চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের আওতাধীন সীতাকুণ্ড উপজেলার কুমিরা ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা রবিউল হোসেন অপু এর নেতৃত্বে কুমিরা বাজার রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় দরিদ্র,দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়।
ইফতার বিতরনকালে উপস্থিত ছিলেন কুমিরা ছাত্রলীগের রবিউল হাসান ফাহিম, শাফায়াত জামিল, মো জিদান, আসরাফ রাহি, মোহাম্মদ ইরফাত, মোহাম্মদ ইমন, নাঈম আনাস, ওয়াসিম সামি সহ বিভিন্ন ওর্য়াড ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ। দেশরত্ন শেখ হাসিনার আহ্বানে সারা দেশে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মীরা করোনা মহামারী এবং পবিত্র মাহে রমজানে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে মানবিক কাজ করে যাচ্ছে।
সীতাকুণ্ড পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে শুক্রবার বিভিন্ন মসজিদে মাস্ক ও স্যানিটাইজার বিতরণ করা হয়। ছাত্রনেতা আশরাফুল ইসলাম হৃদয় এর আয়োজনে এই সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ১নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা ইশতিয়াক আহমেদ ওয়াছি, ৩নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা রমজান আলী বিপ্লব, ৪নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা তামের আহমেদ, ৫ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা মোহাম্মদ হাবিব ও সীতাকুণ্ড পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার আর্দশিক চেতনার অবিকল্প সারথী বাংলাদেশ ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার পক্ষ থেকে সীতাকুণ্ডে গরীব,দুস্থ,অসহায় মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়। এ সসময় দেখা যায় সীতাকুণ্ড রেলওয়ে স্টেশন এ বিকেলে সারিবদ্ধ ভাবে ইফতার সাজানো রয়েছে তবে কোন আনুষ্ঠানিকতা নেই, ছবি তোলার কোন প্রতিযোগিতা নেই।লোকজন নিজেদের ইফতার নিজেরা নিয়ে চলে যাচ্ছেন। অনাড়ম্বর এবং মানবিক এই আয়োজনের উদ্যোক্তা চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রলীগের কর্মী শুভ বণিক ও মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ সীতাকুন্ড উপজেলা শাখার আইন সম্পাদক সুদীপ্ত চৌধুরী। শুভ বণিক জানান নিজের কাছে জমানো কিছু টাকা এবং কিছু বড়ভাইদের আর্থিক সাহায্যে এরা এভাবে মানুষের পাশে দাঁড়াতে পেরেছেন। মানুষের জন্য এভাবেই কাজ করে যেতে চান ছাত্রলীগের একজন ক্ষুদ্র কর্মী হয়ে। পবিত্র মাহে রমজানের শুরু থেকে জেলা ছাত্রলীগ অসহায়, এতিম,দুস্থ মানুষের পাশে সাধ্যমত সাহায্য সহায়তা করে যাচ্ছে। সমাজের খেটে খাওয়া এই মানুষ গুলোর পাশে দাঁড়ানোর সামান্য প্রচেষ্টার মাধ্যমে হয়তো এভাবেই আমাদের আরো মানবিক এবং মানুষের প্রতি মানুষের মমত্ববোধ জাগ্রত করবে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সোনার বাংলা বির্নিমানে এই ছাত্রলীগ হোক বর্তমান ও আগামীর সফল অংশীদার।
এই প্রতারক ছেলেটির নাম অমিত নাথ। বাড়ি রাউজানের নাতুয়ান বাগিচাই। নিজেকে পরিচয় দেয় একজন সাংবাদিক হিসেবে। দৈনিক আলোড়ন বাংলা সহ একাধিক ভূয়া পত্রিকা ও নিউজ পোর্টাল এবং বিভিন্ন সেলিব্রিটি দের সাথে ছবি দিয়ে সাধারণ ছেলে-মেয়েদের প্রতারণার জ্বালে ফাঁসিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে হাজার হাজার টাকা।
পিলক নামে একজন ভুক্তভোগী বলেন, আমার নিজের একজন আত্নীয় সহ আমার একাধিক পরিচিত মানুষকে পত্রিকায় চাকরি দিবে বলে হাতিয়ে নিয়েছে হাজার হাজার টাকা।
পত্রিকায় চাকরি দেওয়ার নাম করে এবং মাসিক চাকরির বেতন ৮ হাজার টাকা দিবে বলে প্রথমে রেজিস্ট্রেশন ফিঃ হিসেবে কারো থেকে ৩ হাজার বা কারো থেকে ৫ হাজার টাকা আদায় করে এই প্রতারক।
টাকা নেওয়ার পর বলে আপনার চাকরি হয়ে গেছে। এটি থাকে প্রতারণার প্রথম জ্বাল, তারপর থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার জন্য অবলম্বন করতে থাকে বিভিন্ন কৌশল। সাংবাদিকের কার্ড দিবে বলে, বিভিন্ন সেলিব্রেটি দের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে বলে, নাটক, শর্ট-ফ্লিমে কাজ করার সুযোগ করিয়ে দিবে বলেও টাকা নেওয়া হয়েছে অনেক জন থেকে।
এই প্রতারক কে দ্রুত আইনের আওতায় এনে বিচারের জোর দাবী জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
চলতি বছর এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ফরিদপুরের বঙ্গবন্ধু মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে বাদাম বিক্রেতার ছেলে ভুপেন্দ্র অধিকারী। কিন্তু অর্থাভাবে তার মেডিকেল কলেজে ভর্তিতে দেখা দিয়েছিল চরম অনিশ্চয়তা। মেডিকেল কলেজে ভর্তি হওয়ার মতো কোনো টাকা-পয়সা নেই তার পরিবারের। এমতাবস্থায় এ বিষয়টি গণমাধ্যম ও স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাদের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আবদুর রহমানের দৃষ্টিগোচর হওয়ায় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে ভুপেন্দ্রের মেডিকেলে পড়াশোনার যাবতীয় দায়িত্ব নিয়েছেন।
জানা যায়, ভুপেন্দ্র নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খালিশা চাপানী ইউনিয়নের দিঘির পাড় গ্রামের মতিলাল অধিকারী ও বাসন্তী অধিকারীর সাত সন্তানের মধ্যে পঞ্চম। তিন ভাইয়ের মধ্যে সে সবার ছোট। বড় দুই ভাই রিকশা চালান। ভুপেন্দ্রর বাবা মতিলাল অধিকারী একজন বাদাম বিক্রেতা এবং মা গৃহিণী। এতোদিন তার বাবা বাদাম বিক্রি করে ভূপেন্দ্রর পড়াশোনার খরচ চালিয়েছেন। এখন বয়স হওয়ায় বাদামের ব্যবসা করার সক্ষমতাও তার আর নেই। পরে এ বিষয়টি গণমাধ্যম ও স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাদের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের নেতা আবদুর রহমানের নজরে আসে। এরপর তিনি ভিডিও মাধ্যমে ভুপেন্দ্র ও পরিবারের সাথে কথা বলে তার মেডিকেলে ভর্তির যাবতীয় দায়ভার নেন।
এসময় ভিডিও মাধ্যমে আবদুর রহমান ভুপেন্দ্রের বাবা মতিলাল অধিকারীকে বলেন, আপনাদের অনেক কষ্টের বিনিময়ে আপনাদের ছেলে মেডিকেল চান্স পেয়েছে। এজন্য আপনাদের অভিনন্দন এবং শ্রদ্ধা জানাই। আপনারা ভাববেন না, ওর মেডিকেলে পড়াশোনার যাবতীয় দায়িত্ব জননেত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে আমি নিলাম। শুধু তাকে নিয়মিত পড়াশোনাটা করতে বলবেন।
ভুপেন্দ্রের মা বাসন্তী অধিকারীকে তিনি বলেন, অর্থনৈতিক সমস্যা এটা কোন সমস্যাই না। আমি তার সাথে আছি। সে পড়াশোনা করে আপনাদের স্বপ্ন পূরণ করবে এবং দেশের মানুষের জন্য কাজ করবে এটাই আমি চাই।
ভুপেন্দ্র অধিকারী এসময় তার পড়াশোনার যাবতীয় দায়িত্ব নেয়ার জন্য আওয়ামী লীগের নেতা আবদুর রহমানের কাছে চিরকৃতজ্ঞতার কথা জানান। তখন আবদুর রহমান বলেন, তুমি কোন কিছু নিয়ে ভাববে না। যখন যা লাগবে তখন তোমার জন্য তা ব্যবস্থা করা হবে। নিয়মিত পড়াশোনা করে মা -বাবার স্বপ্ন পূরণের জন্য তোমাকে এগিয়ে যেতে হবে। এসময় তিনি তার সাথে যোগাযোগের জন্য ভুপেন্দ্রে অধিকারীকে তার ব্যক্তিগত ফোন নাম্বারও দেন।
মুভমেন্ট পাস এর প্রতিবাদ স্বরূপ সাইকেল চালিয়ে বাড়িতে গেলেন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এ এইচ এম জিয়াউদ্দিন। আজ সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউন এর দ্বিতীয় দিনে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ এইচ এম জিয়াউদ্দিন মুভমেন্ট পাস এর প্রতিবাদ স্বরূপ সাইকেল চালিয়ে বাসায় গেলেন। সরকার ঘোষিত কঠিন লকডাউনে করোনাকালে চলাচল ও কার্যক্রমের কঠোর নিয়ন্ত্রনের মধ্যে বিধি-নিষেধের আওতামুক্ত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানসমূহঃ ১। ডাক্তার ,২। নার্স,৩। মেডিকেল স্টাফ,৪। কোভিড টিকা/চিকিৎসার সাথে জড়িত ব্যক্তি/স্টাফ,৫। ব্যাংকার,৬। ব্যাংকের অন্যান্য স্টাফ,৭। সাংবাদিক,৮। গণমাধ্যমের ক্যামেরাম্যান,৯। টেলিফোন/ইন্টারনেট সেবাকর্মী,১০। বেসরকারী নিরাপত্তাকর্মী,১১। জরুরি সেবার সাথে জড়িত কর্মকর্তা/কর্মচারী ,১২। অফিসগামী সরকারী কর্মকর্তা, ১৩। শিল্প কারখানা/গার্মেন্টস উৎপাদনে জড়িত কর্মী/কর্মকর্তা ,১৪। আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ,১৫। ফায়ার সার্ভিস ,১৬। ডাকসেবা,১৭। বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও জ্বালানির সাথে জড়িত ব্যক্তি/কর্মকর্তা ,১৮। বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি/কর্মকর্তা চলাচলে মুভমেন্ট পাস এর প্রয়োজনীয়তা নাই বলে উল্লেখ করেন মিডিয়া এন্ড পাবলিক রিলেশন্স, বাংলাদেশ পুলিশ, পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স।
দেশের আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে এবং সাংবিধানিক দিক থেকে আইনজীবীরা রাষ্ট্রের একটি বড় অংশ। বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশনা মোতাবেক ভার্চুয়াল প্রযুক্তি ব্যবহার করে আইনজীবীগণ মামলা পরিচালনা করে আসছেন। কিন্তু আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আইনজীবীদের নাম না থাকায় মনঃক্ষুণ্ণ হন চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির এই নেতা। তিনি বলেন আইনজীবী দের জন্য মুভমেন্টের কোন পাশের প্রয়োজনীয়তা আছে বলে আমি মনে করি না। বাংলাদেশ পুলিশ হেডকোয়ার্টার ঘোষিত এই তালিকায় ১/২ নাম্বারে আইনজীবীদের নামের তালিকা থাকার দরকার ছিল তাই আমি মুভমেন্ট পাশের প্রতিবাদ স্বরূপ সাইকেল চালিয়ে বাসায় যায়।
গত দুইদিন ধরে মুভমেন্ট পাশের বিষয়টি সামনে আশায় আইনজীবীরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দাবি করে আসছে তাদেরকে মুভমেন্ট পাশের আওতামুক্ত রাখার জন্য।
আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলেন আইনজীবিদের মুভমেন্ট পাশের কোন প্রয়োজন নেই। এই বিষয়ে আমি পুলিশের আইজিপি এবং সিএমপি কমিশনার এর সাথে কথা বলবো।
এদিকে মুভমেন্ট পাস এর প্রতিবাদ স্বরূপ বাইসাইকেল চালিয়ে বাসায় যাওয়াই আইনজীবীরা এই নেতার প্রতিবাদকে সু স্বাগত জানিয়েছেন । উল্লেখ্য যে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট এ এইচ এম জিয়াউদ্দিন দ্বিতীয় মেয়াদে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। করোণা কালীন সময়ে আইনজীবীদের পাশে থাকায় আইনজীবীরা দ্বিতীয় মেয়াদে এই নেতাকে নির্বাচন করেছেন। চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির ইতিহাসে দীর্ঘদিন পর দ্বিতীয় মেয়াদে কোন ব্যক্তি আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রার্দুভাব ঠেকাতে এবং জনসচেতনতার জন্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক উপ গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সৌরভ কুমার সাহার সৌজন্যে গোবিন্দগঞ্জ বাজারে প্রয় সহস্রাধিক মানুষের মাঝে মাস্ক বিতরণ করা হয়।
এই সময় উপস্থিত ছিলেন গোবিন্দগন্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আহসানুল শেখ সুমন, সমাজকর্মী জাহিদ, ছাত্রলীগ নেতা শীতল, গাইবান্ধা জেলা ছাত্রলীগের সহ সম্পাদক দীপ্ত, সদস্য রাব্বী, শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক সূর্য, ফেরদৌস আহমেদ সাগর, পৌর ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী হাসান, বাপ্পী ঘোষ, ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সহ-সম্পাদক অয়ন সুলতান, পৌর ছাত্রলীগ নেতা নাদিম মাহমুদ, নিবিড় , নাহিদ তমাল, সাকিব, আবির নাঈম, মিম, তাসিন, মুরাদ প্রমুখ।
চট্টগ্রাম নগরীর আকবর শাহ্ থানার অভিযান চালিয়ে ফয়েস লেক এলাকা থেকে এক ছিনতাইকারীকে আটক করেছে আকবরশাহ থানা পুলিশ। পুলিশ তাকে আটক করার সময় পুলিশের গায়ে হাত তুলে এই শিক্ষিত ছিনতাইকারী। উল্লেখ্য সে ঢাকার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে অধ্যায়নত ।
৬ এপ্রিল দিবাগত রাত ১.৩০ এর দিকে তাকে আটক করা হয় বলে জানান এস আই রুবেল দেব নাথ।
আটককৃত ছিনতাইকারীর হলেন আনাস আহমদ রুবাব (২৬),
আকবরশাহ থানার ওসি মো. জহির হোসেন বলেন, রুবাবের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে ইতিমধ্যেই,
বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে আরও মামলা রয়েছে। তারমধ্যে অন্যতম মোটরসাইকেল ছিনতাইয়ের মামলা,চকবাজারে মারামারি সহ মেয়ে কেলেংকারীর মামলাও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ দিবাগত রাতে পাক-হানাদার বাহিনী ‘অপারেশন সার্চ লাইট’-এর নামে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর নির্বিচারে হামলা চালিয়ে সংঘটিত করে বিশ্ব ইতিহাসের নৃশংসতম গণহত্যা। ‘অপারেশন সার্চ লাইট’ ছিল বাঙালির একটি প্রজন্মকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার এক নারকীয় পরিকল্পনা। সুনির্দিষ্ট কিছু লক্ষ্যকে সামনে রেখে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে জেনারেল টিক্কা খান বলেছিলেন, ‘আমি পূর্ব পাকিস্তানের মাটি চাই, মানুষ চাই না’। ফলশ্রুতিতে বাঙালি জাতির জীবনে নেমে আসে বিভীষিকাময় ভয়াল কালরাত্রি। এক ভয়াল ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুরতার স্মৃতি হিসেবে চিহ্নিত এই রাত। পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পরিকল্পিত পন্থায় বাঙালি হত্যার মহোৎসবে মেতে উঠেছিল। রক্তের স্রোতে ভাসিয়ে দিতে চেয়েছিল বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রাম। সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ২৫শে মার্চ পাক-হানাদার বাহিনী স্বাধীনতাকামী বাঙালির ওপর হিংস্র দানবের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ে। সেনা অভিযানের শুরুতেই হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তার ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারের আগে ২৬ মার্চ (২৫ মার্চ মধ্যরাতে) বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং যে কোন মূল্যে শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
জাতির পিতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে বাংলার সর্বস্তরের জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ২৫শে মার্চ কালো রাতে শুরু হওয়া পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর গণহত্যা চলতে থাকে মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময় ধরে। ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগ ও দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে অর্জিত হয় বহুল প্রতীক্ষিত মহান স্বাধীনতা। দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে প্রতিষ্ঠা লাভ করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।
নারকীয় হত্যাযজ্ঞে প্রাণ-ত্যাগকারী সকল শহীদদের প্রতি জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।।।