক্যান্ডাল এত ভাইরাল হয়?’ এমন পোস্টের পর নেটিজেনদের সমালোচনার মুখে পড়েন নোবেল। বিষয়টি নিয়ে ভারতীয় কয়েকটি সংবাদমাধ্যম খবরও প্রকাশ করে।

যদিও বিতর্কের মুখে পড়ে গত ২৪ মে এ শিল্পী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক স্ট্যাটাসে ভুল স্বীকার করে লেখেন—‘মোদিজির প্রেমে এখন ইন্ডিয়া মাতাল। মোদিজি জানতে পারলে আমাকে নোবেল পুরস্কার দিতেন। যে মোদিজিকে ক’দিন আগে সবাই গণহারে গালি দিত, সেই মোদিজির আজ কত শুভাকাঙ্ক্ষী। এসব কার অবদান, তোমরা বলো? বাই দা রাস্তা, সরি মেরে ইন্ডিয়ান ভাই ও বেহেনরা। আমার স্ট্যাটাসটা দেওয়া উচিত হয়নি। মাঝে মধ্যে ভুলে যাই আমি তো ইন্ডিয়ান নই। ক্ষমা করে দিও।’

সংবাদ প্রতিদিন লেখে, ‘জনপ্রিয় বাংলা টেলিভিশন চ্যানেলের রিয়ালিটি শো ‘সারেগামাপা’র মঞ্চ থেকেই খ্যাতির শিখরে উঠতে শুরু করেছিলেন মঈনুল আহসান নোবেল। তবে শো পরবর্তী সময়ে গানের থেকে বেশি বিতর্কেই জড়িয়েছেন। কিংবদন্তিদের বিরুদ্ধে অশালীন মন্তব্য থেকে ধর্ষণের অভিযোগে বিতর্কে জড়িয়েছেন তিনি। তারপর বাংলাদেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় কুরুচিকর মন্তব্য করেন ওই গায়ক।’

কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব ও তার পরিবার করোনায় অাক্রান্ত

News Desk: Daily local voice

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ৩৩নং ফিরিঙ্গিবাজার ওয়ার্ড কাউন্সিলর হাসান মুরাদ বিপ্লব ও তার পরিবারের চার সদস্যসহ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

২৬ মে মঙ্গলবার কাউন্সিলর বিপ্লবসহ তার পরিবারের সদস্যরা করোনা পরীক্ষার জন্য নমুনা দেন। এরপর ২৭ মে বুধবার নগরীর করোনাভাইরাস পরীক্ষার প্রধান ল্যাব বিআইটিআইডি ওই পরিবারের পাঁচজন সদস্যের করোনা পজিটিভ হয়েছে বলে নিশ্চিত করেন।

৪৮ বছর বয়সী হাসান মুরাদ বিপ্লবের পরিবারের ৬, ১০ ও ১৪ বছর বয়সী তিন শিশুর মধ্যে করোনাভাইরাসের জীবাণু মিলেছে। এছাড়া ওই পরিবারের ৩৮ বছর বয়সী এক সদস্যও আক্রান্ত হয়েছেন করোনাভাইরাসে।

রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড,৫ জনের লাশ উদ্ধার

News Desk ; Daily local voice

ঢাকা বার্তা: রাজধানীর গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালের করোনা ইউনিটে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় পাঁচ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।বুধবার রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আধা ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণ করেন।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন, মো. মাহবুব (৫০), মনির হোসেন (৭৫), ভেরনন অন্তন্তি পাল (৭৪), খুদেজা বেগম (৭০) ও রিয়াজ উল হক (৪৫)। তারা প্রত্যেকেই করোনা ইউনিটে ডা. ওমর ফারুকের অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন।তাদের মধ্যে তিন জন কভিড-১৯ পজিটিভ ছিলেন। বাকি দু’জন সুস্থ হয়ে উঠছিলেন।তাদের রিপোর্ট নেগেটিভ ছিল। এরমধ্যে খুদেজা বেগমের শেষ দুটি টেস্টের একটি নেগেটিভ এসেছিল বলে জানা গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের ডিউটি অফিসার কামরুল ইসলাম জানান, রাত ৯ টা ৫৫ মিনিটের দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট ঘটনাস্থলে যায়। প্রায় আধা ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে ১০টা ২৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণ করা হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতালের মুল ভবনের বাইরে স্থাপন করা করোনা ইউনিটে আগুন লাগে। হাসপাতালের ভেতর ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। বাঁচার তাগিদে রোগীরা আর্তচিৎকার করতে থাকেন। তাৎক্ষণিকভাবে আইসিইউ থেকে রোগীদের বের করে আনা হয়। অনেক রোগী নিজ উদ্যোগে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যান। ফায়ার সার্ভিস কর্মীদের ধারণা হাসপাতালের করোনা ইউনিটের এসির বিস্ফোরণ থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

পুলিশের গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ চক্রবর্তী বলেন, হাসপাতালের পাশে অস্থায়ী করোনা ইউনিটে আগুন লাগে। ঘটনাস্থল থেকে পাঁচ জনের লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। নিহত পাঁচ জনের মধ্যে চার জন পুরুষ ও একজন নারী। তারা করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অগ্নিকাণ্ডে তারা দগ্ধ হয়ে নিহত হয়েছেন।

ডিএমপি’র গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার সুদীপ চক্রবর্তী আরও বলেন, করোনা আইসোলেশন ইউনিটে প্রচুর স্যানিটাইজারসহ অন্যান্য দাহ্য পদার্থ ছিল। এক রোগীর স্বজন ৯৯৯ এ ফোন করে আগুনের খবর দেয়। পরে ভাটারা থানা পুলিশ বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসে জানায়। তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রন করে।

ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাজ্জাদ হোসাইন বলেছেন, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার পর সেখান থেকে ফায়ার সার্ভিস পাঁচটি লাশ উদ্ধার করেছে। অগ্নিকাকাণ্ডের ঘটনাস্থলটি হাসপাতালের মেইন ভবন সংলগ্ন। সেখানে অগ্নিনির্বাপনের কোনো ব্যবস্থা ছিল না বলে জানান তিনি।

নগরীর ১২টি জায়গায় করোনা টেস্টিং বুথ স্থাপন করা হচ্ছেঃ মেয়র নাছির

News Desk : Daily local voice

চট্টগ্রাম নগরীতে প্রতিনিয়তই বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনার প্রাদুর্ভাব। সেই সাথে বৃদ্ধি পাচ্ছে রোগীর সংখ্যা। যতবেশি নমুনা পরীক্ষা তত বেশি রোগী শনাক্ত সম্ভব এমনটাই মত দিচ্ছেন স্বাস্থ্য সংশ্লিষ্টরা। নগরীর করোনা রোগীদের সেবা কিভাবে সহজলভ্য করা যায় এই নিয়ে প্রতিনিয়তই মতামত ও পরামর্শ নিচ্ছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

এরই ধারাবাহিকতায় আজ বুধবার সিটি মেয়রের উদ্যোগে ব্র্যাক বাংলাদেশ’র সহায়তায় নগরীর ১২টি স্পটে করোনা পরীক্ষা বুথ স্থাপন শুরু হয়েছে। আগামী এক-দুই দিনের মধ্যে নগরীর কাট্টলী মোস্তফা হাকিম মাতৃসদন হাসপাতাল, আন্দরকিল্লা চসিক পুরাতন নগর ভবন, চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব, মেমন টু হাসপাতাল, অক্সিজেন আবদুর রহিম দাতব্য চিকিৎসালয় ও বন্দরটিলা মাতৃসদন হাসপাতালসহ আরো ছয়টি বুথ স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন সিটি মেয়র। যার ফলে করোনা সংক্রমণ উপসর্গে ভুক্তভুগীরা সহজতরভাবে নমুনা পরীক্ষা করাতে পারবেন।

করোনা সংক্রমণের বর্তমান পরিস্থিতিতে নগরবাসীকে সাহস হারা না হওয়ার পরামর্শ দিয়ে সিটি মেয়র বলেন, করোনা ভাইরাস অবশ্যই দূরারোগ্য ভাইরাস। তবে সঠিক সময়ে সঠিক পদক্ষেপ ও সচেতনায় এটি মোকাবেলা করা সম্ভব। আমাদের দেশে তুলনামূলক সুস্থ হওয়ার হার বেশি। আশা করা যাচ্ছে পরিস্থিতি অতি সহসায় সহনিয় পর্যায়ে আসবে। সেজন্য দরকার সচেতনতা ও সঠিক জীবন যাপন।