
নেতা হচ্ছেন সেই মানুষ যিনি পথ চিনেন, পথ চলেন এবং পথ দেখান। অন্ধকারের বুক চিড়ে আলোতে এগোবার জন্য নেতা দরকার, পথ প্রদর্শক দরকার যিনি সকল স্বপ্ন ও আশার বাতিঘর।
সামাজিক ভাবে তিনিই কার্যকর নেতা যিনি যে কোনো পরিস্থিতিতে ধারাবাহিকভাবে সফল হওয়ারর ক্ষমতা রাখেন এবং কোনো সংস্থা বা সমাজের প্রত্যাশা পূরণকারী হিসেবে স্বীকৃতি পান।
নেতৃত্ব বিভিন্ন পর্যায়ের আছে, স্থানীয়, জাতীয়, প্রাতিষ্ঠানিক, পেশাজীবী সহ অনেক ধরনের নেতৃত্ব আছে তবে পেশাজীবী রাজনীতি ও নেতৃত্বের মধ্যে আইনপেশার নেতৃত্ব খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারন আইনজীবীদেরকে সোস্যাল ইঞ্জনিয়ার বা সমাজ গড়ার কারিগর বলা হয়, জাতীয় পর্যায়ের বেশিরভাগ নেতৃত্ব তৈরি হয় এই আইনজীবী থেকেই। আর আইন পেশা একটা আইকনিক পেশা, সামাজিকভাবে রয়েল প্রফেশন হিসেবেও এটা ব্যাপক সমাদৃত।
তাই আইনজীবীদের নেতা নির্বাচনেও বেশ সতর্ক থাকতে হয়, খুব সতর্কতার সহিত আইনজীবী নেতা নির্বাচন করতে হয়।
আইনজীবীদের নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে আবেগের বশবর্তী হয়ে সামাজিক ভাবে গুরুত্বহীন, স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন, রাজনৈতিক প্রভাবপ্রতিপত্তি হীন, মেরুদণ্ডহীন নেতৃত্ব নির্বাচন করলে সেসব নেতৃত্ব মিষ্টি কথা বলা ছাড়া, হাহুতাশ আর দোষারোপ করা ছাড়া আইনজীবীদের কল্যাণে তেমন কিছুই করতে পারেনা। আইনজীবীদের কোন কল্যাণ তো করতে পারেনই না বরঞ্চ বোঝা হয়ে যায় এসব নেতৃত্ব।
কি হবে এমন নেতৃত্ব দিয়ে যিনি একজন আইনজীবীর বিপদআপদে জোড়ালো ভূমিকা রাখতে পারবেনা?
যার নেতৃত্বে আইনজীবীদের কণ্ঠস্বর বাঘের গর্জনের মতো জোড়ালো নাহয়ে বিড়ালের মতো মিউ মিউ হয়ে গেলে সে নেতৃত্ব দিয়ে কি হবে?
শুধুমাত্র তরুণ আইনজীবী নয় প্রত্যেক বিজ্ঞ আইনজীবী ভোটারের লক্ষ্য থাকা উচিত এটাই যে, তাকেই ভোট দেব, যিনি বারের উন্নয়ন করবেন, যিনি বারের বিদ্যমান সম্পদকে যথাযথভাবে উপভোগ ও ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ গড়ে দিতে পারবেন। যেমনঃ বারের লাইব্রেরীর উন্নয়ন, পেশাগত উন্নয়নের জন্য যুগোপযোগী প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিতকরণ, আইনপেশা পরিচালনার জন্য উপযুক্ত পরিবেশের আনয়ন, বার ও আদালতের সুসম্পর্ক স্থাপন, আদালতের কাছে আইনজীবীদের মানমর্যাদা সমুন্নত করন, আইনজীবীদের বিভিন্ন সমস্যা সম্মিলিতভাবে সমাধানের জন্য যথাযথ পলিসি প্রণয়ন, আইনজীবীদের যেকোনো সমস্যায় সাথে সাথে ব্যবস্থা গ্রহণ, বারের ক্যান্টিনের বা বারের নিয়ন্ত্রিত রেস্টুরেন্টের খাবারের মানউন্নয়ন, আইনজীবীদের সামাজিক সম্মান ও নিরাপত্তা বৃদ্ধিতে সহায়তা করা ইত্যাদি।
নির্বাচনে আইনজীবীদের আবেগি হলে হয়না, আইনজীবীদের হতে হবে বাস্তববাদী এবং সিদ্ধান্ত নিতে হবে সময়োপযোগী।
এমন কাউকে আইনজীবীদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করা উচিত যার সাথে সরকারের যথেষ্ট লিয়াজো রয়েছে, কারণ বারের উন্নয়ন তথা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড কখনই আনয়ন সম্ভব নয় যদি না সরকারের সাহায্য আনা সম্ভব না হয়। যেমন, কম বেশি সকল বারেই একটি সাধারণ সমস্যা হচ্ছে আইনজীবীদের বসার স্থানের সমস্যা বা চেম্বার সমস্যা এবং এ ধরনের সমস্যার একমাত্র সমাধানই হচ্ছে নতুন কোন ভবন স্থাপনের উদ্যোগ, আর নতুন কোন ভবন স্থাপনা সরকারের সাহায্য ছাড়া বারের একার পক্ষে কখনই সম্ভব নয়।
চট্টগ্রামে এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার নেতৃত্বে চট্টগ্রাম আইনজীবী সমিতি নতুন ভবন নির্মানের জন্য যে জায়গা দখলে বুঝে নিয়েছে সেটার লিজের জন্য ভূমি মন্ত্রী লিখিত নির্দেশনা দিয়েছেন, এটাতে নুন্যতম ৫০০+ চেম্বার করার পরিকল্পনা নিয়ে আগাচ্ছেন এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া।!
জায়গার লিজ, ভবন অনুমোদন, ভবনের জন্য ফান্ড সংগ্রহ সহ সামনে যে বৃহৎ কর্মযজ্ঞ অপেক্ষা করছে তা একমাত্র এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার মাধ্যমেই সম্পন্ন হওয়া সম্ভব। উনি চেষ্টা করলে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেও চট্টগ্রামের আইনজীবীদের দুঃখদুর্দশা ও প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে আর্থিক অনুদান আনতে পারবেন, উনার জন্য যেকোনো মন্ত্রীর অফিস উন্মুক্ত বা সরাসরি প্রবেশের সুযোগ আছে, চট্টগ্রামের স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের বড় বড় ক্ষমতাশালী বা প্রভাবশালী অনেক নেতার সাথেই সুসম্পর্ক ও যোগাযোগ আছে যাদেরকে তিনি আইনজীবীদের কল্যাণে কাজে লাগাতে পারবেন।
তাই চেম্বার ও নতুন ভবন নিয়ে তরুন আইনজীবীদের সকল আশা ও প্রত্যাশার কেন্দ্রবিন্দু এখন এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া, উনি নাহলে আমাদের শত শত তরুন আইনজীবীকে চেম্বার ছাড়াই আইনপেশায় থাকতে হবে এই ব্যাপারটা মোটামুটি সকলের কাছেই এখন স্বচ্ছ ও পরিস্কার, তাই তরুণ আইনজীবীরা নিজেদের প্রয়োজনে হলেও এবার এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার পক্ষে কোমর বেঁধেই মাঠে নামবেন বলে ধারনা করছেন প্রবীণ বিজ্ঞ আইনজীবীরা।
আইনজীবীদের নির্বাচনে তরুণ আইনজীবীদের পেশাগত উন্নয়ন নিয়ে কাজ করার সক্ষমতা রয়েছে এমন কাউকেই সচরাচর ভোট দেয়া উচিত। তরুণ আইনজীবীরা আদালত পাড়ায় নানান দুঃখ দুর্দশার মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করে। অথচ এই সমস্যা নিয়ে কখনই কেউ কাজ করে না বা কোন অজানা কারণে করতেও চায় না। তবে এই নির্বাচনের সময় তরুণ আইনজীবীদের এই সমস্যা কারা দূরীভুত করতে পারবেন, সেই দিক বিবেচনা করে ভোট দেয়া উচিত। এব্যাপারে এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া অতুলনীয়, তরুন আইনজীবীদের যেকোনো সমস্যায় উনি পাশে দাড়িঁয়েছেন। তরুনদের সমস্যা নিয়ে বিভিন্ন সময়ে মাননীয় বিচারক এমনকি জেলা কমিশনারের সামনেও উনার দৃঢ় অবস্থান দেখা গিয়েছিলো। আইনজীবীদের সম্মান ও স্বার্থ রক্ষার্থে উনি কখনো একবিন্দুও ছাড় দেননি। আইনজীবীদের সান মান ও পেশাগত মর্যাদা সমুন্নত রাখার জন্য এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার বিকল্প অন্তত এবারের নির্বাচনে তরুন আইনজীবীরা চিন্তাও করতে পারবেনা।
আইনজীবীদের নির্বাচনে তাকেই জয়লাভ করানো উচিত যার পক্ষে এই আইন পেশার এবং পেশাগত উন্নয়ন করা সম্ভব হবে এবং যাদের দ্বারা আইনজীবীদের পেশাগত উন্নয়নকল্পে সময়ে সময়ে বিভিন্ন ওয়ার্কশপ, সেমিনার, ট্রেনিং আয়োজন করা সম্ভব। এব্যাপারে এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার বিকল্প বা উনার সমতুল্য কেউ আছে তা উনার নিন্দুকেরাও বলতে পারবেনা।
সবসময় নিজেকে বিজ্ঞ আইনজীবীদের কল্যাণে যিনি নিয়োজিত রেখেছেন তিনি আর কেউ নন আমাদের আইনজীবী পরিবারের সন্তান এবং চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক, আইন অঙ্গনের প্রিয় মুখ এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া। যিনি ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে থেকেও কখনো ক্ষমতার অপব্যবহার করেননি, একটি রাজনৈতিকদল থেকে মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচিত হওয়ার পরও সমিতিকে দলীয়করণ বা সুযোগ সুবিদায় দলীয়করণ দেখান নাই। রাজনৈতিক দলের ব্যানারে সাধারন সম্পাদক নির্বাচিত হয়েও উনিই প্রথম দেখিয়েছেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদটা কোন দলের নয়, এটা সকল আইনজীবীদের, সকল দলের, সকল মতের, সকল আদর্শের এককথায় সকল আইনজীবীদের পদ এটা। এজন্য বিরোধী পক্ষের কাছেও বেশ সমাদৃত ও সম্মানিত এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া।
এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া চট্টগ্রামের এমন সম্ভ্রান্ত ও প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান হয়েও, রাজনৈতিক ভাবে এমন ক্ষমতাশালী হয়েও, ক্ষমতার এত কাছাকাছি থেকেও একবিন্দু অহংকার উনাকে কখনো স্পর্শ করেনি। সততা, সমতা, ন্যায়পরতা, উদারতা ও বিনয় উনার প্রধান শক্তি।
আইনজীবীদের ভালবাসা, স্নেহ ও সম্মানের জন্য তিনি যেকোনো ত্যাগ ও ঝুঁকি নিতেও রাজি। করোনাকালীন সময়ে বিজ্ঞ আইনজীবীদের কথা ভেবে জীবনের ঝুঁকি আছে জেনেও তিনি নিয়মিত অফিস করেছেন এবং আইনজীবীদের সাহস যুগিয়েছেন।
যখন করোনার ভয়ে পিতার লাশ ফেলে পুত্র বা পুত্রের লাশ ফেলে পিতা পালিয়ে যাচ্ছিলো ঠিক তখনো আইনজীবীদের স্বার্থে ও নিরাপত্তায় নির্ভয়ে কাজ করে যাচ্ছিলেন এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া।
করোনা কালীন সময় বিজ্ঞ আইনজীবীদের সেবা প্রদান, মেডিকেল ভর্তিসহ বিনামূল্য করোনা টেস্টের ব্যবস্হা, বিজ্ঞ আইনজীবীদের প্রয়োজনে চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির জন্য অ্যাম্বুলেন্স ক্রয় এবং অক্সিজেন সহ বিভিন্ন মেডিকেল ইকুইপমেন্ট ক্রয়, বিজ্ঞ আইনজীবীদের প্রয়োজনে করোনা কালীন সময়ে লোন প্রদান করেছেন।
সত্য কথা হচ্ছে করোনাকালিন সময়ের প্রাথমিক পর্যায়ে আমি নিজেও খুব ভীতসন্ত্রস্ত ছিলাম, আমি নিজে বা পরিবারের কেউ আক্রান্ত হলে এম্বুলেন্স কোথায় পাবো, কোন হাসপাতালে নিবো, অক্সিজেন কোথায় পাবো এসব নিয়ে যখনি খুব দুশ্চিন্তায় ছিলাম ঠিক তখনি মনে হলো মহান আল্লাহতালার রহমতের ফেরেশতা হয়েই যেন এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়া আবির্ভূত হলেন, আশা দেখালেন, সাহস যোগালেন, আইনজীবীদের পাশে থাকলেন। উনাকে দেখে সাহস ও শক্তি পেলাম। সত্যিই চট্টগ্রামের আইনজীবী সমাজ অনেক কৃতজ্ঞ আপনার কাছে।
এছাড়াও উনি সফটওয়ার ডেভেলপমেন্ট করিয়েছেন, উকালতনামা ও বেইলবন্ড এবং ইনজেনশন জালিয়াতি রোধে ছবি সম্বলিত স্টিকার প্রণোয়ন করেছেন।
উকালতনামা, বেইলবন্ড এবং ইনজেনশনে বন্ধ হয়ে যাওয়া এসএমএস পূনরায় চালু করেছেন, নষ্ট ও পরিত্যক্ত সিসি ক্যামেরাগুলো পূনরায় ঠিক করিয়েছেন, লাইব্রেরীতে এসি করণসহ পুরানো জরাজীর্ণ বইগুলো বাইন্ডিং এর ব্যবস্হা করিয়েছেন, বারকোড স্টিকার যুক্ত করে সফটওয়্যার এর মাধ্যমে বই বিলির ব্যবস্হা করেছেন, আইনজীবী সমিতির ভবনসমূহের পিছনের দেয়াল যেগুলো বৃষ্টিতে স্যাতস্যাতে হয়ে গিয়েছিলো সেগুলো সব রং করিয়েছেন, বিশুদ্ধ পানির জন্য পানির ফিল্টারের ব্যবস্হা করেছেন।
তাছাড়া আমরা তরুন আইনজীবীদের স্বপ্নের চেম্বারের জন্য উনি আইনজীবী সমিতির জন্য প্রস্তাবিত ভবনের জায়গা নির্ধারণ পূর্বক ভবনের নকশা অনুমোদন নিয়েছেন, ভবনের জায়গার দখল বুঝে নিয়েছেন, ভুমি মন্ত্রীর সুপারিশ নিয়েছেন, জেলা ও বিভাগীয় কমিশনারের সাথেও কথাবার্তা ফাইনাল করেছেন। ♥
উনার তদারকি ও তত্বাবধানে সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে নালা গুলোতে স্লেপ করে রাস্তা প্রশস্হ করেছেন,
বিজ্ঞ আইনজীবীদের কাছ থেকে বার কাউন্সিল হইতে ধার্য্যকৃত ৫০০টাকা রিলিফ ফান্ড না নেওয়ার জন্য বর্তমান এটর্নি জেনারেল যিনি বার কাউন্সিল গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চেয়ারম্যান উনার সাথে আলোচনাক্রমে তা আদায়ের সিন্ধান্ত বাতিল করার ব্যবস্হা করেন।
এবং এবারের সবচেয়ে আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে টাউট উচ্ছেদে উনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।।
যাকে ঘিরে তরুন ও প্রবীণ আইনজীবীদের এত স্বপ্ন, আশা, আকাঙ্ক্ষা সেই এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার পক্ষে ব্যক্তিগত ভাবে আমি আছি।
আমার ভোট এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার জন্য বরাদ্দ করে ফেলেছি, আইনজীবীদের স্বার্থেই।
আইনজীবীদের পেশাগত মর্যাদা সমুন্নত রাখা, সরাকার প্রধান থেকে আর্থিক অনুদান ও চেম্বারের জন্য ভবন নির্মাণ, আইনজীবীদের অধিকার নিশ্চিত করা সহ আইনজীবীদের স্বার্থে আপনার ভোটও এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়াই পাবেন এই প্রত্যাশা।
আসুন আওয়াজ তুলি-
♦ নবীন আইনজীবীদের প্রথম ভোট, এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার পক্ষে হোক।
♦ প্রগতিশীল আইনজীবীদের মূল্যবান ভোট, এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার পক্ষে হোক।
♦ সচেতন আইনজীবীদের গুরুত্বপূর্ণ ভোট, এডভোকেট জিয়া উদ্দিন জিয়ার পক্ষে হোক।
লেখকঃ
এডভোকেট এস এম রাশেদ চৌধুরী
সাবেক সদস্য- বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।
সাবেক সদস্য- বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, কেন্দ্রীয় উপ-কমিটি।।