রাজনীতি ও প্রজন্মের দাসত্ব।Daily Local Voice

মুক্তসংলাপঃ দৈনিক লোকাল ভয়েস

ছাত্র রাজনীতিকে বলা হয় নেতৃত্ব তৈরির বাতিঘর বা আঁতুড়ঘর।
বাংলাদেশে ছাত্রলীগ ও ছাত্র রাজনীতির একটি গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস রয়েছে, রয়েছে অনেক ঐতিহাসিক অর্জন। সেই ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন, ১৯৬৬ সালের ৬ দফা, ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান, ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম ও ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারী এরশাদবিরোধী আন্দোলন, ২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে আন্দোলন সহ সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে ছাত্রসমাজ বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সহ প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে এবং তাদের দৃশ্যমান সক্রিয় ভূমিকা অনস্বীকার্য।
যদিও আমাদের দেশে ছাত্র রাজনীতির যেসব অর্জন আছে, তা বিশ্বের আর কোনো দেশে নেই তবে বহির্বিশ্বের দিকে যদি তাকিয়ে দেখি, তাহলে সেখানেও আমরা ছাত্রসমাজের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা দেখতে পাব।
কিন্তু সময় এখন উল্টো স্রোতে হাঁটছে, ছাত্র রাজনীতির সেই উজ্জ্বল সুসময় এখন আর নেই, এখন দেশে একটা বিপদজনক রাজনীতিবিমুখ প্রজন্ম বেড়ে উঠছে, যাদের কাছে জিজ্ঞেস করলেই তারা স্মার্টলি জবাব দেয়, “আমি রাজনীতি পছন্দ করি না”। শুধু নতুন প্রজন্মই নয়, সব বয়সের মানুষের মধ্যেই রাজনীতি নিয়ে এক ধরনের অনীহা বা নেতিবাচক ধারনা কাজ করে৷
সাধারণ মানুষ রাজনীতিকে এক ধরনের ভয় পায়, তাই তারা দূরে থাকেন। এখন আর কেউ চান না তার সন্তান ছাত্ররাজনীতি করুক । আর আমাদের মন্ত্রী এমপি বা নেতা-আমলারা তো তাদের সন্তানদের বিদেশেই পড়ান। তাই দেশ, রাজনীতি বা ছাত্ররাজনীতি গোল্লায় গেলেও তাদের যেন কিছু যায় আসে না । এই রাজনীতি বিমুখ প্রবণতা দেশ ও জাতির জন্য সত্যিই অনেক বিপদজনক ।
এই প্রজন্ম শুনতে চায়না, বলতে চায়না, করতে চায়না, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে চায়না, এদের ভিতরে ভিতরে দাসত্ব তৈরি হচ্ছে, এরা উচ্চ শিক্ষিতের পাশাপাশি অতি শিক্ষিত হবে, সচিব হবে বা আমলা হবে এটুকুনই তাদের স্বপ্ন, এতেই তারা খুশি, কারন হাজার হাজার কোটি টাকা লোপাট করার অগাধ সুযোগ একমাত্র এই আমলা যন্ত্রেই আছে। অথবা এসব কথিত মেধাবীরা বিদেশে সেটেল্ড হওয়ার স্বপ্ন দেখে, এদেশের ধুলাবালি আর ইনসিকিউরড জীবনযাপন তাদের কোন কালেই ভালো লাগেনি, তারা শুধু সুযোগের অপেক্ষায় আছে।
এই দাস আর মেরুদণ্ডহীন স্বার্থপর জনগোষ্ঠী নিয়ে এদেশ আদৌ কতটা আগাতে পারবে তা নিয়ে আমি সত্যিই সন্দিহান। তারা জানেনা চালের মূল্য কত, আটার মূল্য কত, আলুর মূল্য কত বা সয়াবিন তেলের মূল্য। এসবে এদের কিছু যায় আসেনা, তারা বিভোর বিসিএস নিয়ে, তারা মগ্ন উন্নত দেশে সেটেল্ড হওয়ার স্বপ্নে।

তবে আমি ব্যক্তিগত ভাবে তুমুল রাজনীতিপ্রিয় একজন মানুষ, রাজনীতিকে অসম্ভব ভালবাসি, আমি অন্তর দিয়ে অনুভব করি কত বেশি রাজনীতির প্রয়োজনীয়তা। এদেশের চাল ডাল নুনের মূল্য থেকে শুরু করে সবকিছুই রাজনীতিবিদেরাই নিয়ন্ত্রন করেন। রাজনীতির বাহিরে কিছু চিন্তাও করতে পারিনা, চিন্তা করার সুযোগও আসলে নেই।
বর্তমান রাজনীতিতে অনেক সমস্যা আছে জানি, তাও আমি বিশ্বাস করি, রাজনীতিই আমাদের শেষ ভরসা৷ আমরা যত সমালোচনাই করিনা কেন, রাজনীতিবিদরাই কিন্তু দেশ চালান, দেশ ও জনগণের নীতিনির্ধারণ করেন৷
আমি এও বিশ্বাস করি সবচেয়ে খারাপ গণতন্ত্রও অন্য যে কোনো শাসন ব্যবস্থার চেয়ে অনেক ভালো।
রাজনীতি নোংরা নয়, রাজনীতি খারাপও নয়, ভদ্র লোকেরা রাজনীতি বিমুখ হচ্ছে বলে বা দেশপ্রেমি মানুষ গুলো রাজনীতি থেকে দূরে থাকছে বলেই রাজনীতি আজ খারাপ ও নোংরা মানুষদের দখলে চলে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত।

বাংলাদেশের ইতিহাস দেখলে দেখা যাবে এদেশে গণমানুষের এই নেতৃত্ব তৈরি হতো ছাত্র রাজনীতির মাধ্যমেই। বর্তমানে ছাত্ররাজনীতিতে মানসম্মত বা গুনগত নেতৃত্ব তৈরি হচ্ছেনা বলেই জাতীয় রাজনীতিতে এর দারুণ প্রভাব পড়ছে। এই সুযোগই কাজে লাগাচ্ছে সরকারি আমলা ও কর্পোরেট ব্যবসায়ীরা। একসময় ছাত্ররাজনীতি করে ছাত্র ও জনবান্ধব বিভিন্ন ইস্যুতে দাবী আদায়ের জন্য রাজপথে আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে, জেল জুলুম খেটে, জনমানুষের সমর্থন ও ভালবাসা নিয়ে নিঃস্বার্থ সাদামাটা দেশপ্রেমী মানুষ গুলোই তিলে তিলে জননেতা হয়ে উঠতো, কিন্তু এখন জননেতা হওয়ার জন্য এসবের কিছুই লাগেনা।
সরকারী সাবেক বড় আমলা, কোন বাহিনীর সাবেক হর্তাকর্তা অথবা বড় ব্যবসায়ী বা ইন্ডাস্ট্রিয়ালিস্টরা এসে হুট করেই বিভিন্ন দলে নেতা বনে যাচ্ছে, যা দেশের সামগ্রিক রাজনীতির জন্য অশনী সংকেত ও বিপদজনক হুশিয়ারি।
বর্তমান রাজনীতি আমাদের চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে ছাত্ররাজনীতি ও ছাত্রনেতাদের রাজনৈতিক দৈন্যতা।
ছাত্রনেতাদের মধ্যে গুনগত পরিবর্তন না আসলে এদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি আর রাজনৈতিক নেতাদের হাতে থাকবেনা। তখন আমলা, সচিব, বিভিন্ন বাহিনী, ব্যবসায়ী আর বিদেশে পালিত রাজপুত্ররাই হুট করে এদেশে এসে দেশ চালাবে, বাংলা ইংরেজি মিশ্রিত আধুনিক ভাষা আমাদের গেলাবে। হাইভ্রীড আর সুযোগ সন্ধানীদের জয়জয়কার হবে চতুর্দিকে।

যদিও অনেক দেরী হয়ে গেছে তবে এখনো শেষ হয়ে যায়নি, সময় আছে এখনো। ছাত্র রাজনীতিকে ঢেলে সাজান, নতুন নেতৃত্ব তৈরি করুন, সময় মতো ছাত্র সংগঠন ও ছাত্র সংসদের কমিটি গুলো দিন, তাদের গলা চেপে না ধরে কথা বলার সুযোগ দিন। মেধাবীদের রাজনীতি করতে উৎসাহী করুন, রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি ছাত্রসংগঠনের কর্মকাণ্ড কমিয়ে আনুন, কর্মকাণ্ড থাকলেও তা যেন ছাত্র ও জনবান্ধব হয় সেটা নিশ্চিত করুন।
রাজনৈতিক নেতা বানানোর আগে পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড দেখুন, স্বাধীনতা বিরোধী, সাম্প্রদায়িক মানসিকতা, অথবা ক্রিমিনাল মন মানসিকতা রাখে এমন পরিবারের কাউকে নেতৃত্ব দেওয়ার আগে ভাবুন।
আমাদের শত বছরের রাজনৈতিক, আন্দোলন সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের বর্ণনা বার বার তোলে আনুন, বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও স্বপ্ন আগামী প্রজন্মের কাছে বেশি বেশি পৌঁছে দিন। রাজনীতি বা ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ নয়, যেভাবেই হোক একটা গুনগত পরিবর্তন আনার চেষ্টা করুন, ছাত্র রাজনীতির গুনগত পরিবর্তন আসলে জাতীয় নেতৃত্বের মান বৃদ্ধি পাবে, তাহলেই দেখবেন সুন্দর আগামীর বাংলাদেশ।

লেখকঃ এডভোকেট এস এম রাশেদ চৌধুরী
সাবেক সদস্য, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
সাবেক সদস্য, কেন্দ্রীয় উপ-কমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ।।

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন উপলক্ষে ছাত্রনেতা হৃদয় মিত্র সুমনের বিভিন্ন কর্মসূচি। Daily Local Voice

Daily Local Voice

জাতীর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১ তম জন্মদিন উপলক্ষে কেক কাটা ও
শিক্ষা সামগ্রী বিতরন করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সহ-সম্পাদক হৃদয় মিত্র সুমন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা অভি মিত্র রাজ, চান্দগাঁও থানা ছাত্রলীগ নেতা মোঃ ইব্রাহিম খলিল,মিজবাহ উদ্দীন, পাঁচলাইশ থানা ছাত্রলীগ নেতা মুজিবুর রহমান, চকবাজার ১৬নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা আকিবুল হক সহ আরো অনেকে।

মুজিব শতবার্ষিকীকে সামনে রেখে ছাত্রলীগ নেতার খাবার বিতরণ। Daily Local Voice

Daily Local Voice

১৭ই মার্চ মুজিব শতবার্ষিকীকে সামনে রেখে দরিদ্র ও অসহায় পথচারীদের মাঝে খাদ্য বিতরণ করে সরকারি সিটি কলেজ ছাত্রলীগ ছাত্র-সংসদ এর মেধাবী ছাত্রনেতা ও চান্দগাঁও থানা ছাত্রলীগ এর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ তাসিন।

এইসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ছাত্রনেতা মইনুল ইসলাম রিফাত,অভি মিত্র রাজ,আরাফাত আলমগীর,মোহাম্মদ সাকিব,হামিদ হাসান আরমান,ইসতিয়াক রাফি প্রমুখ।

শহীদ মাহফুজ স্মৃতি সংসদের উদ্যোগে কাউন্সিলরদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান স্থগিত। Daily Local Voice

আগামীকাল রোজ শুক্রবার বিপ্লব উদ্যানে অনুষ্ঠিতব্য মাহফুজ স্মৃতি সংসদ উদ্যোগে নব নির্বাচিত চসিক কাউন্সিলরদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি অনিবার্য কারন বশত স্থগিত করা হয়েছে বলে জানান সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ নেতা ওয়াহিদুল আলম শিমুল।

অনুষ্ঠান স্থগিত হওয়ার জন্য তিনি সবার কাছে দূঃখ প্রকাশ করেন।

নিবেদক
ওয়াহিদুল আলম শিমুল
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি

একজন এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া ও তরুন আইনজীবীদের প্রত্যাশা। Daily Local Voice

Daily Local Voice

নেতা হচ্ছেন সেই মানুষ যিনি পথ চিনেন, পথ চলেন এবং পথ দেখান। অন্ধকারের বুক চিড়ে আলোতে এগোবার জন্য নেতা দরকার, পথ প্রদর্শক দরকার যিনি সকল স্বপ্ন ও আশার বাতিঘর।

সামাজিক ভাবে তিনিই কার্যকর নেতা যিনি যে কোনো পরিস্থিতিতে ধারাবাহিকভাবে সফল হওয়ারর ক্ষমতা রাখেন এবং কোনো সংস্থা বা সমাজের প্রত্যাশা পূরণকারী হিসেবে স্বীকৃতি পান।
নেতৃত্ব বিভিন্ন পর্যায়ের আছে, স্থানীয়, জাতীয়, প্রাতিষ্ঠানিক, পেশাজীবী সহ অনেক ধরনের নেতৃত্ব আছে তবে পেশাজীবী রাজনীতি ও নেতৃত্বের মধ্যে আইনপেশার নেতৃত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারন আইনজীবীদেরকে সোস্যাল ইঞ্জনিয়ার বা সমাজ গড়ার কারিগর বলা হয়, জাতীয় পর্যায়ের বেশিরভাগ নেতৃত্ব তৈরি হয় এই আইনজীবী থেকেই। আর আইন পেশা একটা আইকনিক পেশা, সামাজিকভাবে রয়েল প্রফেশন হিসেবেও এটা ব্যাপক সমাদৃত।
তাই আইনজীবীদের নেতা নির্বাচনেও বেশ সতর্ক থাকতে হয়, খুব সতর্কতার সহিত আইনজীবী নেতা নির্বাচন করতে হয়।

আইনজীবীদের নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে আবেগের বশবর্তী হয়ে সামাজিক ভাবে গুরুত্বহীন, স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, রাজনৈতিক প্রভাবপ্রতিপত্তি হীন, মেরুদণ্ডহীন নেতৃত্ব নির্বাচন করলে সেসব নেতৃত্ব মিষ্টি কথা বলা ছাড়া, হাহুতাশ আর দোষারোপ করা ছাড়া আইনজীবীদের কল্যাণে তেমন কিছুই করতে পারেনা। আইনজীবীদের কোন কল্যাণ তো করতে পারেনই না বরঞ্চ বোঝা হয়ে যায় এসব নেতৃত্ব।
কি হবে এমন নেতৃত্ব দিয়ে যিনি একজন আইনজীবীর বিপদআপদে জোড়ালো ভূমিকা রাখতে পারবেনা?
যার নেতৃত্বে আইনজীবীদের কণ্ঠস্বর বাঘের গর্জনের মতো জোড়ালো নাহয়ে বিড়ালের মতো মিউ মিউ হয়ে গেলে সে নেতৃত্ব দিয়ে কি হবে?

শুধুমাত্র তরুণ আইনজীবী নয় প্রত্যেক বিজ্ঞ আইনজীবী ভোটারের লক্ষ্য থাকা উচিত এটাই যে, তাকেই ভোট দেব, যিনি বারের উন্নয়ন করবেন, যিনি বারের বিদ্যমান সম্পদকে যথাযথভাবে উপভোগ ও ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে দিতে পারবেন। যেমনঃ বারের লাইব্রেরীর উন্নয়ন, পেশাগত উন্নয়নের জন্য যুগোপযোগী প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, আইনপেশা পরিচালনার জন্য উপযুক্ত পরিবেশের আনয়ন, বার ও আদালতের সুসম্পর্ক স্থাপন, আদালতের কাছে আইনজীবীদের মানমর্যাদা সমুন্নত করন, আইনজীবীদের বিভিন্ন সমস্যা সম্মিলিতভাবে সমাধানের জন্য যথাযথ পলিসি প্রণয়ন, আইনজীবীদের যেকোনো সমস্যায় সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ, বারের ক্যান্টিনের বা বারের নিয়ন্ত্রিত রেস্টুরেন্টের খাবারের মানউন্নয়ন, আইনজীবীদের সামাজিক সম্মান ও নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে সহায়তা করা ইত্যাদি।

নির্বাচনে আইনজীবীদের আবেগি হলে হয়না, আইনজীবীদের হতে হবে বাস্তববাদী এবং সিদ্ধান্ত নিতে হবে সময়োপযোগী।
এমন কাউকে আইনজীবীদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করা উচিত যার সাথে সরকারের যথেষ্ট লিয়াজো রয়েছে, কারণ বারের উন্নয়ন তথা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড কখনই আনয়ন সম্ভব নয় যদি না সরকারের সাহায্য আনা সম্ভব না হয়। যেমন, কম বেশি সকল বারেই একটি সাধারণ সমস্যা হচ্ছে আইনজীবীদের বসার স্থানের সমস্যা বা চেম্বার সমস্যা এবং এ ধরনের সমস্যার একমাত্র সমাধানই হচ্ছে নতুন কোন ভবন স্থাপনের উদ্যোগ, আর নতুন কোন ভবন স্থাপনা সরকারের সাহায্য ছাড়া বারের একার পক্ষে কখনই সম্ভব নয়।

চট্টগ্রামে এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতি নতুন ভবন নির্মানের জন্য যে জায়গা দখলে বুঝে নিয়েছে সেটার লিজের জন্য ভূমি মন্ত্রী লিখিত নির্দেশনা দিয়েছেন, এটাতে নুন্যতম ৫০০+ চেম্বার করার পরিকল্পনা নিয়ে আগাচ্ছেন এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া।!
জায়গার লিজ, ভবন অনুমোদন, ভবনের জন্য ফান্ড সংগ্রহ সহ সামনে যে বৃহৎ কর্মযজ্ঞ অপেক্ষা করছে তা একমাত্র এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার মাধ্যমেই সম্পন্ন হওয়া সম্ভব। উনি চেষ্টা করলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেও চট্টগ্রামের আইনজীবীদের দুঃখদুর্দশা ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে আর্থিক অনুদান আনতে পারবেন, উনার জন্য যেকোনো মন্ত্রীর অফিস উন্মুক্ত বা সরাসরি প্রবেশের সুযোগ আছে, চট্টগ্রামের স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বড় বড় ক্ষমতাশালী বা প্রভাবশালী অনেক নেতার সাথেই সুসম্পর্ক ও যোগাযোগ আছে যাদেরকে তিনি আইনজীবীদের কল্যাণে কাজে লাগাতে পারবেন।
তাই চেম্বার ও নতুন ভবন নিয়ে তরুন আইনজীবীদের সকল আশা ও প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু এখন এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া, উনি নাহলে আমাদের শত শত তরুন আইনজীবীকে চেম্বার ছাড়াই আইনপেশায় থাকতে হবে এই ব্যাপারটা মোটামুটি সকলের কাছেই এখন স্বচ্ছ ও পরিস্কার, তাই তরুণ আইনজীবীরা নিজেদের প্রয়োজনে হলেও এবার এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার পক্ষে কোমর বেঁধেই মাঠে নামবেন বলে ধারনা করছেন প্রবীণ বিজ্ঞ আইনজীবীরা।

আইনজীবীদের নির্বাচনে তরুণ আইনজীবীদের পেশাগত উন্নয়ন নিয়ে কাজ করার সক্ষমতা রয়েছে এমন কাউকেই সচরাচর ভোট দেয়া উচিত। তরুণ আইনজীবীরা আদালত পাড়ায় নানান দুঃখ দুর্দশার মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করে। অথচ এই সমস্যা নিয়ে কখনই কেউ কাজ করে না বা কোন অজানা কারণে করতেও চায় না। তবে এই নির্বাচনের সময় তরুণ আইনজীবীদের এই সমস্যা কারা দূরীভুত করতে পারবেন, সেই দিক বিবেচনা করে ভোট দেয়া উচিত। এব্যাপারে এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া অতুলনীয়, তরুন আইনজীবীদের যেকোনো সমস্যায় উনি পাশে দাড়িঁয়েছেন। তরুনদের সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে মাননীয় বিচারক এমনকি জেলা কমিশনারের সামনেও উনার দৃঢ় অবস্থান দেখা গিয়েছিলো। আইনজীবীদের সম্মান ও স্বার্থ রক্ষার্থে উনি কখনো একবিন্দুও ছাড় দেননি। আইনজীবীদের সান মান ও পেশাগত মর্যাদা সমুন্নত রাখার জন্য এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার বিকল্প অন্তত এবারের নির্বাচনে তরুন আইনজীবীরা চিন্তাও করতে পারবেনা।

আইনজীবীদের নির্বাচনে তাকেই জয়লাভ করানো উচিত যার পক্ষে এই আইন পেশার এবং পেশাগত উন্নয়ন করা সম্ভব হবে এবং যাদের দ্বারা আইনজীবীদের পেশাগত উন্নয়নকল্পে সময়ে সময়ে বিভিন্ন ওয়ার্কশপ, সেমিনার, ট্রেনিং আয়োজন করা সম্ভব। এব্যাপারে এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার বিকল্প বা উনার সমতুল্য কেউ আছে তা উনার নিন্দুকেরাও বলতে পারবেনা।

সবসময় নিজেকে বিজ্ঞ আইনজীবীদের কল্যাণে যিনি নিয়োজিত রেখেছেন তিনি আর কেউ নন আমাদের আইনজীবী পরিবারের সন্তান এবং চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক, আইন অঙ্গনের প্রিয় মুখ এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া। যিনি ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেও কখনো ক্ষমতার অপব্যবহার করেননি, একটি রাজনৈতিকদল থেকে মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হওয়ার পরও সমিতিকে দলীয়করণ বা সুযোগ সুবিদায় দলীয়করণ দেখান নাই। রাজনৈতিক দলের ব্যানারে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েও উনিই প্রথম দেখিয়েছেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদটা কোন দলের নয়, এটা সকল আইনজীবীদের, সকল দলের, সকল মতের, সকল আদর্শের এককথায় সকল আইনজীবীদের পদ এটা। এজন্য বিরোধী পক্ষের কাছেও বেশ সমাদৃত ও সম্মানিত এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া।

এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া চট্টগ্রামের এমন সম্ভ্রান্ত ও প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান হয়েও, রাজনৈতিক ভাবে এমন ক্ষমতাশালী হয়েও, ক্ষমতার এত কাছাকাছি থেকেও একবিন্দু অহংকার উনাকে কখনো স্পর্শ করেনি। সততা, সমতা, ন্যায়পরতা, উদারতা ও বিনয় উনার প্রধান শক্তি।

আইনজীবীদের ভালবাসা, স্নেহ ও সম্মানের জন্য তিনি যেকোনো ত্যাগ ও ঝুঁকি নিতেও রাজি। করোনাকালীন সময়ে বিজ্ঞ আইনজীবীদের কথা ভেবে জীবনের ঝুঁকি আছে জেনেও তিনি নিয়মিত অফিস করেছেন এবং আইনজীবীদের সাহস যুগিয়েছেন।
যখন করোনার ভয়ে পিতার লাশ ফেলে পুত্র বা পুত্রের লাশ ফেলে পিতা পালিয়ে যাচ্ছিলো ঠিক তখনো আইনজীবীদের স্বার্থে ও নিরাপত্তায় নির্ভয়ে কাজ করে যাচ্ছিলেন এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া।
করোনা কালীন সময় বিজ্ঞ আইনজীবীদের সেবা প্রদান, মেডিকেল ভর্তিসহ বিনামূল্য করোনা টেস্টের ব্যবস্হা, বিজ্ঞ আইনজীবীদের প্রয়োজনে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির জন্য অ্যাম্বুলেন্স ক্রয় এবং অক্সিজেন সহ বিভিন্ন মেডিকেল ইকুইপমেন্ট ক্রয়, বিজ্ঞ আইনজীবীদের প্রয়োজনে করোনা কালীন সময়ে লোন প্রদান করেছেন।
সত্য কথা হচ্ছে করোনাকালিন সময়ের প্রাথমিক পর্যায়ে আমি নিজেও খুব ভীতসন্ত্রস্ত ছিলাম, আমি নিজে বা পরিবারের কেউ আক্রান্ত হলে এম্বুলেন্স কোথায় পাবো, কোন হাসপাতালে নিবো, অক্সিজেন কোথায় পাবো এসব নিয়ে যখনি খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম ঠিক তখনি মনে হলো মহান আল্লাহতালার রহমতের ফেরেশতা হয়েই যেন এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া আবির্ভূত হলেন, আশা দেখালেন, সাহস যোগালেন, আইনজীবীদের পাশে থাকলেন। উনাকে দেখে সাহস ও শক্তি পেলাম। সত্যিই চট্টগ্রামের আইনজীবী সমাজ অনেক কৃতজ্ঞ আপনার কাছে।

এছাড়াও উনি সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট করিয়েছেন, উকালতনামা ও বেইলবন্ড এবং ইনজেনশন জালিয়াতি রোধে ছবি সম্বলিত স্টিকার প্রণোয়ন করেছেন।
উকালতনামা, বেইলবন্ড এবং ইনজেনশনে বন্ধ হয়ে যাওয়া এসএমএস পূনরায় চালু করেছেন, নষ্ট ও পরিত্যক্ত সিসি ক্যামেরাগুলো পূনরায় ঠিক করিয়েছেন, লাইব্রেরীতে এসি করণসহ পুরানো জরাজীর্ণ বইগুলো বাইন্ডিং এর ব্যবস্হা করিয়েছেন, বারকোড স্টিকার যুক্ত করে সফটওয়্যার এর মাধ্যমে বই বিলির ব্যবস্হা করেছেন, আইনজীবী সমিতির ভবনসমূহের পিছনের দেয়াল যেগুলো বৃষ্টিতে স্যাতস্যাতে হয়ে গিয়েছিলো সেগুলো সব রং করিয়েছেন, বিশুদ্ধ পানির জন্য পানির ফিল্টারের ব্যবস্হা করেছেন।

তাছাড়া আমরা তরুন আইনজীবীদের স্বপ্নের চেম্বারের জন্য উনি আইনজীবী সমিতির জন্য প্রস্তাবিত ভবনের জায়গা নির্ধারণ পূর্বক ভবনের নকশা অনুমোদন নিয়েছেন, ভবনের জায়গার দখল বুঝে নিয়েছেন, ভুমি মন্ত্রীর সুপারিশ নিয়েছেন, জেলা ও বিভাগীয় কমিশনারের সাথেও কথাবার্তা ফাইনাল করেছেন। ♥

উনার তদারকি ও তত্বাবধানে সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে নালা গুলোতে স্লেপ করে রাস্তা প্রশস্হ করেছেন,
বিজ্ঞ আইনজীবীদের কাছ থেকে বার কাউন্সিল হইতে ধার্য্যকৃত ৫০০টাকা রিলিফ ফান্ড না নেওয়ার জন্য বর্তমান এটর্নি জেনারেল যিনি বার কাউন্সিল গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চেয়ারম্যান উনার সাথে আলোচনাক্রমে তা আদায়ের সিন্ধান্ত বাতিল করার ব্যবস্হা করেন।
এবং এবারের সবচেয়ে আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে টাউট উচ্ছেদে উনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।।

যাকে ঘিরে তরুন ও প্রবীণ আইনজীবীদের এত স্বপ্ন, আশা, আকাঙ্ক্ষা সেই এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার পক্ষে ব্যক্তিগত ভাবে আমি আছি।
আমার ভোট এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার জন্য বরাদ্দ করে ফেলেছি, আইনজীবীদের স্বার্থেই।
আইনজীবীদের পেশাগত মর্যাদা সমুন্নত রাখা, সরাকার প্রধান থেকে আর্থিক অনুদান ও চেম্বারের জন্য ভবন নির্মাণ, আইনজীবীদের অধিকার নিশ্চিত করা সহ আইনজীবীদের স্বার্থে আপনার ভোটও এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়াই পাবেন এই প্রত্যাশা।

আসুন আওয়াজ তুলি-
♦ নবীন আইনজীবীদের প্রথম ভোট, এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার পক্ষে হোক।
♦ প্রগতিশীল আইনজীবীদের মূল্যবান ভোট, এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার পক্ষে হোক।
♦ সচেতন আইনজীবীদের গুরুত্বপূর্ণ ভোট, এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার পক্ষে হোক।

লেখকঃ
এডভোকেট এস এম রাশেদ চৌধুরী
সাবেক সদস্য- বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
সাবেক সদস্য- বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, কেন্দ্রীয় উপ-কমিটি।।

আইনজীবী বিজয়া সম্মিলন পরিষদের মহামিলন। Daily Local Voice

Daily Local Voice

চট্টগ্রাম আদালতে অসম্প্রদায়িক চেতনার সংগঠন চট্টগ্রাম আইনজীবী বিজয়া সম্মিলন পরিষদ এর মহামিলন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ২১ জানুয়ারি বিকেলে চট্টগ্রাম আইনজীবী অডিটোরিয়ামে এ মহামিলন অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

এই সময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিষ্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, প্রধান মন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ব্যারিষ্টার বিপ্লব বড়ুয়া।

Daily Local Voice

সংগঠনের সমন্বয়কারী এড. রুবেল পালের সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক এড. অজয় বোস রিন্কু।
সংগঠনের সভাপতি এড. অশোক কুমার দাশের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্যে রাখেন, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সদস্য মুহাম্মাদ দেলোয়ার হোসেন চৌধুরী, চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ শেখ আশফাকুর রহমান, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এড. সৈয়দ মোক্তার আহমদ ও সাধারণ সম্পাদক এড. এ এইচ এম জিয়াউদ্দিন।

এই সময় আইনজীবী বিজয়া সম্মিলন পরিষদের তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক এড. মিঠুন বিশ্বাসের নির্দেশনায় চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতি ও চট্টগ্রাম আইনজীবী বিজয়া সম্মিলন পরিষদের ডকুমেন্টারি ইতিহাস প্রদর্শিত করা হয়।

Daily Local Voice

অনুষ্ঠান শেষে পরিষদের সাংস্কৃতিক সম্পাদক এডভোকেট সুমন কান্তি সুশীল এর সঞ্চালনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘঠে।

শহীদ মাহফুজ স্মৃতি সংসদের পক্ষ থেকে শৈবাল দাশ সুমনের জন্মদিন উদযাপন। Daily Local Voice

Daily Local Voice

শহীদ মাহফুজ স্মৃতি সংসদ পরিবারের সম্মানিত উপদেষ্টা সাবেক ছাত্রনেতা,নান্দনিক জামালখানের নন্দিত কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন এর জন্মদিন সংগঠন এর আয়োজনে অনেকটা পারিবারিক পরিবেশে উদযাপিত হলো আজ সন্ধায় জামালখানস্থ শৈবাল দাশ সুমন এর নিজ বাসভবনে।


জন্মদিনের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানোকালে শৈবাল এর মমতাময়ী মা ও স্ত্রী সহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা এবং ব্রাদার্স ইউনিয়নের পরিচালক ওয়াহিদুল আলম শিমুল, মিনহাজ উদ্দিন, যাকারুল হাসান মিঠু,ধীমান চৌঃ,জুলকারনাইন মাহমুদ সুমন,শহীদুল আলম রানা,নিজামুদ্দিন, শফিকুর রহমান তাপস,ইকবাল হোসেন জুয়েল,জাহাঙ্গীর হোসেন,ডাক্তার বাবর চৌধুরী বাবু, হামেদ হাসান আলাভী,রাশেদুল করিম,আবদুল গফুর পন্টি,সজিব আনোয়ার ইভান, দিবাকর দাশ, সেলিম রেজা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন এর জবাবে শৈবাল দাশ সুমন তাঁর জন্মদিনে শহীদ মাহফুজ স্মৃতি সংসদ এর আয়োজনকে ধন্যবাদ জানান এবং ভবিষ্যতে সংগঠন এর সকল কর্মকান্ডে আরো বেশি সম্পৃক্ত থাকার প্রত্যয় ব্যাক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে শৈবাল দাশ সুমন এর রত্নগর্ভা মা কে সংগঠন এর পক্ষ থেকে ফুলেল সম্মাননা জানানো হয়।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত।Daily Local Voice

গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এক বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে পালন করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনে প্রধান অতিথি হিসেবে গণভবন থেকে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন সংগঠনের সর্বোচ্চ অভিভাবক ও  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (৪ জানুয়ারি) ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী । সকাল সাড়ে ৭টায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল সাড়ে ৮টায় ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে কেক কাটার মধ্য দিয়ে ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শুভ সূচনা হয়। ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য সকাল ১০টায় কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কর্মসূচীর শুভ সূচনা করেন। 

এদিকে বেলা চারটায় রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) এ ছাত্রলীগ অায়োজন করে অালোচনা সভার। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে গণভবন থেকে সরাসরি ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হন সংগঠনের সর্বোচ্চ অভিভাবক, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্তিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাবেক সাংসদ ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী ও আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া, ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস ও সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিন ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান, সাধারণ সম্পাদক জুবায়ের আহমেদ, ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয়সহ ছাত্রলীগের বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমি সত্যি গর্বিত ছাত্রলীগকে নিয়ে। যখন আহ্বান করলাম, আমাদের ছাত্রলীগের ছেলেরা নেমে পড়ল ধান কাটতে। আমাদের কৃষক লীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, যুবলীগ আওয়ামী লীগ তারাও নেমেছে কিন্তু তারাই পথ দেখিয়ে এগিয়ে যায়। আর এজন্যই ছাত্রলীগ বয়সেও আওয়ামী লীগ থেকে বড়। যখনি যে কথা বলেছি তোমরা সে কথা শুনছো। তোমাদেরকে আন্তরিক দোয়া আর্শীবাদ ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো কাজকে ছোট করে দেখবে না। গণতান্ত্রিক আন্দোলনে সবচেয়ে বেশী রক্ত দিয়েছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। শিক্ষা শান্তি প্রগতি এই মন্ত্রে উদ্বুদ্ধ হয়ে পথ চলতে হবে।ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের জাতির পিতা লেখা অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা এবং আমার দেখা নয়া চীন বইগুলো পড়তে হবে বেশি বেশি।

প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, আমরা মুজিববর্ষ উদযাপন করছি, আমাদের লক্ষ্যই ছিল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর মধ্যে দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করবো। বাংলাদেশ অন্তত পক্ষে উন্নয়নের একটা পর্যায়ে যাবে। সে পর্যায়টা আমরা অর্জন করেছি। জাতির পিতা যুদ্ধবিধস্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলে স্বল্পোন্নত দেশ হিসাবে তৈরি করে দিয়েছিলেন। আজকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছি। ২০২৪ সাল পর্যন্ত এটা ধরে  রাখতে হবে।করোনাভাইরাসের কারণে আমরা কিছুটা থমকে গেছি। তবে আমি এইটুকু বলবো, সংগঠনটা হচ্ছে সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই করোনা ভাইরাসে আমাদের ছাত্রলীগ অনবদ্য  ভূমিকা রেখেছে। সেজন্য ছাত্রলীগের প্রত্যেকটা নেতাকর্মীকে আন্তরিক ধন্যবাদ।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। 

নিস্তব্ধ পথশিশু পরিবারের ৪র্থ বর্ষ প্রদার্পনে শীতবস্ত্র বিতরণ।Daily Local Voice

Daily Local Voice

শিক্ষা, সেবা, মানবতা এই স্লোগানকে বুকে ধারণ করে দীর্ঘ ৩ বছর মানব সেবায় নিজেদের নিয়োজিত রেখেছে নিস্তব্ধ পথশিশু পরিবারের একঝাঁক স্বপ্নবাজ মেধাবী তরুন-তরুণী। তাদের উদ্যোগে তিন বছর ধরে গরিব অসহায় মানুষদের মাঝে খাদ্য বিতরণ,শীত্র-বস্ত্র বিতরন,গরিব মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা উপকরন বিতরন সহ নানা সেবা মূলক কর্মকান্ডের সাথে নিজেদের নিয়োজিত রেখেছেন।

তারই ধারাবাহিকতায় ১লা জানুয়ারি, বিকাল ৩ টায় নগরীর প্রিয়া কমিউনিটি সেন্টারে নিস্তব্ধ পথশিশু পরিবারের ৪র্থ বর্ষ প্রদার্পন উপলক্ষে ৫০০ জন অসহায়,সুবিধাবঞ্চিত এবং নিম্ন অায়ের মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র ও কম্বল বিতরণ করা হয়।।

Daily Local Voice

সুদীপ্ত অাকাশ রাজন ও চৈতী সেনের যৌথ সঞ্চালনায় নিস্তব্ধ পথশিশু পরিবারের সদস্য লিংকন তালুকদারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ২১ নং জামালখান ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ সুমন, প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ কথক দাশ, বিশেষ অতিথি হিসেবে পর্যায়ক্রমে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবলীগ নেতা ওয়াহিদুল অালম শিমুল,
বাগীশিক সাবেক সাধারণ সম্পাদক পলাশ কান্তি নাথ রণি, চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অাবু তাহের, বিশিষ্ঠ ব্যাবসায়ী বিধান কৃষ্ণ চক্রবর্তী, কাউন্সিলর প্রার্থী রুমকি সেনগুপ্ত ও আঞ্জুমান আরা, শিমুল দাশ, সাংবাদিক মিশু পাল,প্রকৌশলী রুপন নাগ, সাংবাদিক জুয়েল অাইচ, শাহাদাত হোসেন মানিক, সংগঠনের ইমন চৌধুরী, মিশু শীল,রনি দাশ,সৌরভ দাশ।

Daily Local Voice

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নিস্তব্ধ পথশিশু পরিবারের অন্যতম সদস্য দীপ্ত দে, প্রতিক ঘোষ, নয়ন শীল,পুনম চক্রবর্তী,মুক্তা পাল, শ্রুতি দে, রকি মুহুরী, জয় চক্রবর্ত্তী, সচিন রুদ্র,প্রিয়া ধর,মিথিলা দেবী,ইমন চৌধুরী,শ্রাবণ পাল প্রমুখ।

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা উত্তর জেলার শ্রদ্ধাজ্ঞাপন। Daily Local Voice

Daily Local Voice

আজ মহান বিজয় দিবস। ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সাথে দীর্ঘ নয় মাসের যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ নামক স্বাধীন দেশের জন্ম হয় আজকের এই দিনে। নয় মাসের যুদ্ধের মুল মন্ত্র যাঁর তর্জনীর নির্দেশনা হয়েছিল তিনিই হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালী জাতিরজনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা চট্টগ্রাম উত্তর জেলার মহান বিজয় দিবসের ডাক-২০২০ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছে।

তার ধারাবাহিকতায় মহান বিজয় দিবস -২০২০ উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সকাল ৯ টায় স্বাধীনতা সংগ্রামে নিহত সকল শহীদের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে।
শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা চট্টগ্রাম উত্তর জেলার অধিনস্থ সকল উপজেলা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নেতা-কর্মীদের স্ব স্ব ইউনিট নিয়ে সকাল ৯ টার পূর্বে নির্ধারিত স্থানে উপস্থিত হয়।
বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সভাপতি আছিফ রহমান শাহীন ও সাধারণ সম্পাদক মোকাররম হোসেন ভূঁইয়ার নেতৃত্বে মহান বিজয় দিবসের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা।