চট্টগ্রাম উত্তরজেলা ছাত্রলীগনেতা অভি সেনের ইফতার বিতরণ

নিউজ ডেস্ক ঃ Daily local voice

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সুদীপ্ত অাকাশ রাজন

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে লক ডাউন থাকায় চট্টগ্রাম শহরের অফিস আদালত সহ সমস্ত দোকান পাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় কর্মহীন হয়ে পড়েছে বিভিন্ন পেশার মানুষ। বিশেষ করে ভিক্ষাবৃত্তি করে যারা অর্থ উপার্জন করে তাদের অবস্থা খুবই সংকটাপন্ন।এই সংকটময় অবস্থার মধ্যে শুরু হয়ে গেছে রমজান মাস। এতে করে রোজা রাখা মানুষ অর্থের অভাবে ইফতার সামগ্রী কিনতে পারছেন না। রোজা রাখা দরিদ্র ব্যাক্তিদের কথা চিন্তা করে এগিয়ে এসেছেন চট্টগ্রাম উত্তরজেলা ছাত্রলীগনেতা অভি সেন। তার সহযোগিতায় চকবাজারস্থ ধনিয়ার পুলে রোজা রাখা দিনমজুর,ভ্যান-রিকশা চালক,খেটে খাওয়া মানুষ এবং অসহায় পথচারীদের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন।ইফতারির প্যাকেটে ছিল ছোলা ভুনা,পিয়াজু,বেগুনী,আলুর চপ,পাকোড়া,খেজুর,জিলাপি ও বোতলজাত খাবার পানি।

তিনি বলেন,দেশের ক্রান্তিকালে করোনা প্রতিরোধে অসহায়দের মাঝে সুরক্ষা সামগ্রী,খাদ্য সামগ্রী, সেহরী ও ইফতার বিতরণ এবং কৃষকদের ধান কেটে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া থেকে শুরু করে একের পর এক মানবিক সহায়তা কার্যক্রম চালু রেখেছে চট্টগ্রাম উত্তরজেলা ছাত্রলীগ।।

বাড়ছে বেকারত্ব,নেই তুলনামূলক সুযোগ সুবিধা

মোহাম্মদ হোছাইন
সাংগঠনিক সম্পাদক
চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা ছাত্রলীগ

নিউজ ডেস্ক ঃ Daily local voice

‘বাঁশখালী’ স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলেও,বাংলাদেশের জন্মলগ্ন থেকে আমরা পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ।৭১পরবর্তী দীর্ঘ সময়ের পালাবদলে বাংলাদেশ আজ বিশ্ব দরবারে সমাদৃত।উন্নয়নের আলোকিত রোড-মডেল।হাজার বছরের সর্বশ্রেষ্ট বাঙালি,বাঙ্গালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭মার্চের সেই অমর উক্তি,আজ বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরে বিরাজমান।লক্ষণীয় দৃশ্যমান প্রতিচ্ছবি।
তিনি বলেছিলেন,
➡বাঙ্গালি জাতিকে কেউ কখনো দাবায় রাখতে পারবে না।

পারেনি,ভবিষতেও পারবে না ইনশাআল্লাহ।গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী,বিশ্বশান্তির অগ্রদূত দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুনিপুণ নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের সবচেয়ে সম্ভবনাময় দেশ সমুহের ১ম সারিতেই জায়গা করে নিয়েছে।দেশ এগিয়ে যাচ্ছে,এগিয়ে যাবে।হয়তো কেবল আমরাই পিছিয়ে।আমি বিশ্বাস করি,ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা,একটি দেশের ধারাবাহিক উন্নয়নে শুধু প্রতিবন্ধকতায় তৈরি করে না,কখনো কখনো আশীর্বাদ হয়েও ধরা দেয়।যদি আপনি/আপনারা বিশ্বাস করেন যে,,
✔যে জাতি যতবেশি শিক্ষিত,যে জাতি যতবেশি উন্নত।
✔যে জাতি যতবেশি আত্মনির্ভরশীল,সে জাতির উন্নয়ন,সময়ের তারতম্যে…….

উন্নত,অনুন্নত,উন্নয়নশীল কিংবা স্বল্পউন্নত,একটা দেশের কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন,ঠিক তখনই সম্ভব হয়,যখন অতিরিক্ত জনসংখ্যা রাষ্ট্রের বোঝা না’হয়ে,জনসম্পদে পরিনত হয়।বর্তমান সরকারের গৃহীত প্রতিটি পদক্ষেপ একটি উন্নত রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।সারাদেশে অপ্রত্যাশিত উন্নয়ন আর নানাবিধ অর্জনের মাঝেও প্রিয় বাঁশখালী আজ অবধি কারনে-অকারণে অবহেলিত,উপেক্ষিত,সুবিধা বঞ্চিত।যেখানে পাশ্ববর্তী যেকোন উপজেলার যুব-উন্নয়ন আর আত্ম-কর্মসংস্থানের সার্বিক চিত্র বলছে,বাঁশখালীবাসী আজো চরম অবহেলিত।যেখানে নেই তেমন কোন কর্মসংস্থানের সুযোগ সুবিধা,নেই উদ্দোক্তা হওয়ারও নূন্যতম সার্বিক সহযোগিতা।অথচ দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার চাকরির চেয়েও নতুন নতুন উদ্দোক্তা সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতাসহ সব ধরনের সুযোগ সুবিধা প্রদান করলেও,তার নূন্যতম প্রভাব পড়েনি অত্র জনপদে।যেখানে সামান্য মূলধনের অভাবে হাজার হাজার সুশিক্ষিত বেকার যুবক শত ইচ্ছে শর্তেও উদ্দোক্তা হতে পারছেন না।জননেত্রী শেখ হাসিনা একক সিদ্ধান্তে বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি উপজেলায় নতুন উদ্দোক্তাদের জন্য বিনা জামানতে ২লাখ টাকা,সর্বোচ্ছ ২০লাখ টাকা লোন দিচ্ছে কর্মসংস্থান ব্যাংক।অনুমোদন দিয়েছেন আরো একাধিক যুব উন্নয়ন প্রকল্পের।কিন্তু দুভাগ্য,এইসব সরকারি সুযোগ-সুবিধা কিংবা কর্মসংস্থান ব্যাংকের শাখা প্রতিষ্ঠা বাঁশখালীবাসীর প্রাণের দাবি হলেও তার যথার্থ বাস্তবায়ন আধু কি সম্ভব?
বাড়ছে প্রতিনিয়ত জনসংখ্যার চাপ,বাড়ছে বেকারত্ব,নেই প্রয়োজনীয় কর্মসংস্থান,আছে উদাসীনতা,আছে বেকারত্বের হতাশা।

আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন নগন্য কর্মী হিসেবে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি,বাঁশখালীর বেকার সম্যসা নিরুসনে নিম্নোক্ত বিষয় গুলোকে বাস্তবতায়ন করুন।দেশের উন্নয়ন তরান্বিত করার সুযোগধানে বাধিত করুন।

⚫বাঁশখালীতে নির্মাণাধীন কয়লা প্রকল্পে জনবল নিয়োগে বাঁশখালীবাসীর অগ্রাধিকার চাই।
⚫ আউটসোর্সিং (আইটিসি) প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের শাখা চাই।
⚫কর্মসংস্থান ব্যাংকের শাখা চাই।
⚫যুব-উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কার্যকর ভূমিকা চাই।
⚫সরকারী প্রতিষ্ঠান সমুহের বাঁশখালীস্থ শাখা চাই,যা পাশ্ববর্তী উপজেলায় বিদ্যমান।

লেখকঃ মোহাম্মদ হোছাইন

ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দিল চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ

নিউজ ডেস্ক ঃ Daily local voice
সাতকানিয়া প্রতিনিধি

করোনাভাইরাসের কারণে শ্রমিক সংকটে থাকা বোরো ধান কাটা মৌসুমে ‍সারা দেশে কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়েছে ছাত্রলীগ। তারই ধারাবাহিকতায় অসহায় কৃষকের সাহায্যে ধান কাটতে মাঠে নেমেছে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের কর্মীরা।প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে ও চট্রগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ নেতা এস.ডি. রিমনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে তার সহযোদ্ধাদের সাথে নিয়ে চট্টগ্রাম জেলার সাতকানিয়া উপজেলার ১১ নং কালিয়াইশ ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের রতন দাশ নামক এক গীরব কৃষকের জমির ধান কেটে মাড়াই করে কৃষকের ঘরে তুলে দিয়েছেন।তাদের এমন কর্মকান্ডে খুশি হয়ে চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগ পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন কৃষকরা।

এমন কাজে অংশগ্রহণ করতে পেরে উচ্ছ্বসিত ছাত্রলীগ কর্মী এস.ডি.রিমন। তিনি বলেন,আমরা নেত্রীর নির্দেশে কৃষকদের পাশে থেকে তাদের সহযোগিতা করতে পেরে আনন্দিত, সবসময় এমন মহান কাজ এবং নেত্রীর নির্দেশ মানতে প্রস্তুত থাকবো।

সিগারেটসহ সকল প্রকার তামাক পণ্যের উৎপাদন ও বিক্রি নিষিদ্ধ ঘোষণা

নিউজ ডেস্ক: Daily local voice

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ সুদীপ্ত অাকাশ রাজন

দেশে করোনা পরিস্থিতি আরও ভয়াবয় পর্যায়ের দিকে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সব তামাক কোম্পানির উৎপাদন, সরবরাহ, বিপণন ও তামাকপাতা ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ।

তামাক পণ্য বলতে সব ধরনের সিগারেট, বিড়ি, জর্দা, গুল, তামাক পাতা, তামাক ডাঁটা ইত্যাদিকে বোঝানো হয়ে থাকে।

মঙ্গলবার (১৮ মে) এই বিভাগের অধীন জাতীয় তামাক নিয়ন্ত্রণ সেলের সমন্বয়কারী যুগ্ম-সচিব মো. খায়রুল আলম শেখ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

চিঠিতে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে দেশের তামাক কোম্পানিগুলোকে উৎপাদন, সরবরাহ ও বিপণন করার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিশেষ অনুমতিপত্র প্রত্যাহার করার কথাও জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তামাককে কোভিড-১৯ সংক্রমণ সহায়ক হিসেবে চিহ্নিত করে এর ব্যবহার নিরুৎসাহিত করার কথা বলছে। ধূমপানের কারণে শ্বাসতন্ত্রের নানাবিধ সংক্রমণ এবং কাশিজনিত রোগ তীব্র হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এ বিষয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের একাধিক গবেষণা পর্যালোচনা করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সম্প্রতি জানিয়েছে, অধূমপায়ীদের তুলনায় ধূমপায়ীদের কোভিড-১৯ সংক্রমণে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। এছাড়াও গবেষণা দেখা গেছে, কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত ধূমপায়ীর মৃত্যুঝুঁকিও ১৪ গুণ বেশি। কোভিড-১৯ সংক্রমণ মোকাবিলায় ভারতসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে সাময়িকভাবে সিগারেট ও তামাকজাত পণ্য ক্রয়-বিক্রয়, সীসা বার, উন্মুক্ত স্থানে পানের পিক ফেলার মতো বিষয়গুলো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বাংলাদেশেও কোভিড-১৯ ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যক্ষ নির্দেশনায় সরকার কোভিড-১৯ মোকাবিলায় বহুমাত্রিক পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ ক্রমবর্ধমান কোডিড-১৯ রোগ প্রতিরোধে, শনাক্তকরণ ও চিকিৎসাসেবা প্রদানে সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের তামাক কোম্পানিগুলোকে উৎপাদন, সরবরাহ ও বিপণন করার জন্য শিল্প মন্ত্রণালয় কর্তৃক বিশেষ অনুমতিপত্র প্রদান করা পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে। জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা মোকাবিলা এবং স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি হ্রাস করতে প্রণীত সংক্রামক রোগ (প্রতিরোধ, নিয়ন্ত্রণ ও নির্মূল) আইন, ২০১৮-এ সংক্রামক রোগের বিস্তার রোধে বাজার, গণজমায়েত সাময়িকভাবে বন্ধ, দেশের অভ্যন্তরে এক স্থান থেকে অনা স্থানে চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু তামাক কোম্পানিগুলো শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে প্রাপ্ত নির্দেশনার অজুহাতে এ আইন লঙ্ঘন করে চলেছে।

এ কারণে কোভিড-১৯ সংক্রমণ ঝুঁকি কমানোর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী তামাকমুক্ত বাংলাদেশ পড়ার প্রত্যয় এগিয়ে নিতে সব তামাক কোম্পানির উৎপাদন, সরবরাহ, বিপণন ও তামাকপাতা ক্রয়-বিক্রয় কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে এ ব্যাপারে চিঠিতে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতাও কামনা করা হয়।

করোনায় মৃত দেহ দাফন ও সৎকারে ছাত্রলীগনেতার অাহ্বান

দাফন ও সৎকার প্রসঙ্গঃ বাঁশখালী

মোহাম্মদ হোসাইন
সাংগঠনিক সম্পাদক
চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা ছাত্রলীগ।।

নিউজ ডেস্কঃ Daily local voice


আজ বাঁশখালীতে করোনার আনুষ্ঠানিক সূচনা,১ম দিনেই না ফেরার দেশে দু’জন। সময়’ এখনো পড়ে আছে অনেকদূর,অথচ কেউ জানে না,এই থমকে যাওয়া পৃথিবীতে,কে কবে ‘কোথায় থেমে যাই। সভ্যতা এবং নিয়তি আমাদেরকে (মানব জাতিকে) এমন একটা পরিস্থিতির মুখোমুখি এনে দাড় করিয়েছে,যেখানে সবাই সবার,কিন্ত কেউ কারো নয়। এমন কি শেষ বিদায়ে নিজের আপন রক্তও নয়। সবখানেই আজ মৃত্যুর হাতছানি,যেন পালিয়ে বাঁচার সুযোগ নেই,এড়িয়ে যাওয়ার উপায় নেই। জম্ম মৃত্যু প্রকৃতির নিয়ম,উপরওয়ালার বিধান। তবে ডাক আসলে যেতেই হবে,আজ, নয়তো কাল।
প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে করোনা সংকট মোকাবেলায় বিত্তবানরা এগিয়ে আসুক,বা না আসুক,দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে সুসংগঠিত করতে,দেশের সাধারণ মানুষের সেবায় কাজ করতে’ বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সর্বস্তরের নেতাকর্মী নিজেদের জীবন বাজী রেখে মানবতার সেবায় সর্বোচ্চ ঝুঁকি নিতে ইতিহাসের পরিক্রমায় আজও বদ্ধপরিকর।

বাঁশখালীতে করোনার ভয়াবহতার আশংকা,এবং যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলা তথা করোনায় আক্রান্ত মৃত ব্যক্তিদের দাফন /সৎকারে স্বেচ্ছায় কাজ করতে আগ্রহী প্রিয় সংগঠনের এমন নেতাকর্মী, সহকর্মী,সহযোদ্ধারা নিজ নিজ ফেইসবুক ওয়ালে নিজের পরিচিত এবং আগ্রহের কারন উল্ল্যেখ করে পোস্ট করুন।১পর্যায়ে আমাদের ২০’জন নেতাকর্মীর প্রয়োজন,যারা স্বেচ্ছায় বিনা শর্তে কাজ করতে আগ্রহী।

বিঃদ্রঃ-
১) আগ্রহীদের অবশ্যই পরিবারের লিখিত অনুমতি থাকতে হবে।
২) টিমে যোগদানের পর থেকে নিজ পরিবারের সাথে যোগাযোগ (অনলাইন+মোবাইল ব্যতীত) বিচ্ছিন্ন রাখার দৃঢ় মনোবল থাকতে হবে।(বাধ্যতামূলক),
৩) টিমের সদস্য ব্যতীত সর্ব সাধারণ থেকে সাময়িক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।
৪) টিমের সব সদস্যরা নিদিষ্ট জায়গা অবস্থান করবে।
৫) ৬ জন সনাতন ধর্মাবলী সহযোদ্ধা প্রয়োজন অতীব জরুরী (নিদিষ্ট)!
৭) আগ্রহীকে অবশ্যই যেকোনো সময় করোনা টেস্টের মুখামুখি হতে হবে।

🌹আগ্রহীদের ফেইসবুক ওয়ালের পোস্ট পর্যালোচনা এবং সীমাবদ্ধতা গুলো যাচাই বাছাই শেষে ২০’সদস্যকে নিবন্ধন ফরম সরবরাহ করা হবে।যা সংরক্ষন করবে বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (#ইউএনও)।

👔সার্বিক সহযোগীতায় অবশ্যই থাকবেন,বাঁশখালী উপজেলা আওয়ালীগের অভিভাবকবৃন্দ।

👉আলহাজ্ব মোস্তাফিজুর রহমান এমপি মহোদয়,
👉আলহাজ্ব আব্দুল্লাহ কবির লিটন ভাই,
👉আলহাজ্ব মুজিবুর রহমান সিআইপি,
👉চৌধুরী মোহাম্মদ গালিব ভাই,
👉আলহাজ্ব খোরশদ আলম ভাই,
👉সাইফুদ্দীন আহমেদ রবি ভাই,
👉ডঃ জমির উদ্দিন শিকদার ভাই,
👉মোহান্মদ মাকসুদ ভাইসহ বাঁশখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সকল সাবেক নেতৃবৃন্দ।

প্রিয় ভাইদের কাছে সার্বিক সহযোগীতা চাই,এটা আমাদের অধিকার,ভিক্ষা নয়।
গাইডলাইন চাই,অনুদান নয়।গ্রুপিং নয়,ঐক্য চাই।

বিশ্বাস একটাই,’রাজনীতি’ কখনো মৃত্যুর চেয়ে বড় নয়। আসুন দল মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে করোনা সংকট মোকাবেলা করি,নিশ্চিয় আল্লাহ আমাদের পথ দেখাবেন,করোনার ভয়াল থাবা থেকে অবশ্যই বাংলাদেশের মানুষকে হেফাজত করবেন।

করোনায় আক্রান্ত রাউজান উপজেলা চেয়ারম্যান বাবুল

নিজস্ব প্রতিবেদকঃসুদীপ্ত অাকাশ রাজন

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত মৃত ব্যক্তিদের জানাজা ও দাফনের দায়িত্ব নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন রাউজান উপজেলার চেয়ারম্যান এ কে এম এহেসানুল হায়দার চৌধুরী বাবুল। গত ২৮ এপ্রিল রাউজানে এ ঘোষণা দিয়ে অসহায়দের মাঝে ত্রাণ বিতরণের জন্য উপজেলা ও নগরীর বিভিন্ন প্রান্তে ছুটে চললেও এবার নিজেই করোনায় আক্রান্ত হলেন তিনি। মঙ্গলবার (১৯ মে) ফৌজদারহাটে অবস্থিত বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (বিআইটিআইডি) প্রকাশিত রেজাল্ট থেকে এ তথ্য জানা যায়। চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রাউজান থেকে পরপর দুইবার নির্বাচিত এই উপজেলা চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ সভাপতির দায়িত্বে আছেন।

একজন করোনা যোদ্ধা তিলোত্তমার গল্প

নিজস্ব প্রতিবেদকঃসুদীপ্ত অাকাশ রাজন

সকলের তরে সকলে অামরা,
প্রত্যেকে অামরা পরের তরে।।
কামিনী রায়ের এই বাণী নানা সময়ে নানান মানুষের মধ্যে প্রতিফলিত হতে দেখেছি আমরা। তবে বিশাল এ পৃথিবীতে এই মানুষগুলোর সংখ্যা একেবারেই যৎসামান্য। তারপরও এই মানুষগুলি আছে বলেই আহাজারি পৃথিবীটা এখনও বাঁচার স্বপ্ন দেখে। হৃদয়হীনা এই পৃথিবীতে ভালোবাসার মেলবন্ধন তৈরি করা এক মহীয়সী নারীর গল্প বলব আজ।

তিলোত্তমা সিকদার।তিনি কাটপট্টি এলাকার বাসিন্দা ও সমাজসেবক হিরেন সিকদারের মেয়ে। পড়াশোনা করছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দুর্যোগ বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা বিভাগে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সদস্য,কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের উপ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক, সুফিয়া কামাল হল ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক।
মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য’ এই দায়িত্ববোধ থেকেই করোনার সংকটময় মুহূর্তে তিনি ক্লান্তিহীনভাবে সকাল-সন্ধ্যা ছুঁটে বেড়াচ্ছেন ক্ষুধার্ত মানুষের খোঁজে। দাঁড়াচ্ছেন পাশে, দিচ্ছে নানা সহায়তা, জোগাচ্ছেন সাহস আর প্রেরণা।দেশে মহামারি করোনা সনাক্ত হওয়ার পরপরই জনসচেতনতায় তৎপর হন ছাত্রলীগের এই নেত্রী। তিনি একজন নারী হয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন ইচ্ছাশক্তি মানুষকে কোথায় পৌঁছে দিতে পারে। করোনার মধ্যে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অসহায়,দরিদ্র,পথশিশু,রিক্সা-ভ্যান চালক এবং নিম্নবিত্ত মানুষের সঙ্গে তৈরি করেছেন ভালোবাসার এক মেলবন্ধন।প্রথম রোজা থেকে পঁচিশতম রোজা পর্যন্ত একটি ভ্যানে ইফতার নিয়ে শহরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে ঘুরে পথচারী ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে নিজ হাতে তৈরি ইফতার বিতরণ করছেন তিলোত্তমা সিকদার।রোদ বৃষ্টি উপেক্ষা করে শহরের এ প্রাপ্ত থেকে ওই প্রান্ত অসহায় দুস্থ মানুষের দ্বারে দ্বারে তার ছুঁটেচলা দিনে দিনে যেন এক স্বপ্নময় সমাজ বুনন করে চলেছে।ঘামঝরা দুপুরে এভাবে অবিরাম ছুটে চলেছেন দুস্থ মানুষগুলির মুখে একফালি চাঁদের হাসি ফুটাতে। শুধু ইফতারের আয়োজনই নয়, অর্থ-সংকটে পড়া অর্ধ-শতাধিক শিক্ষার্থীকে আর্থিক সহায়তা করেছেন তিনি।পাশাপাশি অসহায়দের বাড়িতে চাল,ডাল,আটাসহ প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী পাঠিয়েছেন।
একজন খোদ ছাত্রপ্রতিনিধির এরূপ ভালোবাসা যেন কাঠপট্টিবাসীকে নতুন রূপে প্রাণসঞ্চার করেছে।

তিলোত্তমা সিকদার বলেন,
১৯৪৮ সালের ৪ঠা জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হওয়া দক্ষিণ এশিয়ার সর্ববৃহৎ ছাত্রসংগঠন “বাংলাদেশ ছাত্রলীগ”
বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের সৃষ্টি থেকে অদ্যাবধি বাংলাদেশে ছাত্রলীগ এর প্রতিটি নেতা কর্মী নিজের জীবন বাজি রেখে দেশ মাতৃকার সেবায় নিয়োজিত ছিল, আছে এবং থাকবে।
তারই প্রেক্ষিতে, বাংলাদেশের এই ক্রান্তিলগ্নে জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে মানবতার সেবায় সবসময় ছিলাম,অাছি এবং থাকবো।

মহামারী ও মানবতা

এডভোকেট সুমন কান্তি সুশীল
সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক,
অাইনজীবী বিজয়া সম্মিলন পরিষদ,চট্টগ্রাম।

সৃষ্টি বড় রহস্যময়। এই রহস্যময় সৃষ্টির সেরা জীব মানুষ। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে অাধুনিকতার এই স্বর্ণময় যুগে অামরা কি সেটা গর্বের সাথে বলতে পারি?বর্তমানে মানুষ পশুর চেয়েও নিকৃষ্ট প্রাণীতে পরিণত হচ্ছে দিনের পর দিন।অামরাও হারাতে বসেছি অামাদের সুন্দর ও গৌরবগাঁথা প্রাচীন ঐতিহ্য ও ইতিহাস। সভ্যতা,মানবতা,সংস্কৃতি এবং মনুষ্যত্ব অাজ ভুলন্ঠিত অামাদের হীন কার্যকলাপ এবং বিকৃত রুচির জীবন ধারায়।মানুষের মধ্যে যখন মানবতার সৃজনশীল কর্মগুলোর উপস্থিত থাকে না, তখন সেই মানুষ পশুর চেয়েও অধম হয়ে পড়ে।এরই মধ্যে “করোনা” নামক মহামারী পুরো বিশ্বকে স্থম্বিত করে দিয়েছে। এই মহামারীর কারণে পুরো বিশ্ব অাজ অচল।বিশ্বের প্রতিটি মানুষ অাজ গৃহবন্দি।ব্যবসা-বাণিজ্য,রপ্তানি-অামদানি এবং বিশ্ব অর্থনীতি থেকে শুরু করে প্রতিটি সেক্টর অাজ মুখ তুবড়ে পড়েছে।মানুষ কর্মহীন হয়ে দীর্ঘদিন ধরে গৃহবন্দী। বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়।পথশিশু,দরিদ্র,নিম্নবিত্ত এবং মধ্যবিত্ত পরিবারের প্রায় সবাই এই মহামারীতে অনাহারে দিনাতিপাত করছে দিনের পর দিন। পথশিশু,নিম্নবিত্ত মানুষের কত রজনী কেটে যাচ্ছে দু’বেলা,দু’মুঠো অন্ন জুটবে কিনা সেই চিন্তায়। “করোনা” নামক এই মহামারীর দূঃসময়েও অামাদের দেশের অনেক মানুষরুপী অমানুষ সবার অন্তরালে তাদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করে চলেছে।

কোথায় গিয়ে অাজ মানবতার গান গাইবো?

যে দেশে মহামারীর এই দুর্দিনে চেয়ারম্যান এবং মেম্বার পদের ব্যক্তিরা গরীব,দীনহীন মানুষের ত্রাণের চাল,ডাল এবং তেল চুরি করছে নির্দ্বীধায়।

কোথায় গিয়ে অাজ মানবতার সন্ধান করবো?

যে দেশে মহামারীর এই চরম বিপর্যয়ে প্রকৃতি যখন অামাদের নতুন করে শিক্ষা দিচ্ছে এবং অামাদের চোখে অাঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে অামরা ভূল পথে চলছি। এইজন্য প্রকৃতি যখন সৃষ্টির সবার বাসযোগ্য করে গড়ে তোলার জন্য নতুন করে সাজতে শুরু করে ঠিক সেই সময়েও কিছু মানুষরুপী দানব সমুদ্রের তীরে খেলা করা ডলফিন,কাছিম সহ বিভিন্ন প্রাণীদের নির্বিচারে হত্যা করেছে।

কোথায় গিয়ে অাজ মানবতা খুঁজবো?

যে মা দশমাস দশদিন পেটে ধারণ করে,অসহ্য প্রসব যন্ত্রণা পেয়ে এই সুন্দর পৃথিবীতে জন্ম দিলেন,সেই মা’কে করোনা সন্দেহে জঙ্গলে ফেলে অাসে নিঃসংকোচে।

মানবতা অাজ কোথায়?

যে বাবা দিনের পর দিন মাথার ঘাম পায়ে ফেলে সন্তান কে সুশিক্ষিত করে তোলে সেই বাবা অাজ অবহেলিত,নিপীড়িত এবং নির্যাতিত।

এই মুহূর্তে কবি সুনির্মল বসু’র কবিতার লাইন গুলো খুব মনে পড়ছে,

অাকাশ অামায় শিক্ষা দিল
উদার হতে ভাইরে,
কর্মী হওয়ার মন্ত্র অামি
বায়ুর কাছে পাই রে।।

উপরে উল্লেখিত কবীর ভাবনাগুলো অামরা বাস্তবে কতটুকু উপলব্ধি করতে পেরেছি।
বর্তমানে অামরা চরম বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে অাছি।অপসংস্কৃতির ভেঁড়াজালে অাবদ্ধ হয়ে ধ্বংসের দিকে নিপতিত হচ্ছি প্রতিনিয়ত। কেউ মানবিকতা-মনুষ্যত্ব নিয়ে খুব একটা ভাবছি না। যারা নিজ উদ্যোগে এবং বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের মাধ্যমে গরীব-দুস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত সেবা দিয়ে চলেছে তাঁদের কাজের অগ্রগতিকে ব্যাঘাত করার জন্য কিছু অসাধু শ্রেণির মানুষ কটু কথা বলে উঠে পড়ে লেগেছে। সমাজ,দেশ এভাবে নোংরা প্রতিযোগিতার মধ্যে চলতে থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অামাদের থেকে কী শিখবে?এবং অামরা কী রেখে যেতে পারবো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য?
অামরা কী পারি না,ঐসব অপসংস্কৃতি ও বিকৃত চিন্তাধারার প্রতিযোগিতা থেকে বেরিয়ে এসে একে অপরের কাঁধে-কাঁধ মিলিয়ে সুস্থ ও সুন্দর সমাজ বিনির্মাণ করতে?
অামরা কী পারি না,সবার সুন্দর চিন্তাগুলো কে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রস্ফুটিত করে মনুষ্যত্বের সুন্দর বাগান সাজাতে?
তাহলে অাসুন না,সবায় মিলে করোনার এই দুর্দিনে যার যার অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ সচেতনতা অবলম্বন করে যেভাবে সম্ভব অবহেলিত,নির্যাতিত,নিপিড়ীত মানুষের পাশে এগিয়ে অাসি এবং সুস্থ-সুন্দর দেশ ও সমাজ গঠন করি।

পরিশেষে কবির সুরে বলি—–

অাপনারে লয়ে বিব্রত রহিতে
অাসে নাই কেহ অবণী পরে,
সকলের তরে সকলে অামরা
প্রত্যেকে অামরা পরের তরে।।