শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ, কেন্দ্রীয় কমিটির এক কার্যকরী সভা আজ ০২/০৭/২০২০ইং পরিষদের সহ-সভাপতি বাবু দিলীপ দাশ মহোদয়ের সভাপতিত্বে, সাধারণ সম্পাদক শ্রী বিমল কান্তি দে মহোদয়ের স্বাগত বক্তব্যে করোনা ভাইরাসের এই ক্রান্তিলগ্নে আসন্ন জন্মাষ্টমী’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন ও আসন্ন জন্মাষ্টমী উৎসবের বিষয়ে আলোকপাত করে উপস্থিত সকলের মতামতের আহবান জানান ও যুগ্ম-সম্পাদক প্রকৌশলী আশুতোষ দাশ মহোদয়ের সঞ্চালনায় সরকারী নির্দেশনা ও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে পরিষদের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় বিভিন্ন দিক নির্দেশনা মূলক বক্তব্য রাখেন শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সভাপতি ও রাউজান পৌরসভার মেয়র বাবু দেবাশীষ পালিত, শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড. তপন কান্তি দাশ ও এড. চন্দন তালুকদার অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহ-সভাপতি চন্দন দাশ, যুগ্ম-সম্পাদক লায়ন আশীষ কুমার ভট্টাচার্য্য,,অর্থ সম্পাদক রতন আচার্য্য,সাংগঠনিক সম্পাদক ডাঃ কথক দাশ,আশীষ চৌধুরী, শ্রীপ্রকাশ দাশ অসীত, জন্মাষ্টমী দক্ষিণ জেলার সভাপতি শিল্পপতি বাবুন ঘোষ বাবুল, সলিল কান্তি গুহ, লিটন নন্দী, সুভাষ চন্দ্র দাশ, শিপ্রা চৌধুরী, প্রকৌশলী সুভাষ গুহ, লিটন কান্তি দত্ত, এড. টিপু শীল জয়দেব, অমল চৌধুরী, ডাঃ বিজন কান্তি নাথ, নারীনেত্রী রুমকী সেনগুপ্ত, উষা আচার্য্য প্রমূখ।
সভার সিদ্ধান্ত সমুহঃ ♥১। দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়া সাপেক্ষে তিন মাস পর অনুষ্ঠিত ও এসময়ে বর্তমান কমিটি দায়িত্ব পালন করবেন। ♥২। আসন্ন জন্মাষ্টমী উৎসব শুধু ধর্মীয় বিধি মোতাবেক পূজা অর্চনার মধ্যে পালন। ♥৩। জন্মাষ্টমী উৎসবের খরচের অর্থ দিয়ে উৎসবের পরিবর্তে ঐসময়ে হতদরিদ্র, নিম্মমধ্যবিত্ত অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন।
পুলিশ বাহিনীকে উন্নত দেশের উপযোগী আধুনিক ও জনবান্ধব করে গড়ে তুলতে কাজ করছেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার)। তিনি তাঁর স্বপ্ন বাস্তবায়নে কনস্টেবল থেকে শুরু করে সকল পদমর্যাদার অফিসার ও ফোর্সের মতামত জানতে চান। আইজিপি সবার মতামত নিয়ে সকলে মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে পুলিশকে এমন এক জায়গায় নিয়ে যেতে চান, যাতে জনগণ পুলিশকে প্রকৃত অর্থেই ভালবাসে, সম্মান করে, শ্রদ্ধা জানায়; যাতে জনগণের হৃদয়ে দীর্ঘমেয়াদী ও স্থায়ী আসন করে নিতে পারে বাংলাদেশ পুলিশ।
বর্তমান করোনাকালে পুলিশের ভূমিকা উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, দেশে করোনা সংক্রমণের প্রথম দিন থেকেই কোন ধরনের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সামগ্রীর জন্য অপেক্ষা না করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্যগণ জনগণের পাশে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে অনেক পুলিশ সদস্য নিজের অজান্তেই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন, জীবন দিয়েছেন ৪৪ জন সম্মুখযোদ্ধা বীর পুলিশ সদস্য।
বর্তমানে পুলিশ সদস্যদের জন্য পর্যাপ্ত পরিমান সুরক্ষা সামগ্রী রয়েছে উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, আমরা করোনা আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসায় সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। রাজারবাগ কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালকে মাত্র দুই সপ্তাহে ২৫০ থেকে ৫০০ বেডের কোভিড হাসপাতালে রূপান্তর করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বদান্যতায় ঢাকায় আধুনিক চিকিৎসা সুবিধা সম্পন্ন একটি হাসপাতাল ভাড়া করা হয়েছে। করোনা পরীক্ষার জন্য মাত্র ১২ দিনে কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। শুধু ঢাকায় নয়, ঢাকার বাইরে বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালেও কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের ন্যায় একই প্রটোকলে করোনা আক্রান্ত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসা করা হচ্ছে। এর ফলে পুলিশ সদস্যরা দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠছেন, তাদের মৃত্যুর হার কমছে।
চলমান করোনায় জনগণের সেবায় পুলিশের অনন্য অবদানের কথা উল্লেখ করে আইজিপি বলেন, বর্তমান করোনাকালে পুলিশ যেভাবে জনগণের কাছে গিয়েছে, তাদের পাশে থেকেছে, তাদেরকে সুরক্ষা দিয়েছে তা নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। শুধু বাংলাদেশ থেকে নয়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশের প্রশংসা করছে। পুলিশ প্রধান হিসেবে এ জন্য আমি অত্যন্ত গর্বিত।
তিনি বলেন, করোনায় পুলিশ শুধু কোয়ারেন্টাইন, লকডাউনই বাস্তবায়ন করেনি। অসহায় মানুষের বাসায় খাবার পৌঁছে দিয়েছে, অসুস্থ ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে গেছে। করোনা আক্রান্ত হয়ে কেউ মারা গেলে যখন স্বজনরা কেউ এগিয়ে আসেনি, তখন পুলিশ তাদের জানাজার আয়োজন, দাফন এবং সৎকারের ব্যবস্থা করেছে। এসব দায়িত্ব পুলিশের নয়, পুলিশকে এ দায়িত্ব দেয়াও হয়নি। কিন্তু পুলিশ কেন এটা করেছে ? পুলিশ কাজটি নিজেদের মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে করেছে। এজন্য মাত্র তিন মাসে পুলিশ মানুষের হৃদয়ের মণিকোঠায় স্থান করে নিয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একাধিকবার বাংলাদেশ পুলিশের এ ভূমিকার প্রশংসা করেছেন।
আইজিপি বলেন, ৫০ বছর আগে মহান মুক্তিযুদ্ধ দেশ সেবায় পুলিশের জন্য একটা সুযোগ তৈরি করেছিল। ৫০ বছর পর করোনা আবার জনগণের কাছে যাওয়ার একটা সুযোগ নিয়ে এসেছে।
আইজিপি প্রশ্ন রেখে বলেন, এক সময় করোনা চলে যাবে, তখন কি হবে ? আমরা কি আগের অবস্থায় ফিরে যাবো ? তিনি বলেন, না, আমরা যেখানে গিয়েছি সেখান থেকে আর ফিরে আসবো না। সেখান থেকে আরও এগিয়ে যাব। তিনি বলেন, মানুষের ভালোবাসা, সম্মান, শ্রদ্ধা কেনা যায় না, অর্জন করতে হয়।
জনাব বেনজীর বলেন, জনগণের পুলিশ হতে হলে জনগণকে ভালবাসতে হবে। তাদের জন্য কাজ করতে হবে, তাদের কাছে যেতে হবে। দমন পীড়ন থেকে বেরিয়ে এসে আইনি সক্ষমতাকে কাজে লাগাতে হবে। পুলিশকে সকল ধরনের দুর্নীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। কোন পুলিশ সদস্য মাদকের সাথে যুক্ত থাকতে পারবে না, মাদকমুক্ত পুলিশ তথা দেশ গড়ে তুলতে হবে।
আইজিপি বলেন, বঙ্গবন্ধুর উদাত্ত আহ্বানে সাড়া দিয়ে পুলিশ ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ কালরাতে সাধারণ থ্রি-নট-থ্রি রাইফেল দিয়ে আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত পাকহানাদার বাহিনীকে মোকাবেলা করেছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর রূপকল্প-২০২১ ও ২০৪১ বাস্তবায়নের অন্যতম সারথী হিসেবে দেশের জন্য রক্ত দিয়ে গড়া এ বাহিনীকে উন্নত দেশের উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে।
আইজিপি তাঁর বক্তব্যের শুরুতে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে জনগণকে সুরক্ষিত রাখতে গিয়ে শহীদ পুলিশ সদস্যদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন। তিনি তাদের পরিবারের শোকসন্তপ্ত সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান। যেসব পুলিশ সদস্য অসুস্থ রয়েছেন তাদের দ্রুত রোগমুক্তি কামনা করেন আইজিপি।
বাংলাদেশ পুলিশকে জনবান্ধব, আধুনিক ও যুগোপযোগী বাহিনীতে পরিণত করার লক্ষ্যে ইনোভেশন এন্ড বেস্ট প্র্যাকটিস শাখা আয়োজিত পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে অনুষ্ঠিত সকল পর্যায়ের পুলিশ সদস্যদের মতামত গ্রহণ বিষয়ক পাঁচ দিনের কর্মশালার শেষ দিন আজ বৃহস্পতিবার সভাপতির বক্তব্য রাখেন আইজিপি। আইজিপি প্রতিটি কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন।
বাংলাদেশ পুলিশের সকল ইউনিটকে পাঁচটি ক্লাস্টারে ভাগ করে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় কনস্টেবল থেকে ইন্সপেক্টর পর্যন্ত সকল পদমর্যাদার প্রায় পাঁচ শতাধিক পুলিশ সদস্য উত্তম চর্চা, ক্যারিয়ার, দুর্নীতি, ওয়েলফেয়ারসহ অন্যান্য বিষয়ে লিখিত মতামত দিয়েছেন।
সদ্য প্রকাশ হওয়া ৩৮তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে শিক্ষা ক্যাডারে ইংরেজিতে প্রথম স্থান অর্জন করেছেন মুন্নী রানী। তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি ভাষা শিক্ষার ওপর স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। তাঁর অসামান্য সাফল্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিনন্দন জানাচ্ছেন শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
জানা যায়, ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগে ভর্তি হন মুন্নী রানী। সেখান থেকে অনার্স এবং মাস্টার্সে ফাস্ট ক্লাস ফাস্ট হয়ে বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিক জীবন শেষ করেন। ২০০৮ সালে রংপুর পীরগঞ্জের কে জে ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি এবং ২০১০ সালে শঠিবাড়ি কলেজ থেকে জিপিএ ফাইভ পেয়ে কৃতিত্বের সাথে এইচএসসি পাস করেন। এর আগে পঞ্চম এবং অষ্টম শ্রেণিতেও তিনি বৃত্তি পান।পীরগঞ্জের শানের হাট গ্রামে তার জন্ম। বাবা মুকুল চন্দ্র মহন্ত। দুই বোন এক ভাইয়ের মধ্যে বড় তিনি। ছোট বোনও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়েই এবং ছোট ভাই পড়ছেন দশম শ্রেণিতে।
২০১৬ সালে প্রাইমারিতে সহকারী শিক্ষক হিসেবে প্রথম কর্মজীবন শুরু করেন তিনি। এরপরে ২০১৯ সালে ৩৭তম বিসিএস এর নন-ক্যাডারে উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। তিনি বর্তমানে রংপুর সদর উপজেলায় সমাজসেবা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। বিসিএসে ফলাফল প্রকাশিত হবার পর নানা বিষয়ে কথা হয় মুন্নী রানীর সাথে।
মুন্নী রানী জানান, শুরু থেকেই শিক্ষকতার স্বপ্ন দেখেছি। এ জন্য বিভাগে ভালো পড়াশোনা করে অনার্স এবং মাস্টার্সে প্রথম স্থান অধিকার করেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার জন্য একবার অ্যাপ্লাই করেছিলাম কিন্তু হয়নি। যেহেতু এখন শিক্ষা ক্যাডারে চান্স পেয়েছি তাই আমি অনেক খুশি হয়েছি। শিক্ষা ক্যাডার পেয়ে অনুভূতি কেমন হয়েছে তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, অনেকের কাছে মনে হবে শিক্ষা ক্যাডার তো সবাই হয়।
কিন্তু আমার সবচেয়ে ভালো লাগছে যে, আমি সারা দেশে প্রথম হয়েছি। দেশের অনেক খ্যাতিসম্পন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনেক ভালো স্টুডেন্টসরা ছিল কিন্তু তাদের মধ্য থেকে আমি প্রথম হয়েছি এটাই আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগছে। ক্যাডার হতে পেরে যতটা না ভালো লাগছে প্রথম হওয়ায় বেশি ভালো লাগা কাজ করছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার স্বপ্ন ছিল মুন্নী রানীর। তিনি বলেন, যদি কখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হওয়ার সুযোগ পাই তবে সেখানে চলে যাব। এমনকি যদি আমার অ্যাডমিন ক্যাডারেও হতো তবুও বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকতাতেই চলে যেতাম। তবে কেন শিক্ষকতায় এত স্বপ্ন এ ব্যাপারে তিনি বলেন, সাহিত্য পড়তে এবং পড়াতে আমার বেশি ভালো লাগে। বিশেষ করে ইংরেজি সাহিত্য। কাউকে পড়াতে পারা এবং নিজে পড়ার মধ্যে অনেক আনন্দ খুঁজে পাই আমি।
শিক্ষা ক্যাডার হয়ে এ জন্যই বেশি খুশি হয়েছি কারণ আমি এতদিন যা কষ্ট করে অর্জন করেছি তা কাউকে শেখাতে পারব। পরিবার থেকেই সবচেয়ে বেশি অনুপ্রেরণা পেতেন মুন্নী রানী। মুন্নী বলেন, তার প্রেরণার সবচেয়ে বড় উৎস তার বাবা-মা। বিশেষ করে তার বাবা। তাকে মেয়ে হিসেবে কখনো দেখেনি তার পরিবার। বাবা-মায়ের জন্য হলেও অনেক ভালো কিছু করতে হবে এমনটাই বিশ্বাস করতেন তিনি।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর, বাংলাদেশ হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারন সম্পাদক এডভোকেট রানা দাশগুপ্ত এবং তাঁর স্ত্রী রিতা দাশগুপ্ত সম্পূর্ন করোনামুক্ত হয়ে ঢাকা থেকে চট্রগ্রামের উদ্যেশে রওনা দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৮ই জুন স্বস্ত্রীক করোনা আক্রান্ত হন তিঁনি। ভালো চিকিৎসা সেবা প্রদানের উদ্দেশ্য তাঁদেরকে ঢাকার একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাদেঁরকে অক্সিজেন সাপোর্টসহ এম্বুল্যান্স দিয়ে সহযোগিতা করেছেন সিকদার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।
তাঁদের আত্মীয়ের সূত্রে জানা যায়, তাঁদের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রেখেছেন তাঁর ভাগিনা ডাঃ পার্থ। ডাক্তারির পাশাপাশি প্রটোকলের সাথেও যোগাযোগ রক্ষা করবেন বলে জানা যায়।
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি (ইন্টিলিজেন্স) সুমন বণিকের দায়িত্ব বৃদ্ধি করে ওসি (তদন্ত) হিসেবে একই থানায় যোগদান করেছেন। মঙ্গলবার বিকালে ওসি তদন্ত হিসেবে তার দায়িত্ব বৃদ্ধি করা হয়েছে।
সীতাকুণ্ড থানার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত ওসি (তদন্ত) সুমন বণিক বলেন, অামি সীতাকুণ্ড থানাকে ডিজিটাল থানা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আর আমার এ অর্জন আমি সীতাকুণ্ডের জনগণকে উৎসর্গ করছি। জনগণের সকল প্রকার সুযোগ-সুবিধায় পুলিশ থাকবে জনগণের বন্ধু হিসেবে। আর সেই লক্ষ্যেই নিজের জায়গা থেকে সর্বোচ্চ সেবা প্রদান করাই আমার মূল উদ্দেশ্যে। আইনের শাসন নয়, আইনের সঠিক প্রয়োগ করে মানুষকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার বিষয়টি তুলে ধরার জন্যই আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছি। অামি অাইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে অামার উপর অর্পিত সকল দায়িত্ব পালনে সদা তৎপর।
চসিক কোভিড-১৯ আইসোলেশন সেন্টারের জন্য করোনা ভাইরাস সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করেছে এস.এস.সি-৯৯ ব্যাচ। আজ দুুপুরে চসিক মেয়র দপ্তরে সিটি মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীনের কাছে এই সুরক্ষা সামগ্রী প্রদান করা হয়।
সামগ্রীর মধ্যে মাক্স,অক্সিমিটার,হাইপোক্লোরিন সলিউশন, সু-কভার রয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন লায়ন ইঞ্জি.নুরুজ্জামান, ডাঃ ওমর সায়েম রবিন, ডাঃ অনির্বাণ ঘোষ, লায়ন আবদুল্লাহ আল রায়হান, জুনায়েদ ইজদানী রবিন প্রমুখ।
বৈশ্বিক করোনা ভাইরাসের মহামারীতে চিকিৎসার অভাবে মারা যাচ্ছে অসহায় মানুষ। সরকারী হাসপাতাল ছাড়া বেসরকারী হাসপাতালে নূন্যতম চিকিৎসা সেবাও মিলছেনা। দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে চিকিৎসার জন্য মানুষ হাহাকার করছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ার সাথে সাথে এমন প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। করোনা ভাইরাসে সংক্রামিত না হয়েও সাধারণত বিভিন্ন রোগে আক্রান্তরা চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। ভয়াবহ নিষ্ঠুরতার শিকার হচ্ছেন রোগীরা। করোনার কোনো ধরনের উপসর্গ থাক আর না থাক, নেগেটিভ রিপোর্ট ছাড়া রোগী দেখছেন না হাসপাতালের চিকিৎসকরা। প্রথম দিকে পিপিই, মাস্ক, ফেস শিল্ড না থাকার অভিযোগ এনে চিকিৎসা থেকে বিরত থাকেন অনেক চিকিৎসক। কিন্তু এখন এসবের অভাব দেখা যাচ্ছে না। প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কেন রোগীরা চিকিৎসা পাবেন না ? দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দুই হাত ভরে চিকিৎসকদের দিচ্ছেন, ঝুঁকি ভাতা ঘোষণা হয়েছে। বিশাল বাজেট ঘোষণা হয়েছে চিকিৎসার জন্য। তাহলে বিনা চিকিৎসায় কেন মৃত্যু হবে রোগীর?
Daily Local Voice
এমতাবস্থায় এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে, তাঁরই সুযোগ্য সন্তান শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল ও মেয়র পদপ্রার্থী রেজাউল করিম চৌধুরী নির্দেশনায় স্বাস্থ্যসেবা দল গঠন করে সাধারণ রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা দিচ্ছেন বেসরকারি কারা পরিদর্শক অাজিজুর রহমান অাজিজ।জনসাধারণের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা,পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধ বিতরণ, অক্সিজেন সরবরাহ এবং পুষ্টিকর খাবার বিতরণ করেন তিনি।
Daily Local Voice
অাজিজুর রহমান অাজিজ বলেন,রোগী ও চিকিৎসকদের জন্য ক্ষনিক পাশে থাকার আমার ক্ষুদ্র চেষ্টা। বৈশ্বিক এই মহামারির প্রকোপ বাড়ার পর এলাকার সবার মধ্যে স্বাস্থ্য নিয়ে ভীতি দেখা গেছে। অনেকেই খুব সাধারণ রোগেও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারন জ্বর, সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টের রোগীদের চিকিৎসা প্রাপ্তি অনেক জায়গায় প্রায় অসম্ভব। তাই আমাদের এ প্রচেষ্টা। মানুষ উপকৃত হলে সেবার পরিধি বাড়ানো হবে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে চট্টগ্রামে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে আমার এ ভালোবাসার উপহার স্বরুপ এই স্বাস্থ্য ক্যাম্পে যে কোন রোগীকে বিনামূল্যে পরম মমতায় চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হবে। এ কার্যক্রম চালু করতে পেরে আমি আনন্দিত। এ স্বাস্থ্য ক্যাম্পে অভিজ্ঞ ডাক্তার ধারা সুবিধা বঞ্চিত গরিব, অসহায় রোগীসহ যে কোন ধরণের রোগীকে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরামর্শ প্রদান, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফল, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও বিনামূল্যে ঔষধ সরবরাহ করা হবে। চট্টগ্রামকে বিভিন্ন জোনে বিভক্ত করে প্রত্যেক জোনে এই সেবার ধারাবাহিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। আজ হতে আমাদের বিনামূল্যে অক্সিজেন সেবা শুরু হতে চললো।
অাওয়ামী রাজনীতির শুদ্ধতম পুরুষ বাঁশখালীর মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা, অান্দোলন-সংগ্রামের সাহসী ঠিকানা,সৎ সাহসিকতা ও বীরত্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত,কেন্দ্রীয় যুবলীগের সাবেক প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের অামৃত্যু সিনিয়র সহ-সভাপতি, সাবেক সাংসদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা অালহাজ্ব এডভোকেট সুলতান-উল-কবির চৌধুরীর ৬ষ্ঠ মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষ্যে গতকাল বুধবার দুপুরে নগরীর গরীব উল্লাহ্ শাহ্ মাজারস্থল কবরস্থানে তাঁর আত্মার মাগফিরাত কামনায় মিলাদ মাহফিল, বিশেষ মোনাজাত ও পুস্পমাল্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ।
Daily Local Voice
এসময়ে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ও সাতকানিয়া পৌর মেয়র মোহাম্মদ জোবায়ের, সাধারণ সম্পাদক ও বাঁশখালী উপজেলা চেয়ারম্যান চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব, সহ-সভাপতি চেয়ারম্যান এম.এ হাশেম, সেলিম হোসেন, নুরুল আবছার তালুকদার, আওয়াতাউল করিম, কাইয়ূম উদ্দিন, সদস্য ফরিদ আহমদ, বাঁশখালী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক শাহদাত হোসেন তানজু, চন্দনাইশ স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা এনামুল হক ও আবদুর সবুর প্রমূখ।
করোনা মৃতদেহ সৎকার সেচ্ছাসেবক সংঘ, চট্টগ্রাম জেলার সার্বিক তত্ত্বাবধানে, বাঁশখালী উপজেলা শাখা গঠন কল্পে এক সভা সম্প্রতি ডাঃআশীষ কুমার শীলের সভাপতিত্ব অনুষ্টিত হয়। সভায় করোনা মৃতদেহ সৎকার সেচ্ছাসেবক সংঘ চট্টগ্রাম জেলার মূখ্য সচিব ডাঃযীশুময় দেব,আহবায়ক বাবু সুমন পাল এবং সংগঠনের উপদেষ্টা রাজেন দাশগুপ্ত সহ একটি প্রতিনিধি দল উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সর্বসন্মতিক্রমে ডাঃ আশীষ কুমার শীলকে আহবায়ক,শিব শংকর দাশ সানু,অমৃত কারন এবং সাগর সুশীলকে যুগ্ম আহবায়ক,বাবু সনজয় দাশকে সদস্য সচিব করে ৫১সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
নির্বাচিত প্রতিনিধি দল আজ বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাবা মোমেনা আক্তারের সহিত সৌজন্য সাক্ষাত করেন, মাননীয় নির্বাহী কর্মকর্তা জনাবা মোমেনা আক্তার এই মহতী কাজে অংশ গ্রহন করায় ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং সরকারী ভাবে প্রয়োজনীয় ট্রেনিং এর ব্যবস্থা করার আশ্বাস প্রদান করেন।
3 Doctors Academy Ctg এর আয়োজনে “Virtual Classroom Session for HSC & Medical Admission Preparation” এর ২য় সেশনে থাকছেন 3DA টিচার প্যানেলের অন্যতম সিনিয়র সদস্য এবং চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীদের অত্যন্ত প্রিয়মুখ উল্লাস দাশ ভবন। প্রথম ক্লাসের অভাবনীয় সাড়ার পর ২য় দিনের সেশনেও জয়েন করতে চাইলে চলে এসো শুক্রবার ঠিক দুপুর ৩ টায়। (Zoom Id Link will be given from our page before Class-Day)