চট্টগ্রামের করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত হিন্দুদের সৎকারের জন্য নির্বাচিত একমাত্র মহাশ্মশান কাট্টলী সনৎ দত্ত মহাশ্মশানের পুনঃ সংস্কার কাজ শুরু করেন আলহাজ্ব মোস্তফা-হাকিম ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ও চট্রগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মোহাম্মদ মনজুর আলম। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উত্তর কাট্টলী সনৎ দত্ত সার্বজনীন মহাশ্মশানে মৃতদেহ নেয়ার পথটি বৃষ্টি হলে আধাকিলোমিটার কর্দমাক্ত পথে নিয়ে যেতে খুবই কষ্ট হয়। তাছাড়া চট্টগ্রাম শহরের করোনাভাইরাসের সংক্রমণে মৃত সনাতন ধর্মবাম্বলীদের অনেকের শেষকৃত্যে অনুষ্টান ঐখানে করতে হচ্ছে। জনগনের অসুবিধার কথা চিন্তা করে উক্ত রাস্তার কাজ উনার ব্যক্তিগত অর্থায়নে সম্পন্ন করার কাজ প্রায় শতকরা নব্বই ভাগ শেষ হয়েছে বলে তাঁর ফেইসবুক পেইজে জানিয়েছেন সাবেক মেয়র আলহাজ্ব মনজুর আলম। এখন উদ্ভোদনের অপেক্ষা মাত্র।
এই মহৎ কাজের জন্য চট্টগ্রামের সনাতনী সমাজ সাবেক মেয়রকে মনজুর অালমকে অসংখ্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।
অনুগ্রহ করে আমাদের বিনম্র প্রণতি গ্রহণ করুন। শ্রীল প্রভুপাদের জয়।
অত্যন্ত বিদীর্ণ হৃদয়ে আমরা জানাচ্ছি যে আমাদের প্রিয় গুরুভ্রাতা এবং শ্রীল প্রভুপাদের প্রিয়তম শিষ্য, শ্রীল ভক্তিচারু স্বামী নিত্যলীলায় প্রবিষ্ট হয়েছেন।তাঁর প্রথমদিকের দিনগুলোতে যখন তিনি একজন যুবক শিষ্য ছিলেন, মহারাজ শ্রীল প্রভুপাদের বিশ্বস্ত, ব্যক্তিগত সেবক হবার অনুপম সুযোগ লাভ করেছিলেন। এবং তখন থেকেই, শ্রীল ভক্তিচারু স্বামী মহারাজের জীবন তাঁর গুরুদেবের চরণে প্রেমময় একটি নিবেদন হয়ে রয়েছে। নিঃসন্দেহে, এমন কোন সেবা নেই, যেটি মহারাজ শ্রীল প্রভুপাদের সন্তুষ্টির জন্য করেননি। তাঁদের সর্ব প্রথম সাক্ষাতের নির্দেশ অনুযায়ী, মহারাজ শ্রীল প্রভুপাদ কর্তৃক লিখিত সমস্ত গ্রন্থই বাংলা ভাষায় অনুবাদ করেন, যেটি কিনা শ্রীল প্রভুপাদের নিজের মাতৃভাষা। এই লালিত নির্দেশ পূরণের লক্ষ্যে, বছরের পর বছর ধরে মহারাজ তপস্যা করেছেন, মধ্যরাতে উঠে সতর্কতার সাথে তাঁর গুরুদেবের দিব্য শব্দসমষ্টির অনুবাদ করেছেন।
মহারাজ জিবিসির অত্যন্ত সক্রিয় একজন সদস্য হিসেবে সেবা করেছেন, তিনি ছিলেন সারাবিশ্বব্যাপী বহু নিবেদিত শিষ্যদের দীক্ষাগুরু, এবং তিনি সমাজের প্রতিটি গোষ্ঠীতেই, বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সবখানেই কৃষ্ণভাবনামৃত প্রচার করেছেন। মহারাজ ইসকন নেতাদের ব্যবস্থাপনা ও পারমার্থিক প্রসঙ্গে অনুপ্রাণিত করেছেন এবং উপদেশ দান করেছেন, হতাশাঘন সময়ে তিনি একাধিক ইসকন প্রজেক্টকে উদ্ধার করেছেন, এবং সমাজের সবচেয়ে ভঙ্গুর গোষ্ঠীর কল্যাণার্থে তিনি তাঁর সর্বোচ্চ প্রচেষ্টার অবদান রেখেছেন। মহারাজের একটি অনবদ্য অবদান হচ্ছে ‘অভয় চরণ’ টেলিভিশন ধারাবাহিক, যেটি অভূতপূর্ব মাত্রায় শ্রীল প্রভুপাদের মহিমান্বিত জীবন ও লীলাসমূহ সারা বিশ্বের নিকট উপস্থাপন করেছে। এবং সাম্প্রতিককালে, তাঁর গুরুদেবের মহিমা পুনঃবিস্তৃত করতে তিনি উজ্জ্বয়নীর পুণ্য নগরে এক বিস্ময়কর মন্দির ও ভক্ত সমাজ গড়ে তোলেন।
মহারাজের কন্ঠ, যা কিনা মধুর চেয়েও সুমিষ্ট, আমাদের অনেক আচার্যের প্রার্থনাকে অমৃত করে তুলেছে, আর বিশেষভাবে, মহারাজের হৃদয় নিংড়ানো শ্রীমদ্ভাগবতের ১০ম স্কন্ধের গোপীগীতের উপস্থাপনা আমাদের কর্ণে নিরন্তর অনুরণিত হয়।জাগতিক দৃষ্টিতে ও পারমার্থিকভাবেও, তাঁর অবস্থান এবং অসংখ্য যোগ্যতা সত্ত্বেও, মহারাজ ছিলেন একজন বিনম্র ও প্রেমপূর্ণ সজ্জন ব্যক্তি, যিনি ভক্তদের সেবা করে আনন্দ লাভ করতেন। নিঃসন্দেহে, মহারাজের প্রিয় একটি লীলা ছিল ভক্তদের জন্য নিজে রন্ধন করা এবং প্রসাদ পরিবেশন করা। সমস্ত ক্ষেত্রেই তাঁর সকল সেবা, এবং তাঁর নম্র ও মার্জিত স্বভাবের মত, মহারাজের রন্ধন ছিল বিশেষভাবে পরিশুদ্ধ এবং ভক্তি নিমজ্জিত।এমন মহিমান্বিত বৈষ্ণবের বিরহ সহ্য করার মত সান্ত্বনা প্রদানকারী কোন শব্দ নেই, কিন্তু এই ভেবে আমরা কিছুটা স্বস্তি পেতে পারি যে শ্রীল ভক্তিচারু স্বামী মহারাজ অবিরামভাবে কীভাবে শ্রীল প্রভুপাদ ও তাঁর উদ্দেশ্যের সেবা করা যায়, সেই ধ্যানেই জীবন অতিবাহিত করেছেন। এটি সন্দেহের অতীত যে, তিনি শ্রীকৃষ্ণকৃপামূর্তির পরিচালনায় এখন সে সেবাটিই করে যাচ্ছেন।
চলুন আমাদের জীবনে তাঁর সেই সেবাসংকল্প গ্রহণ করে আমরা তাঁর প্রতি যথার্থ শ্রদ্ধা নিবেদন করি। শ্রীল প্রভুপাদের প্রিয় শিষ্য শ্রীল ভক্তিচারু স্বামী মহারাজের পদাঙ্ক অনুসরণ করে চলুন, আমরাও নিজেদের মন, দেহ ও আত্মাকে নিবেদন করি। শ্রীল প্রভুপাদের নির্দেশনার মাঝে মহারাজের সবচেয়ে লালিত একটি হল, “আমার অন্তর্ধানের পর কীভাবে তোমরা সমন্বয় করে চলো, সেটি প্রকাশ করবে আমার প্রতি তোমাদের ভালোবাসা।” এখন, মহারাজের অবর্তমানে, আমাদের স্মরণ করিয়ে দেওয়া হচ্ছে সেই নির্দেশনা হৃদয়ে ধারণ করতে, এবং ইসকনের প্রতি ও একে অপরের প্রতি আমাদের সমর্পণ পুনঃনিশ্চিত করতে মহারাজের সেবকরূপে, আমরা নিজেদেরকে নিবেদিত করছি, তাঁর অবর্তমানে তাঁর প্রিয় শিষ্যগণকে সহযোগিতা ও প্রযত্ন করতে। এটি মহারাজের নিকট খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল যে আমরা যেন শ্রীল প্রভুপাদের সেবায় একটি পরিবার হয়ে কাজ করি, এবং আমরা আপনাদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছি যে, যদিও মহারাজ শারীরিকভাবে আমাদের মাঝে আর বর্তমান নন, এই কঠিন পরিস্থিতিতে এবং ভবিষ্যতেও, আপনারা অনেক ভক্তদের দ্বারা সুরক্ষিত রয়েছেন যারা আপনাদেরকে প্রয়োজনীয় সমর্থন প্রদানে প্রস্তুত।
ঠিক এই কঠিন সময়ে বাঁশখালী আধুনিক হাসপাতালে ফাতেমা বেগম (৫৫) নামে এক মুমূর্ষু রোগীর জন্য প্রয়োজন হয় এ পজেটিব রক্তের। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ডায়াবেটিস সহ বিভিন্ন রোগে ভূগছেন। ফেসবুকে,হোয়াটস অ্যাপে ছড়িয়ে পড়ে ওনার রক্ত লাগার সেই বার্তা। খবর পায় ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল সুশীল। খবর পাওয়ার সাথে সাথে তিনি ছুটে যান এবং মুমূর্ষু রোগীকে ১২তম লাল ভালোবাসা প্রদান করেন।
তিনি বলেন, আসুন আমরা সকলে রক্ত দান করে, এই কঠিন সমযে মুমূর্ষু রোগীর পাশে দাঁড়ায়। তিনি অারো বলেন, এই কঠিন সময়ে রক্ত দিতে পেরে আমি গর্বিত।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি নির্মল রন্জন গুহ ও সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রাহমান বাবু এর নির্দেশে চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের পক্ষ থেকে উপজেলা ভিত্তিক বৃক্ষ রোপন ও ত্রান বিতরণ করা হয়।
Daily Local Voice
এইসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মানিত সভাপতি এবং সাতকানিয়া পৌরসভার মাননীয় মেয়র মোহাম্মদ জোবায়ের এবং চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের বিপ্লবী সাধারণ সম্পাদক এবং বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের মাননীয় চেয়ারম্যান চৌধুরী মোহাম্মাদ গালিব সাদলী।
এসময় অারো উপস্থিত ছিলেন,জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি ও আশিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম.এ.হাশেম, সহ-সভাপতি সেলিম হোসেন,জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা শফিউল আজম লিটু, জিশান জায়সি ইসলাম প্রমুখ।
রোগীকে শ্বাসরুদ্ধ করতে নয়, শ্বাস নিতে সহযোগিতা করতে বেসরকারি হাসপাতাল মালিকদের প্রতি উদাত্ত আহবান জানিয়েছেন জনদুর্ভোগ লাঘবে জনতার ঐক্য চাই শীর্ষক নাগরিক উদ্যোগের প্রধান উপদেষ্টা ও চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি খোরশেদ আলম সুজন। তিনি আজ শনিবার (৪ই জুলাই ২০২০ইং) এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ আহবান জানান।
এ সময় জনাব সুজন বলেন বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার প্রথম দিন থেকেই বেসরকারি হাসপাতাল মালিকরা রোগীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করছে। তাদের অপেশাদারসুলভ মনোভাবের কারণে করোনা আক্রান্ত রোগী ছাড়াও বিভিন্ন রোগে শোকে আক্রান্ত হয়ে অনেক রোগী অকালে মারা গিয়েছে। বছরের পর বছর তারা রোগীদের রোগের ব্যবসা করে বিপুল পরিমাণ বিত্ত বৈভবের মালিক হলেও রোগীদের প্রতি তাদের সামান্য পরিমাণ সহানুভূতি দেখা যায়নি করোনাকালীন সময়ে। অথচ মানবতার এক মহান ব্রত নিয়ে তারা এ পেশায় আসলেও রোগীদের জিন্মি করে নিজের পকেট ভারী করাই ছিল তাদের আসল উদ্দেশ্য। পরবর্তী মহামান্য হাইকোর্ট এবং নাগরিক সমাজের চাপে পড়ে তারা রোগী ভর্তি করালেও রোগীকে নূন্যতম চিকিৎসাসেবা না দিয়ে রোগীর আত্নীয় স্বজনদের ঘাড়ে বিশাল অংকের বিলের বোঝা চাপিয়ে দিচ্ছে। দেখা যাচ্ছে যে কোন চিকিৎসা ছাড়া শুধুমাত্র স্যালাইন লাগিয়ে দিয়েই রোগীর স্বজনদের কাছ থেকে হাজার হাজার টাকা বিল আদায় করছে। কোন কোন ক্ষেত্রে সে বিলের মাত্রা লাখ টাকাও ছাড়িয়ে যাচ্ছে। রোগীর ব্যবহৃত ঔষধের দামও বাজার মূল্য থেকে কয়েকগুন বেশী আদায় করছে এসব অর্থলিপ্সু হাসপাতালগুলো। কোন নিয়ম নীতিরও তোয়াক্কা করছে না এ সব বেসরকারি হাসপাতাল মালিকরা। ইতিপূর্বে চট্টগ্রামের ১২টি বেসরকারি হাসপাতাল চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিভাগের সাথে চুক্তি সম্পাদন করে রোগীদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করার ঘোষণা দিলেও কার্যত চট্টগ্রামবাসীর সাথে প্রতারিত করেছে। স্বাস্থ্য বিভাগ তাদের সাথে বার বার আলোচনা এবং অনুরোধ করেও চট্টগ্রামের জনগনকে চিকিৎসা সেবা প্রদান করাতে ব্যর্থ হয়েছেন। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনাও তাদের নিকট কলাপাতার মতো। কি কারণে তারা চট্টগ্রামের মানুষকে স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত করবে তা সকলের মতো আমাদেরও বোধগম্য নয়। এদিকে বন্দর এবং আমদানি রপ্তানি অঞ্চল হওয়ার ফলে চট্টগ্রামে দিনের পর দিন বাড়ছে করোনা রোগী। তারপরও বেসরকারি হাসপাতালে মিলছে না কোনো চিকিৎসাসেবা। নগরীর বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে শতাধিক আইসিইউ শয্যা থাকলেও সেগুলোয় ঠাঁই মিলছে না কোনো কোভিড কিংবা নন-কোভিড রোগীর। করোনা আক্রান্ত কোনো রোগী ভর্তি না করিয়েই হাসপাতালে ভর্তির তথ্য দেখাচ্ছে এসব হাসপাতাল। আইসিইউতে কোনো রোগী না থাকলেও ভর্তি থাকার তথ্য দেখাচ্ছে প্রশাসনকে। গত ৩১ মে বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড-১৯ ও নন-কোভিড রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত ও তদারকি করতে সাত সদস্যের সার্ভেইল্যান্স কমিটি গঠন করেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার। উক্ত সার্ভেইল্যান্স কমিটিও বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে রোগী ভর্তি না করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে। তাই আমরা মনে করি সার্ভেইল্যান্স কমিটির তদারকি আরো বাড়ানো প্রয়োজন। তাছাড়া ঐ কমিটিতে বেসরকারি হাসপাতাল মালিকদের কোন প্রতিনিধি রয়েছে যারা সার্ভেইল্যান্স কমিটিকে ভূলপথে পরিচালিত করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। তিনি আরো বলেন যারা জনগনের স্বাস্থ্যসেবা নিয়ে দিনের পর দিন ছিনিমিনি খেলছে তাদের অভিযোগগুলো একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে তদন্তপূর্বক হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলসহ তাৎক্ষণিক জেল জরিমানা দিতে হবে। আমরা নাগরিক উদ্যোগের পক্ষ থেকে ইতিপূর্বে মহামান্য হাইকোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক চট্টগ্রামের সকল আইসিইউ এবং সিসিইউ বেডকে সেন্ট্রাল মনিটরিংয়ের আওতায় আনার অনুরোধ জানিয়েছিলাম। ঐ উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে বেসরকারি হাসপাতাল মালিকদের ভূয়া বুকিং বাণিজ্য বন্ধ হবে বলেও মত প্রকাশ করেন তিনি। জনাব সুজন পূণরায় বেসরকারি হাসপাতাল মালিকদেরকে তাদের গণবিরোধী কর্মকান্ড থেকে সরে আসার সবিনয় অনুরোধ জানান। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন আমরা অনেক ধৈর্য্য ধরেছি। আমাদের ধৈর্যের বাঁধ ভাঙ্গতে বাধ্য করবেন না। যদি তা না হয় তাহলে নাগরিক উদ্যোগ জনগনকে সাথে নিয়ে অভিযুক্ত হাসপাতালের সামনে কঠোর অবস্থান কর্মসূচী দিতে বাধ্য হবে। তিনি রোগীর স্বজনদের আহবান জানান যদি কেউ মনে করে কোন হাসপাতাল অস্বাভাবিক বিল প্রদান করেছে সে ক্ষেত্রে ঐ হাসপাতালের বিল যেন পরিশোধ করা না হয়। অযৌক্তিক বিল পরিশোধ করতে গিয়ে কারো ভিটে বাড়ি বিক্রি কিংবা বন্ধক রাখতে হলে সেটা হবে মানবতার শ্রেষ্ঠ অপরাধ। আমরা আবারো বলতে চাই নাগরিক উদ্যোগ জনগনের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিতের লক্ষ্যে কাউকে আর বিনা চ্যালেঞ্জে ছেড়ে দিবে না। তিনি বিভিন্ন ছদ্মাবরণে এসব গণদুশমনদের আশ্রয় প্রশ্রয় না দেওয়ার জন্যও সকলের নিকট আহবান জানান।
আজ যুগাবতার স্বামী বিবেকানন্দের ১১৮ তম মহাপ্রয়ান দিবস। বাংলা তথা সমগ্র ভারতবর্ষের সবচেয়ে বিখ্যাত দার্শনিক ছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ।তিনি একজন দার্শনিক ছাড়াও ছিলেন লেখক ও সঙ্গীতজ্ঞ মানুষও। তাঁর লেখা প্রত্যেকটা বই আজও সকল বাঙালী তথা সমগ্র দেশবাসীকে সমানভাবে মুগ্ধ ও অনুপ্রাণিত করে চলেছে।
স্বামী বিবেকানন্দ এমন একজন মহান ব্যক্তিত্ব ছিলেন যাঁর উচ্চ চিন্তাধারা, আধ্যাত্মিক জ্ঞান ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা প্রত্যেক মানুষের মনে এক গভীর ছাপ ফেলেছিলো। তাঁর অভূতপূর্ব দূরদর্শী মনোভাব ভারতের বিকাশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সেইসময়। স্বামী বিবেকানন্দের স্বভাব ছিলো খুব দুয়ালু প্রকৃতির। তিনি সাধারণ মানুষ ছাড়াও অনান্য জীবদেরও সমানভাবে ভালোবাসতেন। তিনি সর্বদা সবাইকে, প্রত্যেক জীবকে সমানভাবে ভালোবাসা দেওয়ার কথাও বলতেন। কারণ তাঁর মতানুযায়ী প্রত্যেক জীবের মধ্যেই ঈশ্বর বিরাজ করেন। স্বামী বিবেকানন্দ ভ্রাতৃপ্রীতি ও সবাইকে ভালোবাসা দেওয়ার নীতিতেও বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি মনে করতেন, ভ্রাতৃপ্রীতি ও সদ্ভাবের দ্বারা প্রত্যেকটা মানুষ তার জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারে।
তিনি এছাড়াও একজন প্রবল আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তি ছিলেন এবং সকলের উদ্দেশ্যে একসময় বলেছিলেন – “যতক্ষণ না আপনি নিজের উপর বিশ্বাস করতে পারবেন, ততক্ষণ অবধি আপনি ঈশ্বরকেও বিশ্বাস করতে পারবেন না”
শনিবার, ০৪ জুলাই,দুপুর ১২ টায় কোতোয়ালী থানা এলাকার পাগলাপীর অটিস্টিক স্কুল প্রাঙ্গণে মানবিকতার আবেদনকে প্রাধান্য দিয়ে ৩০ জন প্রতিবন্ধী ও দরিদ্র মানুষের মাঝে রংপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে সেলাই মেশিন বিতরণ করেন বাংলাদেশ পুলিশের উজ্জ্বল নক্ষত্র, রংপুর জেলা পুলিশের মানবিক পুলিশ সুপার,জনাব বিপ্লব কুমার সরকার,বিপিএম (বার) পিপিএম,পুলিশ সুপার, রংপুর।
Daily Local Voice
এসময় বিপ্লব সরকার বলেন, বিশাল প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীকে বাদ দিয়ে দেশে সার্বিক উন্নয়ন সম্ভব নয়। প্রতিবন্ধীদের দক্ষ করে স্বনির্ভর করে গড়ে তুলতে হবে।পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে স্ববলম্বী করতে হবে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের উন্নয়নে এ কার্যক্রম রংপুর জেলা পুলিশের অব্যাহত থাকবে।
Daily Local Voice
তিনি আরো বলেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক হোন, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে রংপুর জেলা পুলিশের পাশাপাশি কোতোয়ালী থানার পুলিশ সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ থেকে বাঁচতে নিজে সতর্ক থাকুন, অন্যকে সতর্ক থাকতে সচেতনামূলক পরামর্শ দেন তিনি।
প্রতিবন্ধী ও দরিদ্র মানুষের মাঝে রংপুর জেলা পুলিশের উদ্যোগে সেলাই মেশিন বিতরণ অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন,জনাব আবু তৈয়ব,মোঃ আরিফ হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল) রংপুর, জনাব মোঃ আশরাফুল আলম, সহকারী পুলিশ সুপার (এসএএফ) রংপুর এবং কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ এবিএম সাজেদুর রহমান প্রমুখ।
বারো মাসে তেরো পার্বণ, তবেই না বাঙালি! আর আম-জাম-কাঠাল নিয়ে মধুমাস আসে সেই পার্বণ রাঙাতে। কিন্তু করোনার ছোবলে সব কিছুই এখন স্থবির। এদিকে সরকারের নির্দেশে সব ছুটিও বন্ধ। দিনরাত এক করে পুলিশের সব সদস্যই এখন মাঠে। পুলিশের বেশিরভাগ পরিবার পরিজন রেখে লড়ে যাচ্ছে এ দেশের জন্য। তাদের জীবনে মধুমাস বলে কিছু নেই। কিন্তু একজন মানবিক পুলিশ সুপার হিসেবে তাদের কথা ঠিকই মনে রেখেছেন রংপুর জেলা পুলিশের মানবিক পুলিশ অফিসার বিপ্লব সরকার।
Daily local voice
আজ রংপুর জেলার সম্মানিত পুলিশ সুপার জনাব বিপ্লব কুমার সরকার,বিপিএম (বার),পিপিএম এর পক্ষ থেকে জেলা পুলিশের সকল সদস্যের মধ্যে রংপুরের বিখ্যাত হাড়িভাঙ্গা আম ও জাতীয় ফল কাঠাল বিতরণ করা হয়। ইতিমধ্যে বিপ্লব সরকারের নির্দেশে জেলার সকল পুলিশ সদস্যদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নিয়মিতভাবে ভিটামিন-সি স্যাশেট, গাভীর দুধ, জিংক ট্যাবলেট সরবরাহ করা হচ্ছে। এর ফলে ফোর্সের সদস্যদের মধ্যে ব্যাপকভাবে করোনা সংক্রমণের হার কমে এসেছে। এছাড়া তাঁর প্রত্যক্ষ তদারকি ও নির্দেশনায় করোনাযুদ্ধে আক্রান্ত সকল পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় ঔষধ ও পথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। তাদের উত্তম চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ৭৮ জন করোনাযোদ্ধা পূর্ণাঙ্গভাবে সুস্থ হয়ে ফিরে এসে আবার কাজে যোগ দিয়েছেন। বাকিরাও সুস্থতার পথে।
চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পৌরসভায় ৩০ শয্যা বিশিষ্ট করোনা অাক্রান্ত রোগীদের জন্য আইসোলেশন সেন্টারের শুভ উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্টানে,প্রধান অতিথি ও উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী এম পি মহোদয়।এসময় তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে করোনা রোগীদের জন্য তৈরি আইসোলেশন সেন্টারের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন, বাঁশখালী উপজেলা পরিষদের ইউ এন ও জনাবা মোমেনা আক্তার, বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা,সরল ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং সরল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব রশিদ আহমদ চৌধুরী, বাঁশখালী উপজেলা চেয়ারম্যান সমিতির সভাপতি, ৫ নং কালিপুর ইউনিয়ন পরিষদের সুযোগ্য চেয়ারম্যান জননেতা এডভোকেট আনম শাহাদৎ আলম।
এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন বাঁশখালী উপজেলা যুবলীগের সভাপতি এবং ৪নং বাহারছড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাজুল ইসলাম,চাম্বল ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি এবং চাম্বল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুজিবুল হক চৌধুরী,ছনুয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি জিল্লুল করিম শরিফী, গন্ডামারা ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি মাফফুজ,ছনুয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুন চৌধুরী, ৩নং খানখানাবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট বদরুদ্দিন চৌধুরী, ৩ নং খানখানাবাদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি নজরুল ইসলাম, পুকুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সেলিম আকতার, পুকুরিয়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মাহবুব আলী, পৌরসভা যুবলীগের আহ্বায়ক হামিদ উল্লাহ্, পৌরসভা আওয়ামীলীগ নেতা মাহমুদুর রহমান সহ বাঁশখালী উপজেলা আওয়ামীলীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
করোনা ভাইরাসের ভয়াল থাবায় যখন বিশ্ববাসী অভিশপ্ত জীবন যাপন করছে ঠিক এমন সময় করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাবের শুরু থেকে সামাজিক দায়বদ্ধতার কথা চিন্তা করে যাচ্ছে প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল। এরই ধারাবাহিকতায় ২ই জুলাই বৃহস্পতিবার করোনা আইসোলেশান সেন্টার চট্টগ্রামে এক্স-রে মেশিন হস্তান্তর করে স্কুল কতৃপক্ষ।এই উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মিডল স্কুলের বাংলা শিক্ষক সৌমিত্র কানুনগো।
Daily Local Voice
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী (এম.পি)।অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) ও বেসরকারি ক্লিনিক সার্ভিলেন্স কমিটির আহবায়ক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলার সিভিল সার্জন ডা. শেখ ফজলে রাব্বি, বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বদিউল আলম পাভেল, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ চট্টগ্রাম মহানগর সহ-সভাপতি আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু,চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. সেলিম আকতার চৌধুরী।
মাননীয় শিক্ষা উপমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার জন্য প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি এ প্রসঙ্গে প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল কর্তৃক আয়োজিত ফিজিক্স অলিম্পিয়াডের কথা ও তুলে ধরেন এবং স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের দেশি-বিদেশি বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে কৃতিত্ব অর্জনের বিষয়টি তিনি স্মরণ করেন। পৃথিবীর নামী-দামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃত্তি নিয়ে বাংলাদেশী ছাত্রছাত্রীদের উচ্চ শিক্ষা অর্জনের যে সুযোগ প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল তৈরি করে দিয়েছে, সে জন্য স্কুলের সাথে সম্পৃক্ত সকলকে ধন্যবাদ জানান।” প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান আশরাফুল হক খান স্বপন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার জনাব দেবদূত মজুমদার, পাঁচলাইশ থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব আবুল কাসেম, প্রেসিডেন্সি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল পরিচালনা পর্ষদের সম্মানিত ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব মোঃ গোলজার আলম আলমগীর, পরিচালক প্রফেসর ড. আমির মুহাম্মদ নসরুল্লাহ বাহাদুর, স্কুল উপাধ্যক্ষ জনাব ই.ইউ.এম ইনতেখাব, জনাব ফিরোজ চৌধুরী, জনাব মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, পাঁচলাইশ আবাসিক এলাকা কল্যাণ সমিতির সেক্রেটারি আবু সাঈদ সেলিম। করোনা আইসোলেশান সেন্টারের পক্ষে এক্স-রে মেশিনটি গ্রহণ করেন মো: সাজ্জাদ হোসেন, এডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী, নুরুল আজিম রনি। উদ্যোক্তাদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন নাজিম উদ্দিন শিমুল, গোলাম সামদানি জনি, জাওয়াদ চৌধুরী প্রমুখ।