মহান মুক্তিযুদ্ধে যাদের আত্ম ত্যাগের বিনিময়ে এই দেশটা পেয়েছি তারাই আজ অসহায়। কয়জনেই আমরা তাদের খবর রেখেছি?স্বাধীনতার সুফল ভোগ করার আগে যাদের শ্রম এবং রক্তের বিনিময়ে অামরা এই স্বাধীনতা পেয়েছি তাদেরই অসহায়ত্ব স্বাধীনতা নামক শব্দটাকে কতটুকু কলংকিত করেছে সেটাই ভাবনার বিষয়।
তাঁদেরই একজন বীর সৈনিক বীরাঙ্গনা রত্না চক্রবর্তী।তাঁর এমন অসহায়ত্বের খবর পেয়ে মাত্র ভালোবাসার উপহার সামগ্রী নিয়ে ছুঁটে গেলেন চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিক সবুজ।
সুভাষ মল্লিক সবুজ বলেন,অনলাইন পোর্টালে নিউজের মাধ্যমে গতকাল অামি তাঁর দুরাবস্থার কথা জানতে পারি এবং জানার পর পরই আজকে দ্রুত ছুঁটে যায় উনার বাসায়।সবাই আমার জন্য আশির্বাদ করবেন যেন এই ভাবে দেশের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করতে পারি।
দেশবাসী ও বিশ্বের সব মুসলমানদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রামজেলা অাইনজীবী সমিতির সাবেক অর্থ-সম্পাদক এবং সুপ্রিম কোর্টের বিশিষ্ট অাইনজীবী এডভোকেট রফিকুল অালম।
এডভোকেট রফিকুল অালম বলেন, বাংলাদেশ ও সারা বিশ্বের মুসলমানদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক। আমি বিশ্ব মুসলিমের অব্যাহত সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করি।
তিনি বলেন,বিশ্বব্যাপী করোনাভাইরাসের আঘাতে এবারে হয়তো পূর্বের ন্যায় সবাইকে নিয়ে ঈদের আনন্দ উদযাপন করা সম্ভব হবে না। তবুও আমরা যে যেখানেই থাকি না কেন ঘনিষ্ঠজন, নিকটজনসহ সবাই ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেব। কোনো অসহায় ও দুস্থ মানুষ যেন অভুক্ত না থাকে সেজন্য যারা সচ্ছল ব্যক্তি তারা যেন তাদের পাশে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন, যাতে নিরন্ন মানুষরাও ঈদের আনন্দের অংশীদার হতে পারে। তিনি অারো বলেন, পবিত্র এ দিনে বাংলাদেশের প্রতিটি গৃহে প্রবাহিত হোক শান্তির অমিয় ধারা। পবিত্র ঈদুল ফিতরে আমি এই কামনা করি।
দেশ বিদেশে অবস্হানরত সকল নাগরিকদেরকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগাম আইন কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি,ফটিকছড়ি সমিতিরহাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক,বাংলাদেশ আওয়ামী যুব আইনজীবী পরিষদ চট্টগ্রাম জেলা শাখার যুগ্ম-আহবায়ক এবং চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর এড.মো:মনজুরুল আজম চৌধুরী। করোনাকালীন এই সংকটাপূর্ণ সময়ে মুসলমান সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর পালন করবেন সবাই। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলেই ঈদের দিনে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ থেকে শুরু করে আনুষাঙ্গিক কাজকর্ম পালন করার জন্য আহবান জানিয়েছেন তিনি।
এক বিশেষ বার্তায় তিনি বলেন, সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশও আজ করোনার ভয়াল থাবায় বিপর্যস্ত। জন-জীবন আজ থমকে আছে। জীবন ও জীবিকা রক্ষার তাগিদে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন। আমাদের সকলের উচিত সরকার নির্দেশিত সকল নিয়মাবলি মেনে চলা। তিনি সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মঙ্গল কামনা করেছেন এবং ঈদ যেনো সবার জীবনে অনাবিল সুখ,শান্তি আর সমৃদ্ধি নিয়ে আসে তা প্রত্যাশা করেছেন। এবং সকলের কাছে দোয়া ও প্রার্থনা করেছেন, আমরা যেনো এই করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পারি অচিরেই এবং আমরা যেনো আমাদের পাশের প্রতিবেশী ভাই/বোনটির যেনো খোঁজ-খবর রেখে প্রয়োজনীয় সহায়তার হাত বাড়িয়েদি। করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের সহমর্মিতার হাত যেনো প্রসারিত করি, তাদের যেনো আমরা মানসিক শক্তি যোগাই, এই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। করোনার এই দুঃসময়ে একে অপরের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে এবারের ঈদ পালনে আহবান জানিয়েছেন। পাশাপাশি ঈদের এই সময়ে নিজের পরিবার পরিজনকে সময় দিয়ে ঘরে থাকার মধ্যেই আনন্দ উপভোগে আহবান রেখেছেন।
দেশ বিদেশে অবস্হানরত সকল নাগরিকদেরকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগাম আইন কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি,ফটিকছড়ি সমিতিরহাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক,বাংলাদেশ আওয়ামী যুব আইনজীবী পরিষদ চট্টগ্রাম জেলা শাখার যুগ্ম-আহবায়ক এবং চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর এড.মো:মনজুরুল আজম চৌধুরী। করোনাকালীন এই সংকটাপূর্ণ সময়ে মুসলমান সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর পালন করবেন সবাই। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলেই ঈদের দিনে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ থেকে শুরু করে আনুষাঙ্গিক কাজকর্ম পালন করার জন্য আহবান জানিয়েছেন তিনি।
এক বিশেষ বার্তায় তিনি বলেন, সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশও আজ করোনার ভয়াল থাবায় বিপর্যস্ত। জন-জীবন আজ থমকে আছে। জীবন ও জীবিকা রক্ষার তাগিদে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন। আমাদের সকলের উচিত সরকার নির্দেশিত সকল নিয়মাবলি মেনে চলা। তিনি সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মঙ্গল কামনা করেছেন এবং ঈদ যেনো সবার জীবনে অনাবিল সুখ,শান্তি আর সমৃদ্ধি নিয়ে আসে তা প্রত্যাশা করেছেন। এবং সকলের কাছে দোয়া ও প্রার্থনা করেছেন, আমরা যেনো এই করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পারি অচিরেই এবং আমরা যেনো আমাদের পাশের প্রতিবেশী ভাই/বোনটির যেনো খোঁজ-খবর রেখে প্রয়োজনীয় সহায়তার হাত বাড়িয়েদি। করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের সহমর্মিতার হাত যেনো প্রসারিত করি, তাদের যেনো আমরা মানসিক শক্তি যোগাই, এই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। করোনার এই দুঃসময়ে একে অপরের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে এবারের ঈদ পালনে আহবান জানিয়েছেন। পাশাপাশি ঈদের এই সময়ে নিজের পরিবার পরিজনকে সময় দিয়ে ঘরে থাকার মধ্যেই আনন্দ উপভোগে আহবান রেখেছেন।
দেশ বিদেশে অবস্হানরত সকল নাগরিকদেরকে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগাম আইন কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি,ফটিকছড়ি সমিতিরহাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক,বাংলাদেশ আওয়ামী যুব আইনজীবী পরিষদ চট্টগ্রাম জেলা শাখার যুগ্ম-আহবায়ক এবং চট্টগ্রাম জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর এড.মো:মনজুরুল আজম চৌধুরী। করোনাকালীন এই সংকটাপূর্ণ সময়ে মুসলমান সম্প্রদায়ের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর পালন করবেন সবাই। ধনী-দরিদ্র নির্বিশেষে সকলেই ঈদের দিনে সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঈদের নামাজ থেকে শুরু করে আনুষাঙ্গিক কাজকর্ম পালন করার জন্য আহবান জানিয়েছেন তিনি।
এক বিশেষ বার্তায় তিনি বলেন, সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশও আজ করোনার ভয়াল থাবায় বিপর্যস্ত। জন-জীবন আজ থমকে আছে। জীবন ও জীবিকা রক্ষার তাগিদে গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ হাতে নিয়েছেন। আমাদের সকলের উচিত সরকার নির্দেশিত সকল নিয়মাবলি মেনে চলা। তিনি সকল সম্প্রদায়ের মানুষের মঙ্গল কামনা করেছেন এবং ঈদ যেনো সবার জীবনে অনাবিল সুখ,শান্তি আর সমৃদ্ধি নিয়ে আসে তা প্রত্যাশা করেছেন। এবং সকলের কাছে দোয়া ও প্রার্থনা করেছেন, আমরা যেনো এই করোনা পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে পারি অচিরেই এবং আমরা যেনো আমাদের পাশের প্রতিবেশী ভাই/বোনটির যেনো খোঁজ-খবর রেখে প্রয়োজনীয় সহায়তার হাত বাড়িয়েদি। করোনা আক্রান্ত ব্যক্তিদের সহমর্মিতার হাত যেনো প্রসারিত করি, তাদের যেনো আমরা মানসিক শক্তি যোগাই, এই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। করোনার এই দুঃসময়ে একে অপরের সাথে আনন্দ ভাগাভাগি করে এবারের ঈদ পালনে আহবান জানিয়েছেন। পাশাপাশি ঈদের এই সময়ে নিজের পরিবার পরিজনকে সময় দিয়ে ঘরে থাকার মধ্যেই আনন্দ উপভোগে আহবান রেখেছেন।
চট্টগ্রামের এস আলম পরিবার যখন পুরো শক্তি নিয়ে লড়ে যাচ্ছে প্রাণঘাতি করোনাভাইরাসের সঙ্গে, তখন সেই পরিবারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সদস্যটি দেশের বাইরে— সিঙ্গাপুরে। তিনি এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম মাসুদ। সেখান থেকেই তিনি অবাক বিস্ময়ে দেখলেন, মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের শীর্ষস্থানীয় এই বিত্তশালী পরিবারটি এক করোনাঝড়েই রীতিমতো বিধ্বস্তপ্রায়।
সিঙ্গাপুর লিটল ইন্ডিয়ার বাড়িতে বসেই অন্তত সাতটি ব্যাংকের মালিক সাইফুল আলম মাসুদ দেশ থেকে যাওয়া দুঃসংবাদ শুনে যাচ্ছেন ঘন্টায় ঘন্টায়, আঘাত সয়ে চলেছেন একের পর এক। এ সময়ে নিজের বড় ভাইয়ের মৃত্যু ছাড়াও নিজের পীরের মৃত্যুসংবাদ শুনতে তো হয়েছেই, করোনার সঙ্গে মা-ভাই-ছেলের অসম লড়াইয়ের বেদনাও তাকে পোড়াচ্ছে প্রতিনিয়ত।গত শনিবারও (২৩ মে) বিমর্ষ সাইফুল আলম মাসুদ দেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের ফোন করে বলেছেন একটি কথাই— ‘আল্লাহরে হ’। আল্লাহরে ডাকো। আল্লাহ ছাড়া কেয়াই বাচাইত ন’ পারিব।’ (আল্লাহকে বলো। আল্লাহকে ডাকো। আল্লাহ ছাড়া আর কেউ বাঁচাতে পারবে না।)
বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণের শুরুতে ১৮ মার্চ সিঙ্গাপুরে যান সাইফুল আলম মাসুদ। সিঙ্গাপুর যাত্রাকালে তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ফারজানা পারভীন পপি, মেজ ছেলে আশরাফুল আলম ও ছোট ছেলে মাহির আলম। পারিবারিক সূত্রে এটি শিল্পপতি মাসুদের ‘ব্যবসায়িক সফর’ বলা হলেও অনেকের ধারণা, করোনার কবল থেকে মুক্তি পেতেই দেশ ছাড়েন তিনি। কাকতালীয়ভাবে যেদিন তিনি দেশ ছাড়েন, বাংলাদেশে সেদিনই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত প্রথম কোনো রোগী মারা যান। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে কেবল বড় ছেলে আহসানুল আলম মারুফ তার স্ত্রী ও চার মাস বয়সী সন্তানসহ চট্টগ্রামে থেকে যান। সিঙ্গাপুরে সাইফুল আলম মাসুদের নিজস্ব বাড়ি রয়েছে। পরিবারসহ বর্তমানে সেখানেই অবস্থান করছেন তিনি।
পারিবারিক সূত্রটি বলছে, ব্যবসায়িক কাজে গিয়ে লকডাউনে তিনি আটকা পড়ে যান সিঙ্গাপুরে। এই আটকা পড়ার সময়ে প্রথম আঘাতটি আসে গত রোববার (১৭ মে)। ওইদিন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের ল্যাবের পরীক্ষায় সাইফুল আলম মাসুদের পরিবারের ৬ সদস্য করোনা পজিটিভ রোগী হিসেবে শনাক্ত হন। এরা হলেন এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের পরিচালক ৬২ বছর বয়সী মোরশেদুল আলম, এস আলম গ্রুপের পরিচালক ৬০ বছর বয়সী রাশেদুল আলম, এস আলম গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান ৫৩ বছর বয়সী আবদুস সামাদ লাবু, ইউনিয়ন ব্যাংক ও এস আলম গ্রুপের পরিচালক মোহাম্মদ শহীদুল আলম এবং এস আলম গ্রুপের পরিচালক ৪৫ বছর বয়সী ওসমান গণি। এছাড়া করোনায় আক্রান্ত হন তার এক ভাইয়ের স্ত্রীও।এরপর দ্বিতীয় আঘাতটি আসে পরিবারের বাইরে থেকে— বুধবার (২০ মে) বিকেলে। ওইদিন ঢাকার আনোয়ার খান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান চট্টগ্রাম বায়তুশ শরফ দরবার শরীফের পীর মাওলানা কুতুব উদ্দীন। ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপজনিত সমস্যায় ভুগলেও মৃত্যুর পর দেওয়া রিপোর্টে তার শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এই পীরের ভক্ত ছিলেন সাইফুল আলম মাসুদসহ পুরো এস আলম পরিবারই। যে কোনো কাজে পীর মাওলানা কুতুব উদ্দীনের দোয়া ও পরামর্শ নিতেন এস আলম পরিবার। নিজের পীরকে চট্টগ্রামের মেট্রোপলিটন হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করার খবর পেয়েই বিমর্ষ ছিলেন শিল্পপতি মাসুদ। এর মাত্র একদিন পর যখন সেই পীরের মৃত্যুসংবাদ সিঙ্গাপুরে পৌঁছালো, তখন রীতিমতো স্তব্ধ সাইফুল আলম মাসুদ। তার পারিবারিক সূত্র বলছেন, ‘পীর কুতুবউদ্দিনের মৃত্যুতে তিনি খুবই শোকাভিভূত ছিলেন। পীরের প্রতি তার অন্তরে অসম্ভব শ্রদ্ধা ছিল সবসময়ই।’
ফজর থেকে এশা পাঁচ ওয়াক্ত সঠিক সময়ের মধ্যে নামাজ পড়ানোর দায়িত্ব পালন করেন মসজিদের ইমাম। আর এ প্রতিটি নামাজের আগেই সময় মেনে আযান ও ইক্বামত দেন মুয়াজ্জিন। খুব বেশি শারিরীক অসুস্থতা না থাকলে ঝড়-বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যেই এ দুই পদে নিয়োজিত ব্যক্তিরা দায়িত্ব পালন করে চলেন নিয়মিত। ধর্মপ্রাণ মানসিকতার পাশাপাশি পেশা হিসেবেও এই দায়িত্ব পালন করেন তারা।তবে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, পেশা হিসেবে বেছে নিলেও মসজিদ কমিটি থেকে পাওয়া অর্থে সংসার চলে না, অভাব-অনটন লেগেই থাকে। তাদের কথা চিন্তা করে ২১ নং জামালখান ওয়ার্ড কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন এর পক্ষ থেকে জামালখানস্থ ১৫ টি মসজিদ ও ১টি মাদ্রাসার ইমাম-মুয়াজ্জিনদের ঈদের বিশেষ উপহার প্রদান করা হয়।
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক সৌরভ কুমার সাহা।পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহর অব্যাহত শান্তি,অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি।
সৌরভ কুমার সাহা বলেন, এবার পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এমন একটি সময়ে সমাগত যখন বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সমগ্র বিশ্বের মানবসমাজ। আমাদের পরিবার-পরিজন,বন্ধু-বান্ধব, পরিচিতজন অনেকেই আক্রান্ত। আমরা অনেকেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত আপনজনকে হারিয়েছি। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ঘরবন্দী থেকে মানুষের জীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিসহ। এমনই সময় পবিত্র ঈদ এসেছে আনন্দের বার্তা নিয়ে। তাই জনসমাগম এড়িয়ে সচেতনতার সঙ্গে ঘরে অবস্থান করেই ঈদ উদযাপন করতে হবে।পারস্পারিক ভ্রাতৃত্ববোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও দায়িত্বশীল আচরণ অনুশীলন এবং করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে শারীরিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মধ্য দিয়েই শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হোক পবিত্র ঈদুল ফিতর।
ছাত্রনেতা অসীত বরণ বিশ্বাসের ব্যাক্তিগত উদ্যোগে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষে প্রায় ১০০ জন ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীদের মাঝে ঈদ উপহার প্রদান করা হয়, এছাড়াও করোনা ভাইরাসের কারণে সংকটে পড়া অসহায় ও দু:স্থ মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এই ছাত্রলীগ নেতা,করোনাকালীন বিভিন্ন সময়ে শুভাকাঙ্ক্ষীদের সহায়তায় তার মাধ্যমে খাদ্য সামগ্রী সহায়তা পেয়েছেন প্রায় ২০০ পরিবার।
Daily local voice
ছাত্রলীগের সংগঠক ও জেলা নির্মূল কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অসীত বরণ বিশ্বাস এ বিষয়ে বলেন, দেশের এমন বিপদে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে একটু সহায়তা করার প্রচেস্টা মাত্র। আর যেহেতু ঈদের আমেজটা ছাত্রলীগ কর্মীদের জন্য এবার অনেকটাই ফিকে, করোনা মহামারীর কারণে তাই তাদের জন্য সামান্য ঈদ উপহার নিয়ে ঈদের আনন্দ ভাগ করে নেয়ার প্রচেষ্টা মাত্র।
তিনি আরো বলেন,বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সম্মানিত সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ভাই ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য দাদার নির্দেশনা মেনে প্রাণের সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একমাত্র অভিভাবক বঙ্গবন্ধু তনয়া দেশরত্ন শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে সামর্থ্য অনুযায়ী ছাত্রলীগের বিভিন্নস্তরের নেতা-কর্মীদের এসব উপহার ও করোনা সংকটে অসহায়-দু:স্থ মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের মাধ্যমে পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।।
পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে সাতকানীয়াবাসী এবং দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা অাওয়ামীলীগের সদস্য,রুপালি ব্যাংকের সাবেক পরিচালক,চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি অাবু সুফিয়ান।পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে তিনি দেশবাসী ও মুসলিম উম্মাহর অব্যাহত শান্তি,অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন।
অাবু সুফিয়ান বলেন,এবার পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর এমন একটি সময়ে সমাগত, যখন বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত সমগ্র বিশ্বের মানবসমাজ। আমাদের পরিবার-পরিজন,বন্ধু-বান্ধব, পরিচিতজন অনেকেই আক্রান্ত। আমরা অনেকেই করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত আপনজনকে হারিয়েছি। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছে। দীর্ঘদিন ঘরবন্দী থেকে মানুষের জীবন হয়ে উঠেছে দুর্বিসহ। এমনই সময় পবিত্র ঈদ এসেছে আনন্দের বার্তা নিয়ে। তাই জনসমাগম এড়িয়ে সচেতনতার সঙ্গে ঘরে অবস্থান করেই ঈদ উদযাপন করতে হবে।
তিনি অারো বলেন, ঈদ সাম্য,মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ করে সব মানুষকে। সৌহার্দ্য,সম্প্রীতি,সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্বের চেতনায় উদ্ভাসিত পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরে আমাদের মাঝে গড়ে উঠুক বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাস সহ সকল সংকট জয়ের সুসংহত-বন্ধন। পারস্পারিক ভ্রাতৃত্ববোধ, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও দায়িত্বশীল আচরণ অনুশীলন এবং করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে শারীরিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার মধ্য দিয়েই শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হোক পবিত্র ঈদুল ফিতর।