
আজ যুগাবতার স্বামী বিবেকানন্দের ১১৮ তম মহাপ্রয়ান দিবস। বাংলা তথা সমগ্র ভারতবর্ষের সবচেয়ে বিখ্যাত দার্শনিক ছিলেন স্বামী বিবেকানন্দ।তিনি একজন দার্শনিক ছাড়াও ছিলেন লেখক ও সঙ্গীতজ্ঞ মানুষও। তাঁর লেখা প্রত্যেকটা বই আজও সকল বাঙালী তথা সমগ্র দেশবাসীকে সমানভাবে মুগ্ধ ও অনুপ্রাণিত করে চলেছে।
স্বামী বিবেকানন্দ এমন একজন মহান ব্যক্তিত্ব ছিলেন যাঁর উচ্চ চিন্তাধারা, আধ্যাত্মিক জ্ঞান ও সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতা প্রত্যেক মানুষের মনে এক গভীর ছাপ ফেলেছিলো। তাঁর অভূতপূর্ব দূরদর্শী মনোভাব ভারতের বিকাশের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সেইসময়। স্বামী বিবেকানন্দের স্বভাব ছিলো খুব দুয়ালু প্রকৃতির। তিনি সাধারণ মানুষ ছাড়াও অনান্য জীবদেরও সমানভাবে ভালোবাসতেন। তিনি সর্বদা সবাইকে, প্রত্যেক জীবকে সমানভাবে ভালোবাসা দেওয়ার কথাও বলতেন। কারণ তাঁর মতানুযায়ী প্রত্যেক জীবের মধ্যেই ঈশ্বর বিরাজ করেন। স্বামী বিবেকানন্দ ভ্রাতৃপ্রীতি ও সবাইকে ভালোবাসা দেওয়ার নীতিতেও বিশ্বাসী ছিলেন। তিনি মনে করতেন, ভ্রাতৃপ্রীতি ও সদ্ভাবের দ্বারা প্রত্যেকটা মানুষ তার জীবনকে সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারে।
তিনি এছাড়াও একজন প্রবল আত্মবিশ্বাসী ব্যক্তি ছিলেন এবং সকলের উদ্দেশ্যে একসময় বলেছিলেন – “যতক্ষণ না আপনি নিজের উপর বিশ্বাস করতে পারবেন, ততক্ষণ অবধি আপনি ঈশ্বরকেও বিশ্বাস করতে পারবেন না”