চকবাজার থানা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি লিটন দাশ (ইপ্তি) এর মমতাময়ী মা স্বর্গীয় রাজ বালা দাশ এর পরলোকগমনে চকবাজার থানা পূজা উদযাপন পরিষদের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করেন পরিষদের নেতৃবৃন্দ।
এসময় উপস্থিত ছিলেন চকবাজার থানা পুজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী বিপ্লব দাশ বাপ্পি, সিনিয়র সহ সভাপতি সাংবাদিক রুমন ভট্টাচার্য,যুগ্ম-সম্পাদক জয় সেন গুপ্ত,মহিলা সম্পাদিকা দেবিকা সাহা, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শ্যামল সুশীল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এসময় পরিষদের সভাপতি লিটন দাশ(ইপ্তি) পরিষদের সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তার পরিবারের জন্য আর্শিবাদ কামনা করেন।
গতকাল ২২ জুলাই বুধবার উদ্বোধন হল রাঙ্গুনিয়া চশমা বিতান।উপজেলার ৩নং স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়নের শান্তিনিকেতন বাজারে সর্ব প্রথম চশমা দোকান।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩ নং স্বনির্ভর রাঙ্গুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ নূর উল্লাহ, বিশেষ অতিথি রাঙ্গুনিয়া উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু তৈয়ব সিদ্দিকী, আরও উপস্থিতি ছিলেন অভিজিৎ দে, (ইউ পি সদস্য) সভাপতিত্ব করেন দেবনাথ সমাজ কল্যাণ পরিষদের সম্মানিত সভাপতি বঙ্কিম দেবনাথ, এতে আরও উপস্থিতি ছিলেন দেবনাথ সমাজ কল্যাণ পরিষদের সম্মানিত অর্থ সম্পাদক বাবু দুলাল দেবনাথ এবং রাঙ্গুনিয়া সার্বজনীন গীতা সংঘের প্রতিষ্ঠাতা বাবু টিটু কুমার দত্ত, মোহাম্মদ রহিম উদ্দীন, সামু দে সহ সকল শুভাকাঙ্ক্ষী ও রাঙ্গুনিয়া চশমা বিতান এর পরিবারবর্গ।
চট্টগ্রামের ফটিকছডির মেয়ে সাবরিনা চৌধুরী। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী সম্পন্ন করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় পড়াকালীন বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে সক্রিয় ভাবে যুক্ত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া বাকি আট-দশজন শিক্ষার্থীর মতো চাকরি করার ইচ্ছে নেই সাবরিনার। সাবরিনার লক্ষ্য, নিজের উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবেন।
সাবরিনা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া প্রায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীরই লক্ষ্য থাকে বিসিএস ক্যাডার হবে বা বড় চাকরি করবে তবে আমার লক্ষ্যটা ছিল একটু ব্যতিক্রম, আমার লক্ষ্য, আমি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি করবো। ছোট থেকে সবসময় বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রমের সাথে জড়িত থাকার কারণে আগ্রহটা আরো বেশী হতে লাগলো।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় লোকপ্রশাসন বিভাগ থেকে পড়াশুনো করেছি, তার পাশাপাশি রাজনীতি করি। অনেকদিন ধরেই ভাবছিলাম উদ্যোক্তা হিসেবেও নিজেকে গড়ে তুলবো কিন্তু সম্প্রতি করোনাকালীন কঠিন পরিস্থিতি চলে আসায় আমার স্বপ্নের বাস্তব রূপ দেওয়া কষ্টকর হয়ে যায়, তাই এই সময় অনলাইনেই নিজের লক্ষ্য বাস্তবায়ন করার সবচেয়ে ভালো প্লাটফর্ম মনে হলো নিজের কাছে।
নিজের লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে নিজের ফেসবুক প্রোফাইল হতে পোস্ট করলাম আমি এমন কিছু প্রতিভার অধিকারী ব্যাক্তির খোঁজ করছি যারা বিভিন্ন হস্তশিল্প সহ আমাদের দেশীয় পণ্য নিজে তৈরি করতে পারে ঘরে বসেই কিন্তু কাজে লাগাতে পারছেনা, আমি তাদের নিয়ে কাজ করতে চাই। এতে তাদেরও কর্মসংস্থান হবে আমারো উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হবে।আলহামদুলিল্লাহ, পোস্ট দিয়ে সাড়া পেলাম বেশ কয়েকজনের। একজন প্রতিবন্ধী ভাই বেত শিল্প তৈরি করেন, কিছু বোন নকশী কাঁথা করেন আর কেউ গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী সুস্বাদু পিঠা।
সাড়া পেয়ে শুরু করলাম আমার পথ চলা অনলাইন পেজের মাধ্যমে। নাম দিলাম আমার মায়ের নামে ‘ওয়াসিমা মার্ট’ । সবে মাত্র শুরু অনলাইনের মাধ্যমে কিন্তু ভবিষ্যতে একে অফলাইন জগতে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনা আছে। সকলের ভাল সাড়া পেলে আমার দেশীয় এই শিল্পগুলো বিদেশে পাঠিয়ে দেশের হয়ে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে গর্বিত অংশীদার হতে চাই।
আমার অনুপ্রেরণা আমার পরিবার ও আমার পাশে থাকা সকল শুভাকাঙ্ক্ষী। রাজনীতিতে যেমন মানুষের ভালবাসা জয় করি উদ্যোক্তা হিসেবেও মানুষের ভালবাসা জয় করার প্রত্যাশা আছে, যেন মানুষের জন্য কিছু করতে পারি।
মহামারি করোনা ভাইরাস এ দুর্দিনে অকালে ঝড়ে পড়ে গেল ক্যান্সার আক্রান্ত সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়নের পাঁচ বছরের সেই ছোট্ট অবুঝ শিশু অংকন দাশ। শিশু অংকন দাশকে সনাতনী ধর্মীয় রীতিতে সব বিধি মেনে সৎকার করা হয়। সৎকার কাজে মানবতার সেবায় ছুটে যায় বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা মৃতদেহ সৎকার টিম। এ কাজে,উপস্থিত ছিলেন সৎকার টিম এর সম্মানিত যুগ্ম আহ্বায়ক মাষ্টার বিকাশ চন্দ্র দে, সদস্য এ.এস.আনন্দ দাশ,সদস্য দেবাশীষ দাশ,সদস্য শিমুল পাল, সদস্য রিপন পাল, বিপ্লব দাশ প্রমুখ। এসময় উক্ত মৃত শিশুর পিতা ও পরিবারের সকলকে সান্তনা প্রদান করেন, বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদ চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার সদস্য সচিব মাস্টার বিকাশ চন্দ্র দে, তিনি বলেন, মৃত ব্যাক্তির আদ্ধশ্রাদ্ধ অনুষ্ঠানের পুর্বে সংগঠন থেকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ঝুঁকির মুখে থাকা দেশগুলোর জোট ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরামের (সিভিএফ) দূত নির্বাচিত হয়েছেন সায়মা ওয়াজেদ হোসেন।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, অটিজম বিষয়ক জাতীয় উপদেষ্টা পরিষদের সভাপতি সায়মাসহ মোট চারজনকে ফোরামের ‘থিমেটিক অ্যাম্বাসেডর’ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সিভিএফের বর্তমান সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে তাদেরকে এই দায়িত্ব গ্রহণের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
জুনের শুরুতে দ্বিতীয়বারের মত ‘ক্লাইমেট ভালনারেবল ফোরাম’ বা সিভিএফ এবং ‘ভালনারেবল টোয়েন্টি’ বা ভি-২০ গ্রুপের সভাপতির দায়িত্ব নেয় বাংলাদেশ। ২০২০-২০২২ মেয়াদে এ দুই জোটের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পররাষ্ট মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সিভিএফের সভাপতির দায়িত্ব নেওয়ার পর আকাঙ্ক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থায়ন, সংসদ, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও ঝুঁকিকে ছয়টি মূল বিষয় হিসাবে চিহ্নিত করেছে বাংলাদেশ।এর মধ্যে ঝুঁকির বিষয়ে ‘থিমেটিক অ্যাম্বাসেডর’ হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মহাপরিচালকের উপদেষ্টা সায়মা।
অন্যদিকে আকাঙ্ক্ষা বিষয়ে নাশিদ, সংসদ বিষয়ে লেগার্দা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিষয়ে এমপানু দায়িত্ব পালন করবেন। এর বাইরে ’সংস্কৃতি’ ও ’অর্থায়ন’ বিষয়ে মার্শাল আইল্যান্ড ও কোস্টারিকা থেকে আরও দুইজনকে দূত হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব নিয়ে প্রচারের মাধ্যমে বিভিন্ন অংশীজন ও গ্রুপকে সচল করতে ভূমিকা রাখবেন এই দূতেরা। বিশেষ করে প্যারিস চুক্তির আলোকে এই শতকে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির হার যাতে প্রাক শিল্পায়ন যুগের চেয়ে ১ দশমিক ৫ সেন্টিগ্রেডের মধ্যে রাখা যায়, সেই লক্ষ্য নিয়ে তারা কাজ করবেন।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, থিমেটিক অ্যাম্বাসেডররা সিভিএফ সভাপতির এজেন্ডা ও প্রধান অগ্রাধিকারগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সহায়তা এবং জলবায়ুর ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষায় সরকার এবং সরকারের নির্বাহী বিভাগের বাইরে নতুন পথ উন্মোচনেও ভূমিকা রাখবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বাংলাদেশ কর্তৃক বাঁশখালী উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটিতে আগামী ৩ বছরের জন্য সভাপতি নিযুক্ত হলেন বাঁশখালী উপজেলা ২নং সাধনপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান লায়ন শেখর দত্ত।
গ্রামের মানুষ আর বন্ধুদের বিবৃতিতে জানা যায় লায়ন শেখর দত্ত কর আইনজীবী হিসেবে সুনামের সাথে পথচলা একজন সাদা মনের মানুষ। সর্বদা সমাজের অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়াই যার নেশা। মানুষ মানুষের জন্য, এই মন্ত্রে দীক্ষিত হয়েই হয়তো দেশের যে কোনো দুর্যোগে যে কোন সময় এই শেখর দত্তদের মতো মহান মানুষ গুলো সবসময় অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়। এছাড়া করোনা মহামারীতে এই মানুষটি তার সীমিত আয়ের মধ্যে থেকেও অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়িয়ে সহায়তা করেছে। এদের মতো সাদা মানের মানুষ গুলো নিজ নিজ অবস্থান থেকে সর্বদা অসহায় মানুষকে নিরবে সহযোগিতা করে যায়।
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বাংলাদেশ কর্তৃক বাঁশখালী উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটিতে আগামী ৩ বছরের জন্য সভাপতি নিযুক্ত করায় বাঁশখালীর জনসাধারণ তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।
এ.বি.এম মহিউদ্দিন চৌধুরী ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায় রুমকি সেনগুপ্তের ব্যবস্থাপনায় আজ দেওয়ান বাজার ওয়ার্ডের বলুয়ার দিঘীর পাড়ে বিনামূল্যে চিকিৎসার সেবা প্রদানে হ্যালো ডাক্তার কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত চিকিৎসাসেবা কর্মসূচি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ গাউছিয়া কমিটির সভাপতি সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ্ব পেয়ার মোহাম্মদ,উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হ্যালো ডাক্তার এর ২১ টি ওয়ার্ডের সমন্বয়ক কাউন্সিলর জহরলাল হাজারী।
উক্ত চিকিৎসা ক্যাম্পে ডাক্তার সজীব তালুকদার, ফাল্গুনী তলাপাত্র এবং প্রদীপ মার্মার তত্ত্বাবধানে ১০০ জনকে এ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়, এতে আরও উপস্থিত ছিলেন ২০নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ এর সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবু তৈয়ব ছিদ্দীকি,কুতুব উদ্দিন সেলিম, নুরুল আবছার, জাহেদ রেজা,মুজিবুর রহমান, আনোয়ারুল ইসলাম জুয়েল, আসদাক হায়দার সানি,শাহারিয়ার দিপু, অপু ধর,ফরহাদ, লিটন দাশ, নিপু শর্মা প্রমুখ।
ক্রিয়েট রুম নামে ফেসবুকে একটা নতুন ফিচার যুক্ত হয়েছে। এই ফিচারটি প্রথমে মেসেঞ্জারে আসলেও এখন ফেসবুকেও চলে এসেছে। করোনা এর জন্য লকডাউন হওয়ার কারনে ভিডিও কনফারেন্সিং এর দিকে ঝোক বেড়ে যায়।যার ফলে বিভিন্ন ভিডিও কনফারেন্সিং এ্যাপের ব্যবহার বেড়েছে। যার মধ্যে অন্যতম জুম এ্যাপ টির ব্যবহার খুব বেড়ে গেছে।
জুম এ্যাপের সাথে টেক্কা দিয়ে ফেসবুক একটি নতুন ফিচার আনে সেটাই হচ্ছে ফেসবুক রুম বা মেসেঞ্জার রুম। মেসেঞ্জার এর প্রেসিডেন্ট স্ট্যান চেরনোভসকি এক ব্লগ পোস্টে বলেছেন “নিউজফিড, গ্রুপ ও ইভেন্টস এও রুম শেয়ার করে শুরু করা যাবে।”
রুম ফিচারে একসাথে ৫০ জন ভিডিও কনফারেন্স করতে পারবে।ফেসবুক একাউন্ট না থাকলেও যে কেউ শেয়ায় লিংক এর মাধম্যে রুমে জয়েন হতে পারবে। শুধু এনড্রয়েড নয় iOS, Windows ও Macos ব্যবহারকারী রাও রুমের সুবিধা নিতে পারবে।
এখন শুধু ফেসবুকে থাকলেও ভবিষ্যতে হোয়াটসঅ্যাপ, ইন্সটাগ্রামেও এই ফিচার চালুর জন্য গবেষনা চালু করা হবে। এটা নিয়ে গবেষনা চালানো হচ্ছে।
এই ফিচার এর সুবিধা নেয়ার জন্য ফেসবুক ও মেসেঞ্জার হালনাগাদ এ্যাপ থাকতে হবে। যদি তা না থাকে তাহলে পিসি থেকেও লিংক শেয়ার এর মাধ্যমে রুমে যুক্ত হওয়া যাবে।এপ্রিলের দিকে এই ফিচার শুরু হওয়ার কথা থাকলেও এখন ফেসবুকে এসেছে।
কিভাবে শুরু করবেন ক্রিয়েট রুম। প্রথমে ফেসবুক বা মেসেঞ্জার থেকে ক্রিয়েট রুম লেখা অপশন এ যাবেন।তারপর আপনি লিংক টা শেয়ার করবেন বা ইনভাইট করে এখানে জয়েন করতে পারবেন। ৫০ জন অনায়াসে কোনো টাইম লিমিটেশন ছাড়াই এই সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন।প্রয়োজনে যাকে ইচ্ছা চাইলে যে কোনো সময় রিমুভ ও করা যাবে।
ফেসবুকের দাবি, তাদের রুম সেবাটি ব্যবহারকারীর প্রাইভেসির বিষয়টি মাথায় রেখ তৈরি করা হয়েছে।
ব্যবহারকারীদের কোনো আলোচনা দেখবে বা শুনবে না ফেসবুক। রুম সৃষ্টিকারী কে যুক্ত হবে, কে দেখবে, নতুন অতিথির জন্য রুম লক নাকি আনলক থাকবে, তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।
গত ১২ জুলাই ২০২০ ইং তারিখ বহিরাগত সন্ত্রাসীরা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ইন্টার্ণ চিকিৎসকদের ওপর অতর্কিতভাবে হামলা করে। এতে প্রায় ৩৬ জন ইন্টার্ণ চিকিৎসক আহত হয়েছেন। সন্ত্রাসী হামলাকারীদের মদদ দাতা গোষ্ঠী উল্টো ইন্টার্ণ চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা সাজানো মামলা দায়ের করেছে।
তারই প্রতিবাদে আজ চট্টগ্রামের অন্যান্য মেডিকেল কলেজ গুলোর সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে মানববন্ধন করে বিজিসি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ ইন্টার্ণ ডক্টর এসোসিয়েশন।
এসময় উপস্থিত বক্তারা বলেন, এই মহামারী পরিস্থিতিতে হাসপাতালে ডাক্তাররা নিজেদের জীবন বাজি রেখে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন কিন্তু এমন সময়ে এই ন্যাক্কারজনক এবং সম্পূর্ণ উদ্দেশ্য প্রনোদিত সন্ত্রাসী হামলার প্রতি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই বি জি সি ট্রাস্ট মেডিকেল কলেজ ইন্টার্ণ চিকিৎসক পরিষদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন ডা:আসিফ উদ্দৌলা,ডা:বাবলু ধর,ডা:অরুপ দেব নাথ সহ অন্যান্যরা। এসময় বক্তারা হামলাকারীদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের আওতায় আনতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
♦দক্ষিণ চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পুকুরিয়া চাঁদপুর-বৈলগাঁও চা বাগানে। ক্লোন চা উৎপাদন করায় এই বাগানটি বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষ স্থানে রয়েছে।
♦বাঁশখালীতে অবস্থিত ৩ হাজার ৪ শত ৭২.৫৩ একর জায়গাজুড়ে অবস্থিত এই চা-বাগানটি। লোক মুখে জানা গেছে, ১৯১২ সালে ইংরেজরা বাগানটি শুরু করেন তখন বাগানের ম্যানেজার ছিলেন হিঙ্গিন। তবে রেকর্ড পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, চট্টগ্রাম জেলাধীন বাঁশখালী উপজেলার লট হল ও লট চানপুর মৌজায় অবস্থিত চাঁদপুর বেলগাঁও চা-বাগানটি ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের পর থেকে মালিকানার অনুপস্থিতিতে অব্যবস্থাপনার সম্মুখীন হয়। ক্রমান্বয়ে বাগানের অধিকাংশ জমি স্থানীয় অধিবাসীদের অবৈধ দখলে চলে যায়।
♦পরবর্তীতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত রায় বাহাদুর জমিদারের মালিকানায় ছিল। জমিদার রায় বাহাদুরের জন্ম ছিল কুন্ড পরিবারে। তাই এই বাগান পূর্বে কুন্ড চা-বাগান নামে খ্যাত ছিল। ১৯৬৫ সালের একটি গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অর্পিত সম্পত্তি হিসেবে বাগানটি অর্পিত চা-বাগানসমূহের চিফ কাস্টুডিয়ান চা-বোর্ডের উপর ন্যস্ত করা হয়।
নিউজ ডেস্কঃ দৈনিক লোকাল ভয়েস
♦পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের ৯ মার্চের একটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তৎকালীন ইপিএমবি এর ব্যবস্থাপনাধীন আরও কতিপয় চা-বাগানসহ চাঁদপুর বেলগাঁও চা-বাগানটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পরিত্যক্ত চা-বাগানগুলো পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ চা-বোর্ডের আওতায় গঠিত বাংলাদেশ টি ইন্ডাস্ট্রিজ ম্যানেজম্যান্ট কমিটির (বিটিআইএমসি) উপর ন্যস্ত করা হয়। কিন্তু ইপিএমবি ও বিটিআইএমসি কোনো প্রতিষ্ঠানই চায়ের অস্তিত্ব বিহীন এ বাগানটির বেদখলীয় জমির দখল উদ্ধার করে চা-চাষাবাদ করতে পারেনি। ১৯৬৫ সাল থেকে ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ২০ বছর বাগানটি পরিত্যক্ত ছিল। এই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৮৫ সালে চট্টগ্রামের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের (রাজস্বকে) মাধ্যমে চা-বোর্ড প্রায় ৮ (আট) একর জমির উপর চা-চাষ শুরু করে।
♦অতপর মাত্র ৮ (আট) একর চা-বাগানটি বাংলাদেশ চা-বোর্ড ১৯৯২ সালে মে মাসের ৫ তারিখে স্বাক্ষরিত চুক্তিপত্র অনুযায়ী চাঁদপুর বেলগাঁও চা-বাগানটি ব্যবস্থাপনার জন্য জনাব রাগীব আলীর স্বত্বাধিকারী বাঁশখালী টি কোম্পানীর নিকট হস্তান্তর করেন। অতপর ২০০৩ সালে বাঁশখালীটি কোম্পানির সমূদয় শেয়ার ব্র্যাক ক্রয় করে এবং কোম্পানি আইন ১৯৯৪ এর বিধান অনুযায়ী এ কোম্পানিকে ব্র্যাক বাঁশখালী টি কোম্পানি লিঃ নামকরণ করেন। এখানে প্রতিদিন ৭ শতাধিক শ্রমিক এই চা বাগানে তাদের শ্রমের মাধ্যমে নতুন পাতা উৎপাদন ট্রেসিং থেকে শুরু করে চা-বাগানের সামগ্রিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
♦বাঁশখালীর চা সারাদেশে মানের দিক দিয়ে অন্যতম স্থানে অবস্থান করলেও চট্টগ্রামে প্রথম স্থানে রয়েছে বলে জানান চা বাগানের ম্যানেজার আবুল বাশার। চলতি ২০১৮সাল বছরে ৩ লাখ ৫০ হাজার কেজি চা উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে চা বাগান কর্তৃপক্ষ তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রতি বছর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে চা-পাতা তোলা না হলেও অপরাপর সময়ে চা-শ্রমিকরা তাদের কর্মঘণ্টা অনুসারে ২৫ কেজি চাপাতা তুলে থাকেন। শ্রমিকরা প্রতিদিন চাপাতা বাগান থেকে তুলে থাকেন। চা বাগানের অভ্যন্তরে ৭ শতাধিক কর্মচারী নাগরিক সুযোগ-সুবিধা, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষাসহ অন্যান্য সার্বিক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে বলে জানান চা-বাগানের ম্যানেজার আবুল বাশার। দেশের ১ম স্থান অধিকারী সিলেটের মধুপুর চা-বাগান। এর পরপরই বাঁশখালীর এই বাগানের অবস্থান। এদিকে চা-বাগান কর্তৃপক্ষ নিজস্ব উদ্যোগে প্রতিদিন বাগানের সর্বত্র আধুনিক উপায়ে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করায় প্রতিদিনই নতুন নতুন কচি পাতা গজে উঠছে। বর্তমান শীত মৌসুম আসতে না আসতেই এই চা-বাগানে পর্যটকরা ভিড় জমাচ্ছেন বাগানের নতুন কচি পাতা গজে উঠার দৃশ্য দেখার জন্য। বাঁশখালীর বৈলগাঁও পুকুরিয়া সরকার চা বাগান পরিদর্শনকালে বাগানের ম্যানেজার আবুল বাশারের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, বাঁশখালীর এই বিশাল চা বাগানের চা পাতা সারা দেশে সুখ্যাতি রয়েছে। যার ফলে দেশের যত সব চা বাগান রয়েছে বাঁশখালীর চা বাগানের পাতা মানের দিক দিয়ে অন্যতম স্থানে রয়েছে এবং চট্টগ্রামে অন্যতম স্থানে রয়েছে। এই মানের জন্য চা বাগানের কর্মরতরা প্রতিদিন অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের উৎপাদন যত বৃদ্ধি পায় সরকার রাজস্ব তত বেশি পায়।